রাজধানীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড

রাজধানীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড
ফাইল ছবি

দেশজুড়ে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমে যাওয়ায় বাড়ছে তাপমাত্রা। মঙ্গলবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ঢাকায় ৩৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ ছাড়া ফরিদপুর, মৌলভীবাজার, চাঁদপুর, ফেনী ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে গেছে। তবে বুধবার থেকে উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃহস্পতিবার কিংবা রাজধানী ঢাকায়ও হালকা বৃষ্টি হতে পারে।

মঙ্গলবার রাজধানীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হলেও আগের মতো তীব্র ভ্যাপসা গরমের অস্বস্তি অনুভূত হয়নি। এর কারণ হিসেবে আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক বলেন, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বিদায়ের ফলে এখন আর আগের মতো বাতাসে আর্দ্রতার উপস্থিতি নেই। তাই তাপমাত্রা বাড়লেও তীব্র ভ্যাপসা গরমের অস্বস্তি অনুভূত হচ্ছে না।

বিজ্ঞাপন

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত দেশের মধ্যে বান্দরবানে মাত্র ১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর আগের দিন সোমবার দেশের কোথাও বৃষ্টি হয়নি। গত সোমবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে ৩৬ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাজধানী ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৩৪ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ফলে কয়েক দিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রবণতা স্পষ্ট হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবির আমার দেশকে বলেন, উত্তর ও দক্ষিণ দিকের বায়ুর সংমিশ্রণের প্রভাবে বুধবার থেকে দুই-তিন দিন দেশের উপকূলীয় এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি এবং কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় রাজধানী ঢাকায়ও হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে দেশের অন্যান্য অঞ্চলে আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক বলেন, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বিদায়ের মধ্য দিয়ে বর্ষা মৌসুমের অবসান হলেও বৃষ্টি পুরোপুরি বন্ধ হবে না। বিচ্ছিন্নভাবে দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হতে পারে। দেশের মোট বৃষ্টিপাতের প্রায় ৭২ শতাংশ বর্ষাকালে হয়। এ ছাড়া মার্চ-এপ্রিলে ৮ শতাংশ, শীতকালে ২ শতাংশ এবং বছরের অন্যান্য সময়ে বাকি ১৮ শতাংশ বৃষ্টিপাত হয়ে থাকে।

এদিকে মৌসুমি বায়ু বিদায়ের পর দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। তবে এটি দুর্বল অবস্থায় বাংলাদেশের উপকূল থেকে দূরে থাকলে দেশের আবহাওয়ায় বড় ধরনের প্রভাব নাও পড়তে পারে। অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ ও ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির স্বাভাবিক প্রবণতা থাকায় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন