আমার দেশ জনপ্রিয় বাংলা নিউজ পেপার

শেখ হাসিনার ওপর নিষেধাজ্ঞা নিয়ে যা বলল যুক্তরাষ্ট্র

আতিকুর রহমান, চবি

শেখ হাসিনার ওপর নিষেধাজ্ঞা নিয়ে যা বলল যুক্তরাষ্ট্র

আগামী সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। নির্বাচনের সময় নির্ধারণের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রাখবে বলেও জানিয়েছে দেশটি।

বিজ্ঞাপন

গতকাল মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রিন্সিপাল ডেপুটি স্পোকসপারসন বেদান্ত প্যাটেল এসব কথা বলেন।

ব্রিফিংয়ে গুমসহ নানা অপরাধে জড়িত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রশ্নও উঠেছে। হাসিনার বিরুদ্ধে গুমের সম্পৃক্ততা তদন্তে সমর্থন জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ইস্যুতেও নিজেদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ওয়াশিংটন।

ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনের সময় ঘোষণা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান জানতে চান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকার ঘোষণা করেছে— তারা সম্ভবত ২০২৫ সালের শেষের দিকে বা ২০২৬ সালের শুরুতে নির্বাচন আয়োজন করবে। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান কী?

জবাবে বেদান্ত প্যাটেল বলেন, নির্বাচনের বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের পদক্ষেপগুলোকে আমরা স্বাগত জানাই। এটি শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশি জনগণকে নিজস্ব নেতৃত্ব নির্বাচনের সুযোগ দেবে।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন আয়োজনের সময় নির্ধারণ বিষয়ে আমাদের পর্যবেক্ষণ অব্যাহত থাকবে। এই পুরো প্রক্রিয়াজুড়ে আইনের শাসন, গণতান্ত্রিক মূলনীতি বাস্তবায়নে আমরা উৎসাহিত করছি। যেমনটি আমরা সারা বিশ্বে চাই— শান্তিপূর্ণ উপায়ে অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের পক্ষেই আমাদের অবস্থান।

আরেক প্রশ্নে ওই সাংবাদিক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গুম সংশ্লিষ্টতা ও তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ নিয়ে প্রশ্ন করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে তদন্ত কমিশনের রিপোর্ট উদ্ধৃত করে গুম নিয়ে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে নিউ ইয়র্ক টাইমস। তদন্ত কমিশন গুমের ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়েছে। বাংলাদেশে গুমের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র এর আগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এ বিষয় নিয়ে আপনার মন্তব্য কী?

জবাবে বেদান্ত প্যাটেল বলেন, গত দুই দশকে শত শত বাংলাদেশিকে গুম করা হয়েছে এমন প্রতিবেদনে আমরা উদ্বিগ্ন। গুম একটি গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন, যা ভুক্তভোগীদের অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য ট্রমা বা মানসিক যন্ত্রণা দেয়। এটি তাদের পরিবারের ওপর অনিশ্চয়তার ট্রমা সৃষ্টি করে। আমরা অন্তর্বর্তী সরকারের এসব অপরাধ তদন্তের প্রচেষ্টাকে স্বাগত জানাই। ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য ন্যায্য ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়াকে উৎসাহিত করছি আমরা।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন