আমার সৌভাগ্য, আমি ইবনে খালদুনকে পাঠ করেছি। তার বিখ্যাত গ্রন্থ ‘মুকাদ্দিমা’ মূল আরবি ভাষায় পড়ার মধ্য দিয়ে তাকে চেনা ও বোঝার যাত্রা শুরু হয়েছে। ফলে যে ইবনে খালদুন মুকাদ্দিমা রচনা করেছেন, আমার সামনে তিনিই উপস্থিত হয়েছেন। কারো ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ নয়; তার নিজের ভাষায় পড়ার কারণেই তার চিন্তার প্রকৃত রূপ আমি উপলব্ধি করতে পেরেছি। অন্যের কলমে তাকে পড়লে হয়তো প্রকৃত ইবনে খালদুনকে আমার চেনা হতো না।
ইবনে খালদুন চর্চার সংকটটা ঠিক এখানেই। আমরা তাকে পাঠ করি অন্যের গবেষণার মাধ্যমে। ফলে ইবনে খালদুনকে আমরা প্রায়ই তার নিজস্ব বৌদ্ধিক পরিসর থেকে নয়; বরং ইউরোপীয় ব্যাখ্যা, আধুনিক সমাজবিজ্ঞান ও প্রাচ্যবিদ্যার ফ্রেমওয়ার্কের মধ্য দিয়ে পাঠ করি। আর সেখানেই তৈরি হয় প্রকৃত ইবনে খালদুন ও ‘নির্মিত’ ইবনে খালদুনের ব্যবধান। মোটাদাগে এই সংকটের কারণ তিনটি—আরবি ভাষায় অজ্ঞতা, ইউরোসেন্ট্রিজম (ইউরোপকেন্দ্রিকতা) এবং আধুনিকতা ও ধর্মের দ্বন্দ্ব।
পুবের ইবনে খালদুন, পশ্চিমের ইবনে খালদুন
ইবনে খালদুনের জন্ম পুবে (খ্রিষ্টাব্দ ১৩৩২), কিন্তু তার জ্ঞানের সংরক্ষণ ও একাডেমিক চর্চা হয়েছে পশ্চিমে। আবদুল্লাহ ইনান তার বইয়ের ভূমিকায় লিখেছেন, ‘মানুষটিকে প্রথম আবিষ্কার করে পশ্চিমা বিশ্ব; কিন্তু যেখানে ইবনে খালদুনের জন্ম পুবে, সেখানে তাকে চর্চার কোনো উদ্যোগই নেওয়া হয়নি। আবিষ্কৃত হওয়ার পর পশ্চিমে তাকে নিয়ে একাধিক বই ও জটিল গবেষণাগ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে, কিন্তু তার পিতৃভূমিতে তাকে নিয়ে উল্লেখযোগ্য কোনো চর্চাই হয়নি।’ (লাইফ অ্যান্ড ওয়ার্ক অব ইবনে খালদুন, ঐতিহ্য প্রকাশনী)
অবশ্য মুসলিম বিশ্বের পাঠকদের সামনে ইবনে খালদুন পুরোপুরি অনুপস্থিত ছিলেন না; সীমিত পরিসরে হলেও তার গ্রন্থ পাঠ করা হতো। তবে সেখানে তাকে প্রাতিষ্ঠানিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক ধারায় চর্চা করা হয়নি।
আরবে ইবনে খালদুনের চর্চা না হওয়ার পেছনে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটও রয়েছে। বাগদাদের পতনের ফলে মুসলিম বিশ্বে জ্ঞানচর্চার কেন্দ্রগুলো দুর্বল হয়ে পড়েছিল। আব্বাসি যুগে যেমন জ্ঞানচর্চার পেছনে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ছিল, তা ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। অন্যদিকে ইউরোপের প্রত্যক্ষ মদতে তখন প্রাচ্যবিদ্যার উত্থান ঘটছে। ক্রুসেডের অভিজ্ঞতার পর ইউরোপ জ্ঞানগত আধিপত্যের পথ বেছে নেয় এবং গোটা মুসলিম বিশ্বকে নিয়ে তারা গবেষণা করে। তাদের লক্ষ্য ছিল ইসলাম ও মুসলিম সমাজকে গভীরভাবে জানা। ‘ঔপনিবেশিক জ্ঞানতত্ত্বে’র একটি উদ্দেশ্য ছিল শাসিত জনগোষ্ঠীকে বোঝা, শ্রেণিবদ্ধ করা এবং বৌদ্ধিকভাবে প্রভাবিত করা।
