আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ফ্যাশনে ও প্রয়োজনে অন্যতম অনুষঙ্গ হচ্ছে হাতঘড়ি। বলা হয়ে থাকে, দুটি জিনিস কোনো ব্যক্তিকে স্মার্ট বানাতে সাহায্য করে। তা হলো সুগন্ধি আর দ্বিতীয়টি হাতঘড়ি।
অবশ্যই সময়ের বিবর্তনে এর অনেকটা জায়গা দখল করে নিয়েছে মোবাইল ফোন। তাই বর্তমানে সময় দেখার প্রয়োজনের চেয়ে হাতঘড়ি ফ্যাশনের জন্যই বেশি ব্যবহার করা হয়। এখন ফ্যাশনপ্রেমীদের পছন্দের তালিকায় যুক্ত হয়েছে নানা ডিজাইনের স্টাইলিস্ট ঘড়ি।
ঘড়ির প্রয়োজন ফ্যাশন হোক ও কাজের ক্ষেত্রে হোক—ঘড়ি তার একটা নিজস্ব জায়গা ধরে রেখেছে। মানুষের চাহিদা ও ফ্যাশনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ডিজাইন ও স্টাইলে ঘড়ি আধুনিক থেকে আধুনিকতর হয়েছে। তাই ফ্যাশনপ্রেমীদের কাছে স্টাইলের অনুষঙ্গ হিসেবে ঘড়ি অনেক জনপ্রিয়।
বর্তমানে বাজারে বিভিন্ন ধরনের ও ডিজাইনের ঘড়ি পাওয়া যায়। হালফ্যাশনে বেশিরভাগ কর্মজীবী নারী ও পুরুষ তাদের কর্মস্থলে, কর্মব্যস্ত দিনে, কাজের প্রয়োজনে ও ফ্যাশন দুটো মিলিয়েই ঘড়িতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।
হাতঘড়ি কেনার আগে কয়েকটি ব্যাপারে অবশ্যই লক্ষ রাখতে হবে
* আপনি যে স্টাইলে থাকতে পছন্দ করেন সেটার কথা মাথায় রেখেই ঘড়ি পছন্দ করুন। সে ক্ষেত্রে হতে পারে ক্যাজুয়াল, ফরমাল অথবা এক্সক্লুসিভ ডিজাইনের যেকোনো কিছু।
* ঘড়ি কেনার আগে বাজেট তৈরি করতে হবে আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী।
* কম দামে খুব হাই ক্যাটাগরির ঘড়ি খোঁজাটা যেমন বোকামি, ঠিক তেমনি ঘড়ির বাজেট নিয়ে যদি ঠিকমতো পরিকল্পনা করা না যায়, তবে বেশি দাম দিয়ে নিম্নমানের ঘড়ি কিনেই পরতে হবে। তবে যদি কোনো দুষ্প্রাপ্য, শখের দামি জিনিসের প্রতি ঝোঁক থেকে থাকে, তবে সে ব্যাপারে ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
* আজকাল নানা ডিজাইনের ও বিভিন্ন রঙের ঘড়ি পাওয়া যায়। এসব ঘড়ি বেশ সাশ্রয়ে কেনা যায়, পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে পড়া যায়।
ব্র্যান্ড : অনেকের আবার ব্র্যান্ডের ঘড়ির প্রতি আগ্রহ বেশি থাকে। সাধারণত ব্র্যান্ডের ঘড়ির দাম একটু বেশিই। অনেকেই কম দামে ব্র্যান্ডের ঘড়ি খোঁজেন। ঘড়িটি যদি ব্র্যান্ডের হয়, তবে সেটি আসল কি নাÑতা দেখে নিতে হবে। ব্র্যান্ডের ব্যাপারে যদি আপনার কোনো আইডিয়া না থাকে, তবে ব্র্যান্ডের পেছনে না ছোটাই উত্তম।
কোয়ালিটি : সেকেন্ড হ্যান্ড ঘড়ি হলে ঘড়ির গায়ে কোনো আঁচড়, দাগ আছে কি না—ভালোভাবে দেখে নিন।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

