সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য হওয়ার দৌড়ে শেষ পর্যন্ত জায়গা করে নিতে পারেননি জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী রুমানা মোর্শেদ কনকচাঁপা। সোমবার, ২০ এপ্রিল, নয়াপল্টনে বিএনপির কার্যালয়ে নারী প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। তবে সেই তালিকায় নেই এ শিল্পীর নাম।
মনোনয়ন না পেয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তিনি। ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘প্রিয় বিশ্ববাসী, আস সালামু আলাইকুম। জীবনের যে-কোনো পরিস্থিতিতেই আমি আলহামদুলিল্লাহ বলি। সবই আল্লাহর ফায়সালা।’
তিনি গত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও বিএনপির মনোনয়ন চেয়েছিলেন। সেখানেও মনোনয়ন পাননি এ শিল্পী। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সরাসরি জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার জন্য যুদ্ধ করলাম। তখনও নমিনেশন না পেয়েও আলহামদুলিল্লাহ বলেছি নির্দ্বিধায়। গ্রামের মানুষের প্রবল চাহিদার জন্য আবারও গেলাম সংরক্ষিত আসনের এই প্রসেসে। সেখানেও তারা আমাকে মূল্যায়ন করলো না। তবুও বলি আলহামদুলিল্লাহ। নিশ্চয়ই আল্লাহ এর মধ্যে মঙ্গল রেখেছেন। জীবন তো এখানেই শেষ হয়ে গেলো না।’
ভক্তদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘আপনারা যেভাবে আমার সাথে ছিলেন আশাকরি সেভাবেই থাকবেন। আমি নিতান্তই সাদামাটা মানুষ। দল হয়তো ভেবেছে আমি ভাতের মাড় টাইপ মানুষ। কিন্তু আমি জানি এই দেশ আমার, গান ছাড়াও এ দেশকে দেওয়ার অনেক কিছু বাকি আছে। ইনশাল্লাহ আমি আছি দেশের হয়ে, দশের হয়ে। আর কিছু যদি নাও পারি মরে গিয়ে মাটিতে মিশে মাটি উর্বর করতে পারবো নিশ্চয়ই। আমার জন্য দোয়া করবেন।’
কনকচাঁপা জাতীয়তাবাদী সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন (জাসাস) কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও জেলা বিএনপির সদস্য। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জ-১ আসনের জন্য বিএনপির মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। তবে সেসময়ও বঞ্চিত ছিলেন তিনি।
এর আগে, ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একই আসনে বিএনপির প্রার্থী হয়েছিলেন কনকচাঁপা। ওই সময় আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছিলেন প্রয়াত মোহাম্মদ নাসিম। ওই নির্বাচনে মোহাম্মদ নাসিম পেয়েছিলেন ৩ লাখ ২৪ হাজার ৪৩৬ ভোট ও কনকচাঁপা পেয়েছিলেন ১ হাজার ৭২ ভোট।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