আমেরিকার ইসলামিক স্টাডিজ বিশেষজ্ঞ ব্রুস লরেন্সের মতে, ইবনে খালদুন প্রাচ্যবাদের ফসল ছিলেন। প্রাচ্যবাদ প্রত্যক্ষ না হলেও পরোক্ষভাবে শুরু থেকে ক্ষমতার প্রতি তৎপর ছিল। যখন ইউরোপিয়ান দেশগুলো মুসলমান জনপদগুলোকে উপনিবেশ করা শুরু করল, তখন তাদের শাসিত নতুন প্রজাদের আচার-আচরণ ভালোভাবে অনুমান এবং সম্ভবত নিয়ন্ত্রণ করার তাগিদে তাদের জানা প্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছিল।’ লরেন্সের যুক্তি হলো, ইসলামি চিন্তাপদ্ধতি ও রাজনীতির প্রতি ইবনে খালদুনের সমালোচনামূলক দৃষ্টিভঙ্গিই পশ্চিমা পণ্ডিতদের আকৃষ্ট করেছিল। (ইবনে খালদুন জীবন, চিন্তা ও সৃজন, দিব্য প্রকাশ, পৃষ্ঠা : ২৩৪)
প্রাচ্যবিদরা নিজেদের স্বার্থেই ইবনে খালদুনকে গভীরভাবে চর্চা করেছিলেন। তাকে আবিষ্কার করা, সংরক্ষণ করা এবং তার ওপর জটিল গবেষণাধর্মী গ্রন্থ রচনা—সবই মূলত পশ্চিমের উদ্যোগে সম্পন্ন হয়েছিল। এখান থেকেই শুরু হয় ইবনে খালদুন চর্চার সংকট—আরবি ভাষার অজ্ঞতা এবং ইউরোপীয় গবেষণার ওপর নির্ভরতা।
আরবি ভাষা না জানলে ‘মুকাদ্দিমা’ চর্চায় বড় সীমাবদ্ধতা তৈরি হয়। তখন আমাদের ইউরোপীয় পণ্ডিত বা প্রাচ্যবিদদের ব্যাখ্যার মাধ্যমে ইবনে খালদুনকে বুঝতে হয়। রবার্ট আরউইন বলেন, ‘প্রত্যেকের মধ্যেই ইবনে খালদুনকে নিজের প্রতিচ্ছবির মতো তৈরি করার প্রবণতা ছিল। ফলে প্রবল ধার্মিক খ্রিষ্টান হ্যামিল্টন গিব ইবনে খালদুনের মধ্যে প্রবল ধার্মিক মুসলমান খুঁজে পেয়েছেন। মার্ক্সবাদী লাকোস্তে ইবনে খালদুনকে তার সহযোগী হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন, যদিও প্রাচীন ধরনের। মুহসিন মাহদি একজন স্ট্রসবাদী (স্ট্রসের দর্শনের অনুসারী) ইবনে খালদুন আবিষ্কার করেন, যিনি রাজনৈতিক দর্শন এমনভাবে প্রকাশ করেন যেন আমজনতা বুঝতে না পারেন।’ (ইবনে খালদুন জীবন, চিন্তা ও সৃজন, পৃষ্ঠা : ২৩৫)
আমাদের দেশেও সাধারণত মুকাদ্দিমার ইংরেজি অনুবাদ বা ব্যাখ্যাগ্রন্থই পড়া হয়। কখনো আবার ইবনে খালদুনকে নিয়ে লেখা কোনো প্রাচ্যবাদী বইয়ের বাংলা অনুবাদ পড়া হয়। ফলে প্রত্যেকে তাকে নিজের দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী উপস্থাপন করেন, আর আড়ালে পড়ে যান প্রকৃত ইবনে খালদুন।
ইবনে খালদুন ও ইউরোপের সংকীর্ণতা
