আমার দেশ জনপ্রিয় বাংলা নিউজ পেপার

পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করলেন নিয়ামুল মুক্তার

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার নিয়ে বিভ্রান্তি

বিনোদন রিপোর্টার

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার নিয়ে বিভ্রান্তি

২০২৩ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার বিজয়ীদের তালিকা প্রকাশ করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়।

‘রক্তজবা’ সিনেমার জন্য ‘শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার’ হিসেবে নাম এসেছে পরিচালক নিয়ামুল মুক্তার। রাষ্ট্রীয় এই সর্বোচ্চ সম্মাননা পাওয়ার খবরে আনন্দিত হওয়ার বদলে উল্টো বিব্রত বোধ করছেন এই নির্মাতা। তিনি এই পুরস্কারটি প্রত্যাখ্যান করার ঘোষণা দিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

বিষয়টি নিয়ে নিয়ামুল মুক্তা জানান, ‘রক্তজবা’ সিনেমাটি তিনি পরিচালনা করলেও এর চিত্রনাট্য তার লেখা নয়। এর প্রকৃত চিত্রনাট্যকার তাসনীমুল হাসান। অন্যের কাজের স্বীকৃতি নিজের নামে আসায় তিনি নৈতিকভাবে এটি গ্রহণ করতে পারছেন না।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি তো ‘রক্তজবা’র চিত্রনাট্য লিখি নাই, তাহলে কিভাবে দেওয়া হল আমাকে এই পুরস্কার? আমি জানি না, ‘রক্তজবা’ চলচ্চিত্রটির কাহীনি চিত্রনাট্য লিখেছেন মুহাম্মাদ তাসনীমুল হাসান তাজ। আর পরিচালক: নিয়ামুল মুক্তা। প্রযোজক: ইমপ্রেস টেলিফিল্ম। আমি আমাকে দেওয়া ‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০২৩’ এর শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকারের পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করছি এবং একই সাথে আমি শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার হিসাবে মুহাম্মাদ তাসনীমুল হাসান তাজ এর হাতে এই পুরস্কার দেখতে চাই।‘

যেই চলচ্চিত্রের জন্য পুরষ্কার পাচ্ছেন তা মুক্তি পাইনি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আচ্ছা, ভালো কথা, রক্তজবা কি সিনেমা হলে মুক্তি পেয়েছিল? আমি আমার ‘রক্তজবা’ চলচ্চিত্রটি সিনেমা হলে দেখতে পারি নাই, দর্শকরে দেখাতে পারি নাই । আমি আসলে জানিই না রক্তজবা সিনেমা হলে মুক্তি পেয়েছে কি না। সিনেমা হলে মুক্তি না পেলেও কী সেই চলচ্চিত্রটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের জন্য বিবেচিত হতে পারে? আমার আসলে জানা নাই। নাকি গ্রামের অখ্যাত কোন সিনেমা হলে ‘রক্তজবা’ নামমাত্র রিলিজ দেখানো হয়েছে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের আশায়। আমি আসলে তাও জানি না। কত কিছুই জানি না আমি! আর কি কি হয় এই দেশের সিনেমা নিয়ে, সিনেমা মুক্তি নিয়ে। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার নিয়ে। আমরা কবে মানুষ হবো?

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন