আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অবৈধভাবে চাকরিচ্যুত পুলিশ সদস্যদের পুনর্বহালের দাবিতে তারা আবারও আন্দোলনে নেমেছেন। চাকরি ফিরিয়ে না দেয়া পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিত করা হবে না বলে জানিয়েছে তারা।
বৃহস্পতিবার আন্দোলনকারীরা জানান, বিগত সরকারের আমলে পুলিশের অনেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়। তারা তো এখন ঠিকই চাকরি ফিরে পেয়েছেন এবং চাকরি করছেন। বর্তমান আইজিপি ও ডিএমপি কমিশনার বাধ্যতামূলক অবসরে ছিলেন। কিন্তু পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে আইজিপি ও ডিএমপি কমিশনার চাকরি করছেন। তাহলে আমরা কেন চাকরি করতে পারব না?
দুপুরে চাকরিচ্যুত পুলিশ সদস্যরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা থেকে সচিবালয়ের দিকে পদযাত্রা শুরু করে। শিক্ষা ভবনের সামনে পৌঁছলে পুলিশ পদযাত্রা আটকে দেয়। পরে তাদের ৫ জন দাবি-দাওয়া নিয়ে উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বলার জন্য সচিবালয়ের ভেতরে প্রবেশ করেন। সচিবালয়ে প্রবেশের আগে এ পাঁচজন সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।
আন্দোলনে অংশ নেয়া কয়েকজন জানান, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ ও পুলিশের আলোচিত বিভিন্ন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার রোশনালে পরে অন্যায়ভাবে আমাদের চাকরি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এখনতো তারা নেই তাহলে আমাদের কেন চাকরি ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে না। আমরা তো কোন অন্যায় করিনি।
তারা বলেন, আমরা গত ছয়মাস ধরে আন্দোলন করে যাচ্ছি। আমরা যখন শুরুতে আন্দোলন করেছিলাম তখন আমরা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে দেখা করেছি এবং আমাদের দাবি-দাওয়া তুলে ধরি। পরে আমরা সাবেক স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) এম সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে দেখা করি। তিনি আমাদের কাগজপত্র দেখেন বলেন আমাদের দাবি যৌক্তিক এবং বলেন আমাদের চাকরি ফিরিয়ে দেওয়া হবে। তিনি তখন বলেছেন আন্দোলনরতদের মধ্যে প্রায় ৯৮ শতাংশের চাকরি ফিরিয়ে দেবেন। উনার সে আশ্বাসে আমরা আন্দোলন স্থগিত করি। কিন্তু একে একে দিন পার হতে থাকে কিন্তু আমাদের চাকরি ফিরিয়ে দেওয়া হয়নি।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