ইউরোসেন্ট্রিক চিন্তাধারায় বিশ্বের যা কিছু কল্যাণকর, তা যেন একমাত্র ইউরোপেই বিদ্যমান। ইউরোপের চিন্তাচর্চা ‘বিশ্বজনীন’; কিন্তু ইউরোপের বাইরের মনীষীরা গণ্ডিবদ্ধ—কেউ আরবের ইতিহাসবিদ, কেউ আফ্রিকার কবি, কেউ চীনা দার্শনিক। এমন সংকীর্ণ ইউরোপের হাতেই ইবনে খালদুন চর্চিত হয়েছেন।
ইউরোপের মদতে বিকশিত ওরিয়েন্টালিজম সম্পর্কে সাইয়্যেদ ফারিদ অ্যাটালাস বলেন, ‘প্রাচ্যতত্ত্ব’ বা ‘ওরিয়েন্টালিজম’-এর শত শত বছর ধরে টিকে থাকা অন্যতম প্রধান এবং দীর্ঘস্থায়ী বৈশিষ্ট্য হলো তথাকথিত প্রাচ্যদেশীয় চিন্তাবিদদের তাত্ত্বিক কর্তৃত্বকে অবজ্ঞা বা উপেক্ষা করা।’ (Applying Ibn Khaldun, ভূমিকা, পৃষ্ঠা : ১)
ইউরোসেন্ট্রিক চিন্তাধারার এই সংকীর্ণতাও আমাদের মাথায় রাখতে হবে। ইউরোপ ও প্রাচ্যবাদ নিজেদের স্বার্থেই ইবনে খালদুনকে চর্চা করেছিল; কিন্তু নন-ইউরোপিয়ান হওয়ায় তাকে কখনোই যথাযথ মর্যাদা তারা দেয়নি।
ইবনে খালদুনকে ‘সমাজবিজ্ঞানের জনক’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হলেও তাকে খুব কমই জীবন্ত তাত্ত্বিক হিসেবে পাঠ করা হয়েছে। তাকে মূলত ইতিহাসের অংশ বা ‘প্রাচীন বৌদ্ধিক কৌতূহল’ হিসেবে সংরক্ষণ করা হয়েছে। বিপরীতে মার্ক্স, ওয়েবার বা দুর্খেইমের তত্ত্বকে বিশ্বজনীন ধরে নিয়ে অ-পাশ্চাত্য সমাজেও প্রয়োগ করা হয়েছে। কিন্তু অ-পাশ্চাত্য মনীষীদের সামাজিক ব্যাখ্যা ও দর্শনকে খুব কম ক্ষেত্রেই সমসাময়িক ‘তাত্ত্বিক কাঠামো’ হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়েছে।
সাইয়্যেদ ফারিদ অ্যাটালাস বলেন, ‘ঊনবিংশ শতাব্দীর ইউরোপীয় সমাজবিজ্ঞানের প্রতিষ্ঠাতা, যেমন মার্ক্স, ওয়েবার ও দুর্খেইম সমাজবিজ্ঞান ও অন্যান্য সামাজিক বিজ্ঞানের বিকাশে এতটাই গভীর প্রভাব ফেলেছিলেন যে, তাদের কাজের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা অনেক তত্ত্ব ও মডেল ইউরোপের বাইরে, অর্থাৎ অ-পাশ্চাত্য বিশ্বে প্রয়োগ করা হয়েছিল। তবে অ-পাশ্চাত্য সমাজ-চিন্তাবিদদের ক্ষেত্রে একই দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করা হয়নি।’ (Applying Ibn Khaldun, ভূমিকা, পৃষ্ঠা : ১)
ঔপনিবেশিক শাসনের প্রভাবে মুসলিম দেশগুলোর স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেবাসও মূলত ইউরোসেন্ট্রিক। সামাজিক বিজ্ঞানে পশ্চিমকে ব্যাপকভাবে পাঠ করা হয় এবং পুবে পশ্চিমা তত্ত্ব প্রয়োগ করারও চেষ্টা করা হয়। কিন্তু এই প্রশ্ন খুব কমই তোলা হয়—পশ্চিমা সমাজ ও পুবের সমাজ-বাস্তবতার মৌলিক পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও কেন পশ্চিমা ফ্রেমওয়ার্ককে বিশ্বজনীন ধরা হবে? আর কেন পুবের চিন্তাবিদদের কেবল ‘ইতিহাস’ বা ‘উপাত্ত’ হিসেবে দেখা হবে?
