পূজার খাবার

পূজার খাবার
লুচি

পূজা মানেই মজার সব খাবারের আয়োজন। খাবার ছাড়া উৎসবের আনন্দ পরিপূর্ণ হয় না! আর কিছুদিন পরেই শুরু হতে যাচ্ছে বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। পূজায় থাকে খাবারের আয়োজনে নানারকম পদের সমাহার। পূজাকে সামনে রেখে সহজে তৈরি করা যায়, এমন মজাদার খাবারের রেসিপি ও ছবি দিয়েছেন তাপসী

বিজ্ঞাপন

লুচি

উপকরণ : ময়দা ১ কাপ, আটা ২ টেবিল চামচ, কালিজিরা পরিমাণমতো, তেল ১ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো ও চিনি সামান্য।

প্রস্তুত প্রণালি : লুচি বানানোর জন্য প্রথমে পরিমাণমতো ময়দা এবং আটা একসঙ্গে মিশিয়ে নিতে হবে। ময়দা আর আটা একসঙ্গে দিলে বেশ কয়েক ঘণ্টা লুচি নরম থাকে। এরপর লবণ, কালিজিরা ও সামান্য চিনি মিশিয়ে নিন। চাইলে চিনি নাও দিতে পারেন। এরপর তেল দিয়ে ভালোভাবে মেখে নিতে হবে। সবশেষে স্বাভাবিক উষ্ণতার পানি দিয়ে ভালোভাবে মেখে খামির তৈরি করতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, খামিরটি যাতে বেশি নরম না হয়ে যায়। এরপর ঢাকনা দিয়ে আধা ঘণ্টার জন্য রেখে দিতে হবে। এরপর খামির একটু মথে নিয়ে ভাগ করে নিতে হবে। এরপর বেলুনে হালকা তেল মেখে ছোট ছোট করে রুটির মতো বেলে নিতে হবে। তেল গরম হয়ে এলে ডুবো তেলে ভাজতে হবে।

নারকেল নাড়ু
নারকেল নাড়ু

নারকেল নাড়ু

উপকরণ : নারকেল ১টা (মাঝারি সাইজ), আখের গুড় সোয়া কাপ, সুজি ৪ টেবিল চামচ, গুঁড়া দুধ ২ টেবিল চামচ, ঘি ও এলাচ দানা ৪টা।

প্রস্তুত প্রণালি : প্রথমে নারকেল কুরিয়ে নিন। মাঝারি সাইজের একটা নারকেলের জন্য সুজি হালকা বাদামি করে ভেজে রাখতে হবে। তারপর কড়াইতে কোরানো নারকেল, আখের গুড়, এলাচ দানাগুঁড়া ও গুঁড়া দুধ দিয়ে চুলার জ্বাল মিডিয়াম আঁচে রেখে ঘনঘন নাড়তে হবে। নারকেল থেকে যখন পানির পরিমাণ শুকিয়ে আসতে শুরু করবে, তখন সুজি ও ১ চিমটি কর্পূরদানা মিশ্রণের মধ্যে দিয়ে দেবেন। তারপর অনবরত নাড়তে থাকবেন। যখন মিশ্রণে আঠালো ভাব আসবে, তখন ২ চামচ ঘি দিয়ে দিন। এভাবে কিছুক্ষণ নাড়ার পর যখন দেখবেন সুন্দর একটা পাক এসেছে—ঠিক তখনই চুলা থেকে নামিয়ে নেবেন। হালকা ঠান্ডা হলে দুহাতে ঘি মাখিয়ে গোল গোল করে নাড়ুর আকারে গড়ে নেবেন। নাড়ু গোল করে বানানো হয়ে গেলে অল্প সাদা তিলের ওপর গড়িয়ে নিলে দেখতে বেশ ভালো লাগবে।

আলুর দম
আলুর দম

আলুর দম

উপকরণ : ছোট আলু ২০টি (এক সাইজের), তেজপাতা ২টি, আদাবাটা ১ চামচ, হলুদগুঁড়া ১ চামচ, লাল মরিচের গুঁড়া ২ চামচ, ধনেগুঁড়া আধা চামচ, জিরাগুঁড়া ১ চা চামচ, পাঁচফোড়ন আধা চামচ, তেঁতুলের রস ৩ চা চামচ, কাঁচামরিচ ৪টি, চিনি সামান্য, লবণ স্বাদমতো, ঘি সামান্য ও তেল ২ টেবিল চামচ।

প্রস্তুত প্রণালি : আলু প্রথমেই খোসা ছাড়িয়ে পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। এতে আলু কালো হবে না। এরপর গরম তেলে ফোড়ন দিয়ে ভালোভাবে ভেজে নিন। এক এক করে সব মসলা ভালোভাবে কষিয়ে নিতে হবে। মসলা যত কষাবেন, স্বাদ তত ভালো হবে। সামান্য পানি দিয়ে মসলা কষাতে হবে। মসলা কষানো হয়ে গেলে আলু দিয়ে দিতে হবে। আলু মসলার সঙ্গে পাঁচ মিনিট নেড়ে নিতে হবে। এখন পানি দিয়ে দিতে হবে, যাতে আলু সেদ্ধ হয়। এখন ঢাকনা দিয়ে দিতে হবে আলু সেদ্ধ হওয়ার জন্য। কয়েকটি কাঁচামরিচ দিয়ে দিতে হবে। কিছুক্ষণ পর ঢাকনা উঠিয়ে তেঁতুলের রস ও চিনি দিয়ে দিতে হবে। এতে দারুণ ফ্লেভার আসবে। আরেকটু ভুনা-ভুনা হয়ে এলে চুলা থেকে নামিয়ে নিতে হবে। একদম শেষে দিন ঘি। ব্যস, রান্না হয়ে গেল।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন