আর্থিক কেলেঙ্কারিসহ নানা অভিযোগে যুক্তরাজ্যের ট্রেজারি মিনিস্টারের পদ থেকে টিউলিপ সিদ্দিকের পদত্যাগ অবধারিত ছিল বলে মন্তব্য করেছেন বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন।
শনিবার রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিনার কক্ষে ‘প্রবাসী আয় বৃদ্ধিতে করণীয়’ শীর্ষক সেমিনার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিজয়ী দলের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
ফাহমিদা খাতুন বলেন, ‘টিউলিপ আরেকটি দেশের রাজনৈতিক দলের সদস্য। তিনি বাংলাদেশের নাগরিক না, এমনকি কমন সিটিজেনও না। তিনি কীভাবে প্রধানমন্ত্রী খালার সাথে রাশিয়া গিয়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
‘পারিপার্শ্বিক তথ্যের ভিত্তিতে টিউলিপের পদত্যাগ অবধারিত ছিল। আর্থিক কেলেঙ্কারিসহ তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছিল। তিনি পদত্যাগ করতে দেরি করে ফেলেছেন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে এমপি পদ থেকেও সরে দাঁড়াতে হবে। এমনকি লেবার পার্টির সদস্য পদও হারাতে পারেন।’
এ সময়ে প্রবাসীদের সেবায় বিদেশি হাইকমিশন ও ব্যাংকগুলোকে আরও আন্তরিক হতে আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বিদেশি হাইকমিশন ও ব্যাংকগুলোকে প্রবাসীদের সেবায় আরও বেশি আন্তরিক হতে হবে। এয়ারপোর্টের প্রবাসী লাউঞ্জে যে বার্গার দেওয়া হচ্ছে, তা তারা খেতে অভ্যস্ত কি না, সেটা বুঝতে হবে। প্রবাসীরা সোনার হরিণ। তাদের সঠিকভাবে লালন-পালন করা প্রয়োজন। তাদের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করতে হবে। আমাদের প্রেরিত কর্মীদের মধ্যে বেশিরভাগই অদক্ষ। তাই বেশি করে দক্ষকর্মী বিদেশে পাঠাতে হবে।’
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

