‘আই অ্যাম দ্য ফিউচার’ চলচ্চিত্রের এক বিশেষ প্রদর্শনী আয়োজন করেছে আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দি ঢাকা। ফরাসি পরিচালক র্যাচেল সিসিনস্কির এই ছবিটি তথ্যচিত্র এবং কল্পকাহিনির এক শক্তিশালী মিশ্রণের মাধ্যমে চারজন তরুণ প্রাপ্তবয়স্কের জীবন সংগ্রামের গল্প তুলে ধরেছেন, যারা তাদের নিজ নিজ সম্প্রদায়ের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং জলবায়ু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছেন। প্রদর্শনীটি ছিল চিন্তা, সংলাপ ও চলচ্চিত্র অন্বেষণের এক অনন্য সন্ধ্যা।
‘আই অ্যাম দ্য ফিউচার’-এ গিনি, ইন্দোনেশিয়া, ভারত এবং লেবাননের চার তরুণের পরস্পর সংযুক্ত যাত্রার কাহিনি তুলে ধরা হয়েছে— প্রত্যেকেই আরও ন্যায়সংগত এবং আশাব্যঞ্জক আগামীর দিকে তাদের নিজস্ব পথ তৈরি করছেন।
প্যারিসে, ২৬ বছর বয়সী গিনিয়ান অভিবাসী মামাদু তার ফ্রান্সে আগমনের অভিজ্ঞতা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে চিত্রনাট্যকার মেরিয়ানের সঙ্গে মিলিত হয়ে একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। জাকার্তায়, ২১ বছর বয়সী চিত্রশিল্পী ডিয়ান তার পরিবেশের পরিবর্তিত চিত্র— উচ্চ জলরাশি, হারিয়ে যাওয়া বাড়ি, পরিবর্তিত দৃশ্যপট— তার উজ্জ্বল এবং প্রাণবন্ত চিত্রকর্মের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলেন।
দিল্লিতে, ২৪ বছর বয়সী লক্ষ্মী তার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাকে একটি প্রাণবন্ত মিউজিক্যালের মাধ্যমে প্রকাশ করেন, যেখানে দেখানো হয়েছে একটি মেয়ের সংগ্রাম, যিনি সামাজিক বাধা সত্ত্বেও নৃত্যশিল্পী হতে ইচ্ছুক। উত্তর লেবাননে, ২৩ বছর বয়সেই নিজের এনজিও প্রতিষ্ঠা করা সুমায়রা গ্রামীণ সম্প্রদায়ের নারীদের ফটোগ্রাফি, স্বনির্ভরতা এবং সংহতির মাধ্যমে ক্ষমতায়ন করেন। অবশেষে, তাদের পথ নিউ ইয়র্কে মিলিত হয়, যেখানে তারা জাতিসংঘে বক্তৃতার জন্য আমন্ত্রিত হন— একটি সাক্ষাৎ যা বন্ধুত্ব, সংহতি এবং যৌথ লক্ষ্যকে উদ্ভাসিত করে।

