নেত্রকোনা-২ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল হক বলেছেন, একজন আলেম যখনই মনে করেন তখনই একটি মাদরাসা খুলে বসেন। কওমি মহিলা মাদরাসাগুলোতে যৌন হয়রানির ঘটনা নিত্যনৈমিত্তিক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে তিনি এ কথা বলেন।
আনোয়ারুল হক বলেন, ‘বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় কওমি মাদরাসাগুলোর অবদান এবং ভূমিকা দীর্ঘদিনের। বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় অনেক ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। যাদের শিক্ষার মান নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই। এই সব প্রতিষ্ঠান থেকে অতীতে এবং এখনো আলেম-ওলামা ও ইসলামী চিন্তাবিদ বের হচ্ছেন। কিন্তু বর্তমানে লক্ষ্য করা যাচ্ছে, প্রতিটি গ্রামেই অনেকেই ব্যক্তি-উদ্যোগে মাদরাসা স্থাপন করে যাচ্ছেন।’
তিনি আরো বলেন, ‘একজন আলেম যখনই মনে করেন, তখনই একটি মাদরাসা খুলে বসেন। এমনকি একই ভবনে একাধিক প্রতিষ্ঠানও রয়েছে। এগুলো নিয়ন্ত্রণ করার জন্য কোনো কার্যকর ব্যবস্থা বা কোনো সংস্থা আছে কিনা, তা আমার জানা নেই। বিশেষ করে, কওমি মহিলা মাদরাসাগুলোর অবস্থা আরো খারাপ। এগুলোতে আনোয়ারুল হক বলেন, সুতরাং এই মুহূর্তে কওমি মাদরাসা স্থাপন ও পরিচালনার জন্য সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রয়োজন।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