ধর্ম ও ইউরোপের দ্বিধা
ইউরোপ মুসলিমদের জ্ঞান-বিজ্ঞান ব্যাপকভাবে গ্রহণ করেছে। অনেক ক্ষেত্রেই তা ছিল সরাসরি অনুকরণ। কিন্তু ইসলামকে তারা কখনো গ্রহণ করেনি। ফলে তারা ইবনে খালদুন চর্চা করেছে; কিন্তু ইসলামকে সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করেছে। ইবনে খালদুনকে মূল ভাষায় পাঠ করলে স্পষ্ট বোঝা যায়, তিনি একজন প্রকৃত মুসলিম ছিলেন। ‘তাত্ত্বিক’ হওয়ার আগে তিনি ছিলেন একজন আলেম ও ফকিহ। মুকাদ্দিমার কোনো তত্ত্বের সঙ্গে ইসলামি জ্ঞানতত্ত্বের বাহ্যিক বিরোধ দেখা দিলে তিনি বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে তা সমাধানের চেষ্টা করেছেন। উপরন্তু তিনি মালেকি মাজহাবের অনুসারী একজন কাজিও ছিলেন।
যে পশ্চিম একসময় তাকে সমাজবিজ্ঞানের জনক বলেছিল, কার্ল মার্ক্সের পূর্বসূরি বলেছিল—সেই পশ্চিমই কি এখন তাকে নিয়ে দ্বিধায় ভুগছে? এজন্যই কি পশ্চিমা ইতিহাস গবেষক রবার্ট আরউইন লেখেন, “চতুর্দশ শতকের একজন ‘কঠোর মুসলমান’ লেখকের প্রতি আধুনিক পশ্চিমা খ্রিষ্টান ও সেকুলার চিন্তকদের এই আগ্রহ খুবই কৌতূহলোদ্দীপক।” (পৃষ্ঠা : ২৩৫)
কথিত আধুনিকতার মানদণ্ডে ধর্ম ও বিজ্ঞানের সহাবস্থান অসম্ভব। একজন আলেম ও ধার্মিক ব্যক্তি কীভাবে সমাজবিজ্ঞানের জনক হতে পারেন—এই প্রশ্নই যেন তাদের অস্বস্তির কারণ। অথচ মুসলিম বিশ্বে জ্ঞানের বিকাশ ঘটেছিল মুসলিমদেরই পৃষ্ঠপোষকতায়। সুতরাং পশ্চিমে ধর্ম ও বিজ্ঞানের যে ‘প্রতিষ্ঠানগত দ্বন্দ্ব’ গড়ে উঠেছিল, মুসলিম বিশ্বে সেই একই পরিস্থিতি দেখা যায়নি।
কিন্তু ইউরোসেন্ট্রিক চিন্তাধারায় ইউরোপের অভিজ্ঞতাই বিশ্বজনীন। সে কারণেই একজন কঠোর মুসলিমের প্রতি সেকুলার চিন্তকদের আগ্রহকে রবার্ট আরউইনের কাছে কৌতূহলোদ্দীপক মনে হয়েছে। রবার্ট আরউইনের বইয়ের শুরু থেকেই ইবনে খালদুনকে অপ্রাসঙ্গিক প্রমাণের একটি প্রবণতা লক্ষ করা যায়। বইয়ের ‘সমাপ্তি’ অধ্যায়ে এসে তিনি বলেছেন, ‘ইবনে খালদুনের তাত্ত্বিক মডেল এবং সিদ্ধান্তগুলো আধুনিক সমাজে প্রয়োগ করা যায় না।’ (পৃষ্ঠা : ২৪৩)
তবে ইবনে খালদুনকে অপ্রাসঙ্গিক প্রমাণের জন্য তিনি কোনো শক্তিশালী পাণ্ডিত্যপূর্ণ সমর্থন উপস্থাপন করতে পারেননি। তাই বইয়ের শেষ দিকে তিনি মার্ক জাকারবার্গের ২০১৫ সালের একটি পোস্ট উদ্ধৃত করেন, যেখানে বলা হয়েছে, ‘প্রায় ৭০০ বছর আগের মুকাদ্দিমা এত দিনে ডিসপ্রুভেন (অপ্রমাণিত)।’
এরপর রবার্ট আরউইন যেন দ্বিধা ঝেড়ে ফেলেই বলেন, ‘সম্ভবত মুকাদ্দিমার চূড়ান্ত উদ্দেশ্য হচ্ছে মুসলমানদের কেয়ামতের জন্য প্রস্তুত করা।’ আরেকটু এগিয়ে তিনি বলেন, ‘অন্যান্য অনেক কিছুর বেলায় তার চিন্তাভাবনা পুরোপুরি গতানুগতিক মুসলমানের মতোই ছিল।’ (পৃষ্ঠা : ২৪৪)
তার মন্তব্যগুলো পড়ে ধারণা হয়, মুকাদ্দিমার ধর্মীয় দিকটিই তাকে অস্বস্তি দিচ্ছে। ধর্ম ও সমাজবিজ্ঞানকে তিনি একসঙ্গে নিতে পারছেন না। মুকাদ্দিমার সামাজিক ও তাত্ত্বিক সম্ভাবনা তার কাছে গৌণ। প্রশ্ন হলো, মুকাদ্দিমার আসল সমস্যা কোথায়—এর তত্ত্বে, নাকি এর রচয়িতা ইবনে খালদুনের মুসলমান হওয়ায়?
সাইয়্যেদ ফারিদ অ্যাটালাস Applying Ibn Khaldun বইয়ের ভূমিকার প্রথম বাক্যেই লিখেছেন, ‘Ibn Khaldūn is a scholar about whom so much has been written but whose perspective has also been greatly neglected.’ (ইবনে খালদুন এমন একজন স্কলার, যাকে নিয়ে প্রচুর লেখা হয়েছে। কিন্তু সেইসঙ্গে তার দৃষ্টিভঙ্গিও চরমভাবে উপেক্ষিত হয়েছে।)
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

