ভোলার চরফ্যাশনে মধ্য আলীগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা খালেদা আক্তারকে হেনস্তা করার অভিযোগের ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়েছেন একই বিদ্যালয়ের সহকর্মী মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।
মঙ্গলবার বিকেলে চরফ্যাশন সাংবাদিক ইউনিয়ন কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ প্রতিবাদ জানান।
লিখিত অভিযোগে সহকারী শিক্ষক সাইফুল ইসলাম জানান, মধ্য আলীগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আর্থিক ও প্রশাসনিক নানা অনিয়ম দীর্ঘদিন ধরে করে আসছেন প্রধান শিক্ষক মনিরুল আলম ও সহকারী শিক্ষিকা খালেদা আক্তার। এসব বিষয়ে আমি প্রকাশ্যে প্রতিবাদ ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অবহিত করলে আমার বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে নারী হেনস্তার অভিযোগ তোলা হয়।
তিনি জানান, আমাকে জড়িয়ে প্রকাশিত আরটিভি অনলাইন ও বিভিন্ন পত্রিকা প্রকাশিত সংবাদটি মিথ্যা বানোয়াট বটে। আমি উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
লিখিত অভিযোগে আরও বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।
এ ব্যাপারে আলীগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনিরুল আলম বলেন, আমি বিদ্যালয়ে কোনো অনিয়ম ও দুর্নীতি করিনি। সহকারী শিক্ষক ও শিক্ষিকা একজন অন্যের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন দিয়েছে।
সহকারী শিক্ষিকা খালেদা আক্তার বলেন, আমি প্রতিষ্ঠানে কোনো অনিয়মের সাথে জড়িত নয়। আমার সহকর্মী সাইফুল স্থানীয় সন্তান হওয়ার কারণে বিভিন্ন সময় আমাকে হেনস্তা করার চেষ্টা করেছে। তবে হেনস্তা করতে পারিনি।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

