গত কয়েক দিন খুব বেশি বৃষ্টিপাত না হওয়ায় হাওরাঞ্চলের নদনদীর পানি কমে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি আগের তুলনায় আরো উন্নতি হয়েছে।
২৪ ঘণ্টায় দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের দুই নদীর পানি প্রাক-মৌসুমি বিপৎসীমার নিচে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে এই উন্নতি সাময়িক; চলতি সপ্তাহে ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে আবারও বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
এদিকে গতকাল সোমবার নেত্রকোণার ভুগাই-কংস নদ-নদী ও হবিগঞ্জের সুতাং নদের পানি কমে প্রাক-মৌসুমি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার তথ্য দিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী মঞ্জুর রহমান বলেছেন, গত ২৪ ঘণ্টায় তেমন কোনো বৃষ্টিপাত না হওয়ায় সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি আগের দিনের তুলনায় উন্নতির দিকে। এর আগে রোববার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাঁচটি নদীর পানি ৫ পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও সোমবার ভুগাই-কংস ও সুতাং নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার নিচে নেমে আসে।
উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাওর অববাহিকার প্রধান নদ-নদীর মধ্যে গতকাল সোমবার সুরমা-কুশিয়ারা, ধনু-বাউলাই ও ভুগাই-কংসের পানি কমেছে। ফলে নেত্রকোণা, সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জের হাওরসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে।
আগামী ১৫ মের পর উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, তখন এ অঞ্চলের নদীগুলোতে পানি আবারও বাড়তে পারে। তখন আমরা প্রাক-মৌসুমি হিসাব থেকে বেরিয়ে এসে মৌসুমি বিপৎসীমা বিবেচনা করব।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সবশেষ বুলেটিনে বলা হয়, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের তিনটি নদী তিনটি পয়েন্টে প্রাক-মৌসুমি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে সোমবার প্রবাহিত হচ্ছিল।
এ নদীগুলোর মধ্যে সুনামগঞ্জ জেলার নালজুর নদ জগন্নাথপুর পয়েন্টে, নেত্রকোণা জেলার সোমেশ্বরী নদী কলমাকান্দা পয়েন্টে এবং মগরা নদী নেত্রকোণা পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।
এমবি
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

