বরেণ্য নাট্যব্যক্তিত্ব আতাউর রহমানকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে নেওয়া হয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে। তারপর সেখান থেকে অভিনেতার মরদেহ রাজধানীর বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে।
মঙ্গলবার (১২ মে) জোহরের নামাজের পর মগবাজারের নিজ বাসভবনের সামনে একটি খোলা মাঠে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর সর্বস্তরের মানুষের শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য বিকেল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের বেদিতে রাখা হয়।
এর আগে, সোমবার মধ্যরাতে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন একুশে ও স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত এই অভিনেতা, নাট্যকার ও নির্দেশক। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার বাসায় হঠাৎ পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন আতাউর রহমান। প্রথমে তাঁকে গুলশানের একটি হাসপাতালে নেওয়া হলেও সেখানে আইসিইউ সুবিধা না থাকায় পরে ধানমন্ডির আরেকটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেসময় তিনি লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। মধ্যে শারীরিক অবস্থার সাময়িক উন্নতি হলে লাইফ সাপোর্ট খুলে দেওয়া হয়েছিল। গত রোববার শারীরিক অবস্থার ফের অবনতি হলে পুনরায় তাঁকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। গতকাল মধ্যরাতে না ফেরার দেশে পাড়ি দেন তিনি।
১৯৪১ সালের ১৮ জুন নোয়াখালীতে জন্ম নেওয়া আতাউর রহমান বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে বহুমাত্রিক পরিচয়ের অধিকারী। তিনি একাধারে নাট্যজন, অভিনেতা, মঞ্চনির্দেশক ও লেখক। স্বাধীনতাযুদ্ধ-পরবর্তী মঞ্চনাট্য আন্দোলনের অন্যতম অগ্রদূত হিসেবে পরিচিত তিনি। দেশের সংস্কৃতি ও নাট্যাঙ্গনে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি পেয়েছেন একুশে পদক ও স্বাধীনতা পদক।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

