একুশে পদক পাওয়ায় ড. মাহমুদুর রহমানকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে আমার দেশে কর্মরত তার সহকর্মীরা। বৃহস্পতিবার পত্রিকাটির কার্যালয়ে সম্পাদকের হাতে ফুলের তোরা তুলে দেন পত্রিকাটির নির্বাহী সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমেদ ও ব্যবস্থাপনা সম্পাদক জাহেদ চৌধুরী।

ফুলেল শুভেচ্ছা গ্রহণ করে মাহমুদুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের তরুণ ছাত্র-জনতা ফ্যাসিবাদ ও ভারতীয় হেজিমনির মিলিত শক্তির বিরুদ্ধে অবিস্মরণীয় লড়াই করে জনগণের মুক্তি ও রাষ্ট্রের স্বাধীনতা ফিরিয়ে এনেছে। এই রাষ্ট্রীয় সম্মান আমার দেশকে আরো দায়িত্ব পালনে উদ্বুদ্ধ করবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন আমার দেশ-এর বার্তা সম্পাদক ইলিয়াস হোসাইন, চিপ রিপোর্টার বাছির জামিল, মফস্বল ইনচার্জ আবু দারদা যোবায়ের, অনলাইন ইনচার্জ জামিল মাহমুদ, শিফট ইনচার্জ এফ আই মাসউদ ও ওয়ালিউল্লাহ সিরাজ, সহ-সম্পাদক হামিদুর রহমান, মহসীন উদ্দিন খলিফা, ওমর ফারুক, আল আমিন শিবলী, রাশেদ মামুন, আল-আমিন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন মফস্বল ডেস্কের সহ-সম্পাদক মোস্তাফিজ বুলবুল ও ফাতিমা তামান্না।

এর আগে বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস আমার দেশ সম্পাদক ড. মাহমুদুর রহমানকে একুশে পদক প্রদান করেন।

সাংবাদিকতা ও মানবাধিকারে অনবদ্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে এ পদক দেওয়া হয়। ড. মাহমুদুর রহমান এ বছর একুশে পদকপ্রাপ্তরা হলেন— চলচ্চিত্রে আজিজুর রহমান (মরণোত্তর), সংগীতে ওস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া (মরণোত্তর) ও ফেরদৌস আরা, গবেষণায় মঈদুল হাসান, শিক্ষায় ড. নিয়াজ জামান, আলোকচিত্রে নাসির আলী মামুন ও চিত্রকলায় রোকেয়া সুলতানা, সাংবাদিকতায় মাহফুজ উল্লাহ (মরণোত্তর), বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে মেহদী হাসান খান (দলনেতা), রিফাত নবী (দলগত), মো. তানবিন ইসলাম সিয়াম (দলগত) ও শাবাব মুস্তাফা (দলগত)।

এছাড়া, সমাজসেবায় পদক পাচ্ছেন মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরী (মরণোত্তর), সাংবাদিকতা ও মানবাধিকারে মাহমুদুর রহমান, ভাষা ও সাহিত্যে হেলাল হাফিজ (মরণোত্তর) ও শহীদুল জহির (মো. শহিদুল হক) (মরণোত্তর), সংস্কৃতি ও শিক্ষায় ড. শহিদুল আলম এবং ক্রীড়ায় বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

