বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় গতকাল, ১১ মে থেকে শুরু হয়েছে জাতীয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও মনীষীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠান। ২০ মে ২০২৬ পর্যন্ত ১০ দিনব্যাপী এই আয়োজনে স্মরণ করা হবে ৪৫ গুণীজনকে।
গতকাল, বিকাল ৪টায় জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে দিনের প্রথম আয়োজনে স্মরণ করা হয় লোক সংগীতশিল্পী, গীতিকার ও সুরকার ওস্তাদ মোমতাজ আলী খান-কে।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মানিত সচিব জনাব কানিজ মওলা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (শিল্পকলা) মোহা. হারুন-অর-রশীদ। মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব তাহসিন খান। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক এবং কবি শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদ (রেজাউদ্দিন স্টালিন) এবং স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সচিব জনাব মোহাম্মদ জাকির হোসেন। অনুষ্ঠানে একক সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী তাহসিন খান ও নারায়ণ চন্দ্রশীল।
এরপর বিকাল ৫টায় স্মরণ করা ওস্তাদ আলী আকবর খান-কে। শাস্ত্রীয় সঙ্গীত জগতের অন্যতম এই পরিপূর্ণ সংগীতজ্ঞ নিয়ে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন প্রফেসর রিনাত ফৌজিয়া। অনুষ্ঠানে একক সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী রিনাত ফৌজিয়া ও ইউসুফ খান।
সন্ধ্যা ৬টায় স্মরণ করা ওস্তাদ গুল মুহাম্মদ খাঁ-কে। তিনি ছিলেন প্রখ্যাত ধ্রুপদ ও খেয়াল ধারার সঙ্গীতশিল্পী। গুণী এই শিল্পীকে নিয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব এ. কে. এম. আবদুল্লাহ খান। মুখ্য আলোচক ছিলেন ড. ফকির সুমন। অনুষ্ঠানে একক সংগীত পরিবেশন করেন ইমামুর রশিদ খান ও মিরাজুল জান্নাত সোনিয়া।
সন্ধ্যা ৭টায় দিনের শেষ অনুষ্ঠানে স্মরণ করা ওস্তাদ মুন্সী রইসউদ্দিন-কে। সংগীতজ্ঞ, সঙ্গীতগ্রন্থ প্রণেতা, উচ্চাঙ্গ কণ্ঠশিল্পীর জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা করেন জনাব এজাজ ফারাহ। অনুষ্ঠানে একক সংগীত পরিবেশন করেন এজাজ ফারাহ ও সুস্মিতা দেবনাথ সূচি।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

