দীর্ঘদিন রোজা রাখার পর ঈদের সময় সুযোগ পেয়ে একবারে অনেক খাবার খেয়ে ফেলেন অনেকেই । আর যেহেতু দীর্ঘদিন রোজা রাখা হয়েছে, শরীর রোজাতেই অভ্যস্ত হয়ে যাওয়ার কারণে এমন করে হঠাৎ বেশি খাবার খাওয়ার জন্য শরীর প্রস্তুত না থাকায়, শরীর ভারী অনুভব করতে পারে এবং অনেকেই ‘বাজে খাচ্ছি’ বলে নিজেকে দোষারোপ করেন।
আর যেহেতু দীর্ঘদিন রোজা রাখা হয়েছে, শরীর রোজাতেই অভ্যস্ত হয়ে যাওয়ার কারণে, এমন করে হঠাৎ বেশি খাবার খাওয়ার জন্য শরীর প্রস্তুত না থাকায় শরীর ভারী অনুভব করতে পারে এবং অনেকেই ‘বাজে খাচ্ছি’ বলে নিজেকে দোষারোপ করেন।
কিন্তু আসলেই এটা কোনো অপরাধ নয়। আমাদের শরীর প্রাকৃতিকভাবে অতিরিক্ত খাওয়াকে সামলাতে পারে, যদি আমরা সচেতন পদক্ষেপ নিই।
হালকা চলাফেরা করুন
খাবারের পর সরাসরি বসে থাকা বা ঘুমানো হজমের জন্য ক্ষতিকর। খাবারের পর ১০-২০ মিনিট হালকা হাঁটাহাঁটি করুন। এটি হজম প্রক্রিয়াকে সাহায্য করে, খাবার দ্রুত পাকস্থলীতে পৌঁছায় এবং গ্যাস বা অস্বস্তি কমায়। (এ সময় জোরে দৌড় বা ভারী ব্যায়াম না করা ভালো।)
প্রচুর পানি পান করুন
ঈদে মিষ্টি বা তেলের খাবার বেশি খাওয়া হলে শরীর dehydrated হতে পারে। পানি বা লেবুর জল হজমকে সহজ করে এবং বিষক্রিয়া কমায়। তবে একবারে অনেক পানি না খেয়ে ছোট ছোট চুমুক নিন।
হজমে সাহায্যকারী খাবার খাওয়া
* দই বা চাটনি: প্রোবায়োটিক দই হজমে সাহায্য করে।
* ফলমূল: আপেল, পেয়ারা বা তরমুজের মতো জলযুক্ত ফল হজম সহজ করে।
* হালকা সবজি: স্যুপ বা হালকা সবজি হজমের জন্য ভালো।
পেটের অস্বস্তি কমানোর প্রাকৃতিক উপায়
* জিরা বা ধনেপাতা চা: গ্যাস বা ফোলাভাব কমায়।
* আদা চা বা হালকা আদা পানি: হজমে সাহায্য করে এবং বমি ভাব কমায়।
পরবর্তী খাবার হালকা রাখুন
যদি রাতে অতিরিক্ত খাওয়া হয়ে যায়, পরবর্তী দিন হালকা খাবার গ্রহণ করুন। খুব ভারী খাবার এড়িয়ে চলুন। যেমন:
ওটস, দই, স্যুপ, হালকা সবজি, কম তেল, কম মিষ্টি
নিজের প্রতি ধৈর্য ধরুন
অতিরিক্ত খাওয়া হয়েছে মানে আপনাকে দোষী ভাবার কিছু নেই। শরীর ধৈর্য ধরে এই অতিরিক্ত খাবার হজম করবে। মানসিক চাপ কম রাখাও গুরুত্বপূর্ণ। নিজের প্রতি সদয় হোন।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

