পঞ্চবটি থেকে মুক্তারপুর সেতু পর্যন্ত সড়ক প্রশস্তকরণ ও দোতলা সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের স্থান সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
বৃহস্পতিবার পরিদর্শনের সময় মন্ত্রী প্রকল্পের বিভিন্ন অংশের কাজ পর্যবেক্ষণ করেন এবং অবকাঠামোর গুণগত মান, স্থায়িত্ব ও নান্দনিকতা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ জোর দেন।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রী প্রকল্পের সুরক্ষা দেয়াল ও শাটারিংয়ের কাজের মান যথাযথভাবে বজায় রাখার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে পার্শ্ববর্তী দেয়ালের ফিনিশিং কাজ আরও দৃষ্টিনন্দন করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পরামর্শ দেন।
প্রকৌশলগত দক্ষতার পাশাপাশি স্থাপত্যশৈলীর সমন্বয় নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘নির্মাণশৈলী একটি দেশের কারিগরি দক্ষতার পরিচয় বহন করে। তাই কেবল প্রকল্প শেষ করাই যথেষ্ট নয়; অবকাঠামোর স্থায়িত্ব, সৌন্দর্য ও সামগ্রিক মানের দিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।’ নির্ধারিত মান অনুসরণ করে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ শেষ করতে তিনি প্রকৌশলী ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের নির্দেশ দেন।
পরিদর্শনকালে সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ মন্ত্রীকে প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করেন।
প্রকল্পের তথ্যমতে, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রকল্পটির ভৌত অগ্রগতি হয়েছে ৯৮.৫০ শতাংশ এবং আর্থিক অগ্রগতি ৮২.৮৬ শতাংশ। পঞ্চবটি থেকে মুক্তারপুর সেতু পর্যন্ত বিদ্যমান সড়ক প্রশস্তকরণের পাশাপাশি এই দোতলা সড়ক নির্মিত হচ্ছে।
প্রকল্পটি চালু হলে নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জসহ পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা অনেক সহজ ও দ্রুত হবে। একই সঙ্গে এই অঞ্চলের দীর্ঘদিনের যানজট নিরসন এবং স্থানীয় শিল্পাঞ্চলের পণ্য পরিবহনে বিশেষ গতিশীলতা আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
পরিদর্শনকালে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা, দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলী এবং সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


