নেতৃত্ব কারো কাছে চিরজীবন বন্দী থাকে না: আইনমন্ত্রী

নেতৃত্ব কারো কাছে চিরজীবন বন্দী থাকে না: আইনমন্ত্রী
ছবি: আমার দেশ

নেতৃত্ব কারো কাছে চিরজীবন বন্দী থাকে না বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

বিজ্ঞাপন

রোববার দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে বীর মুক্তিযোদ্ধা মশিউর রহমানের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মশিউর রহমান ফাউন্ডেশন আয়োজিত স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘নেতৃত্ব কারো কাছে চিরজীবন বন্দী থাকে না, নেতৃত্ব গতিশীল। আপনি যদি পজিটিভ রাজনীতি করে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারেন, তাহলে কোনো প্রতিবন্ধকতাই আপনার পথে ব্যারিকেড হয়ে দাঁড়াবে না।’

মো. আসাদুজ্জামান বলেন, রাজনীতি একটা গতিশীল জায়গা। রাজনীতিতে ভুল করলে সে ভুলের মাসুল অনুসারীদের দিতে হয়। এটাই হলো বাস্তবতা। আপনারা যারা আগামী দিনে রাজনীতি করতে চাচ্ছেন, নেতৃত্ব দেওয়ার স্বপ্ন দেখছেন, তারা নিজেদের সেভাবে প্রস্তুত করুন। এমপি সবাই হয় না, কিন্তু রাজনৈতিক নেতৃত্বের গুণাবলি অন্য রকম। রাজনীতিতে আজকে কেউ আপনার পারমানেন্ট বন্ধু হতে পারে, আবার কাল সে পারমানেন্ট শত্রু হয়ে যেতে পারে।

মরহুম মশিউর রহমানকে স্মরণ করে তিনি বলেন, তিনি ছিলেন খাঁটি ও আপাদমস্তক রাজনীতিবিদ ছিলেন। রাজনীতি তার রক্তে মিশেছিল। মশিউর রহমানের রাজনৈতিক চিন্তা, দর্শন, নেতৃত্ব ও উন্নয়নের কর্মযজ্ঞকে ধারণ করে ঝিনাইদহে বিএনপিকে আরো বেশি শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। যদি আমরা ঐক্যবদ্ধ হতে ব্যর্থ হই, তাহলে সেই ব্যর্থতার প্রভাব এসে পড়বে জাতীয়ভাবে দলের ওপর, যেটা পড়েছে গত নির্বাচনে।

তিনি আরো বলেন, আমরা ঝিনাইদহের মশিউর রহমানের শূন্যতা অনুভব করি তখন, যখন দেখি পার্লামেন্টে জামায়াতের এমপিরা ঝিনাইদহের প্রতিনিধিত্ব করতে এসে মৃয়মাণ থাকেন। আমরা মশিউর রহমানের শূন্যতা অনুভব করি উন্নয়নের ক্ষেত্রে, শূন্যতা অনুভব করি মৌলবাদ মোকাবিলায় এবং মাদকবিরোধী সংগ্রামে।

মুক্তিযোদ্ধা মশিউর রহমান ফাউন্ডেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট আবদুল আলিমের সভাপতিত্বে স্মরণসভায় আরো বক্তব্য রাখেন— বিএনপির তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সহ-সম্পাদক আমিরুজ্জামান খান শিমুল, বিএনপির সাবেক সহ-সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মনির খান, যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ প্রমুখ।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন