প্রবীণ সাংবাদিক ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপক সিরাজুল হক আর নেই। গত ১৯ জুন নিউইয়র্কের কুইন্স হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন । মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর।
আগামীকাল, রবিবার বাদ আসর মরহুমের জানাজা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে আজিমপুর কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে।
জাতীয় প্রেস ক্লাব থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সিরাজুল হক ১৯৪৭ সালে বরিশাল জেলার আবদা বিশর গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। ১৯৭০ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃতিত্বের সাথে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতক (সম্মান) সহ এম এ ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৬৫ সালের সাপ্তাহিক ইয়াং পাকিস্তান পত্রিকার মাধ্যমে সাংবাদিকতা শুরু করেন। দৈনিক আজাদ ও দৈনিক জনপদসহ বিভিন্ন পত্রিকার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে। পরবর্তীতে দৈনিক জনপদের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হন।
জাতীয় প্রেস ক্লাব সভাপতি হাসান হাফিজ ও সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভুঁইয়া সিরাজুল হক-এর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এক বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকাহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
সাংবাদিকতার পাশাপাশি সিরাজুল হক ছিলেন একজন নিবেদিত সাহিত্যিক ও কবি। শিশুতোষ সাহিত্য, গল্প, উপন্যাস, কবিতা, প্রবন্ধ ও গবেষণাধর্মী বহু বইয়ের রচয়িতা ও সম্পাদক তিনি। এ ছাড়া বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় তাঁর অনুবাদগ্রন্থও রয়েছে। ইরানে তেহরান টাইমস ও রেডিও তেহরানের বাংলা বিভাগে কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। শেষ জীবনে তিনি নিউইয়র্কে দীর্ঘদিন তাঁর জামাতা কবি ও কলামিস্ট এবিএম সালেহ উদ্দীন ও বড় মেয়ে সাঈদা আখতার রেজভীনের সঙ্গে বসবাস করছিলেন।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

