বাংলাদেশের নাট্যাঙ্গনে নিজেদের জনপ্রিয় করে গড়ে তোলার জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন অনেক নবাগত অভিনেতা-অভিনেত্রী। তাদের মধ্যে একজন আনিকা আইরা। যার পুরো নাম আনিকা বিনতে কামাল আইরা। পড়ছেন ঢাকার একটি প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে ইংরেজি সাহিত্যে। অভিনয়ের প্রতি ভীষণ ভালো লাগা নিয়ে কয়েক বছর আগে থেকে মিডিয়াতে ফটোশুট, মডেলিং দিয়ে আনিকা আইরার কাজ শুরু।
এরপর অভিনয়ে তার সুযোগ আসে মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজের নির্দেশনায় ‘মনের সাথী’ নাটকে অভিনয় করার মাধ্যমে। পরে একই পরিচালকের ‘লাইক ফাদার লাইক সন’ নাটকে অভিনয় করে আলোচনায় আসেন তিনি।
এতে তার বিপরীতে ছিলেন তামিম মৃধা। এরপর তাকে দেখা যায় মারুফ হোসেন সজীবের ‘আমার বউ সব জানে’, ‘আমি এখানেই থাকব’, রুবেল আনুশের ‘দেখা হওয়ার কথা ছিল’, মুহাম্মদ মিফতাহ আনানের ‘আপন যে জন’ নাটকে।
নিজের অভিনয়ের প্রতি আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায় আনিকা আইরার।
অভিনয়ে নিয়মিত হওয়া প্রসঙ্গে আইরা বলেন, ‘সত্যি বলতে কী এখন অভিনয়ের প্রতি আমি আরো বেশি মনোযোগী। সিনিয়র শিল্পীদের কাছ থেকে অভিনয় শেখারও প্রবল আগ্রহ থাকে আমার। জানি না আগামীটা কেমন, তবে একজন সু-অভিনেত্রী হওয়ারই প্রবল ইচ্ছে আমার, স্বপ্ন আমার। সবার দোয়া চাই, সহযোগিতা চাই।’
এরই মধ্যে কাজ শেষ হওয়া ‘কাঠগোলাপের বিয়ে’ নিয়ে আনিকা ভীষণ আশাবাদী। এই নাটকের গল্প মো. ফরিদ উদ্দিন ও স্বপ্নীল চক্রবর্তীর। নির্মাণ করেছেন মো. ফরিদ উদ্দিন।
নাটকটি আগামী ভালোবাসা দিবসে প্রচারে আসবে বলে নিশ্চিত করে আনিকা আইরা বলেন, ‘ধন্যবাদ জানাই রাজ ভাইকে, তার কারণেই অভিনয়ের দুনিয়ায় আমার সুন্দর যাত্রা। তার নির্দেশিত দুটি নাটকে অভিনয় করেই প্রথমদিকে অর্থাৎ ২০২২ সালে বেশ সাড়া পেয়েছিলাম। এর পরের নাটকগুলোর জন্যও খুব সাড়া পেয়েছি। তবে ‘কাঠগোলাপের বিয়ে’ নাটকটির গল্প এবং আমার চরিত্র এক কথায় অন্যরকম। গল্পটাই আসলে এত চমৎকার যে, শুটিংয়ের সময় নিজের চরিত্রেই ভীষণ মগ্ন ছিলাম আমি। শুটিংয়ের পরও যেন চরিত্রটিতে ডুবে ছিলাম। যে কারণে এই নাটকটি নিয়ে আমি ভীষণ আশাবাদী।’
এরই মধ্যে আনিকা শেষ করেছেন আদনান সৈকতের ‘পড়িবার পরিকল্পনা’ নাটকের কাজ।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

