
গরমেও স্বস্তিপ্রদ রান্না
গ্রীষ্মের অসহনীয় গরমে জনজীবন প্রায় ওষ্ঠাগত। তবে প্রচণ্ড গরমে জনজীবন বিপর্যস্ত হলেও খাওয়া-দাওয়া তো বাদ দেওয়ার উপায় নেই। এই তীব্র দাবদাহেও পেটের ক্ষুধা মেটানোর জন্য স্বাভাবিকভাবেই রান্নাঘরে ঢুকতেই হয়।

গ্রীষ্মের অসহনীয় গরমে জনজীবন প্রায় ওষ্ঠাগত। তবে প্রচণ্ড গরমে জনজীবন বিপর্যস্ত হলেও খাওয়া-দাওয়া তো বাদ দেওয়ার উপায় নেই। এই তীব্র দাবদাহেও পেটের ক্ষুধা মেটানোর জন্য স্বাভাবিকভাবেই রান্নাঘরে ঢুকতেই হয়।

পহেলা বৈশাখ মানেই নারীদের পরনে লাল-সাদা শাড়ি আর পুরুষের সাদা কিংবা রঙিন পাঞ্জাবি। মেলায় ঘোরাঘুরি করে মুড়ি-মুড়কি, খই, মুরালি, সাজ-বিন্নি, বাতাসা খাওয়া; আর বায়োস্কোপ ও পুতুলনাচ দেখা। শৈশবে আমাদের স্মৃতিতে পহেলা বৈশাখের আয়োজন ছিল এমনই।

তপ্ত রোদে বেশি বেশি শরবত ও পানি পান করা ভালো। পহেলা বৈশাখের দিনে ঠান্ডা শরবত পান করতে ভালো লাগে। আবার স্বাস্থ্যের জন্যও ভালো।

বাংলা বছরের প্রথম মাস বৈশাখ এলেই যেন নতুন প্রাণ ফিরে পায় আমাদের গ্রামবাংলা। প্রকৃতির বুক জুড়ে নেমে আসে এক অনন্য উচ্ছ্বাস, নতুন সূর্যের আলো যেন ধুয়ে-মুছে দেবে পুরোনো দিনের সব ক্লান্তি-অবসাদ।