আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা তথা গত বছরের ১২ ডিসেম্বর থেকে ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত (৫১ দিন) ২৭৪টি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং। সোমবার ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সহিংস ঘটনা-২০২৬’ শিরোনামে সরবরাহ করা একটি পরিসংখ্যান থেকে এ তথ্য জানা যায়।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রার্থীর ওপর আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে ১৫টি, প্রতিদ্বন্দ্বী সমর্থকদের সংঘর্ষের ঘটনা ৮৯টি এবং হত্যাকাণ্ড ঘটেছে ৫টি।
তথ্য অনুযায়ী, ভীতি দেখানো বা আক্রমণাত্মক আচরণের ঘটনা ১৬টি; অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার ৩টি; হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন ৯টি; প্রচার কার্যে বাধা প্রদান ২৯টি; নির্বাচন সংশ্লিষ্ট অফিস/ প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙ্গচুর ও অগ্নিসংযোগ ২০টি; অবরোধ/বিক্ষোভ ইত্যাদি ১৭টি; সংখ্যালঘুদের উপর আক্রমণ ১টি এবং অন্যান্য ৭০টি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং পতিত হাসিনা আমলের বিগত তিনটি জাতীয় নির্বাচনের সহিংসতার চিত্রও তুলে ধরেছে। সরবরাহ করা পরিসংখ্যানের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে (২২-১২-১৩ থেকে ৪-০১-১৪) সহিংসতার ঘটনা ঘটেছিল ৫৩০টি, নিহত ১১৫, আহত ৩১৫ জন; ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে (১০-১২-১৮ থেকে ২-১-১৯) সহিংসতার ঘটনা ৪১৪টি, নিহত ২২, আহত ৭৮০ জন, যানবাহন/স্থাপনা ভাংচুর ২৩৪, অগ্নিসংযোগ ১৫৫, ককটেল/পেট্রোল বোমা বিস্ফোরণ ও গুলি নিক্ষেপ ১৪৩; ২০২৪ সালে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে (২১-১২-২৩ থেকে ১০-১-২৪) সহিংসতা ঘটে ৫৩৪টি, নিহত ৬, আহত ৪৬০ জন, যানবাহন/স্থাপনা ভাংচুর ১০২, অগ্নিসংযোগ ১১৮, ককটেল/পেট্রোল বোমা বিস্ফোরণ ও গুলি নিক্ষেপ ৩০।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

