টাইব্রেকারের জন্য ছিল বিশেষ প্রস্তুতি

পানির বোতলে মেসিদের ‘পেনাল্টি নোট’ লিখে এনেছিলেন পিকফোর্ড

পানির বোতলে মেসিদের ‘পেনাল্টি নোট’ লিখে এনেছিলেন পিকফোর্ড
পিকফোর্ডের বোতলের লেখা পড়ছেন মেসি | ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে টাইব্রেকারে গড়ানোর আগেই ইংল্যান্ডের স্বপ্ন ভেঙে দেন এনজো ফার্নান্দেজ ও লাউতারো মার্তিনেজ। তবে ম্যাচ শেষে সামনে এসেছে এক চমকপ্রদ তথ্য। সম্ভাব্য টাইব্রেকারের জন্য আগেভাগেই বিশেষ প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নেমেছিলেন ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড।

বিজ্ঞাপন

ম্যাচ শেষে আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের হাতে ধরা পড়ে পিকফোর্ডের পানির বোতল। বোতলের গায়ে লাগানো ছিল একটি বিস্তারিত তালিকা, যেখানে সম্ভাব্য আর্জেন্টাইন পেনাল্টি শুটারদের নামের পাশাপাশি কে কোন দিকে শট নিতে পারেন, সে সম্পর্কেও ছিল বিশ্লেষণ। ঘটনাটি ক্যামেরায় ধরা পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

ভিডিওতে দেখা যায়, লিওনেল মেসি, এনজো ফার্নান্দেজ, নিকো গনসালেসসহ কয়েকজন আর্জেন্টাইন ফুটবলার বোতলটি ঘিরে কৌতূহল নিয়ে নোটগুলো দেখছেন। তালিকাটি পড়ে অনেকেই হাসিতে ফেটে পড়েন। বিশেষ করে এনজো ফার্নান্দেজ নিজের নামের পাশে লেখা নির্দেশনা দেখে মুচকি হাসেন।

আর্জেন্টিনার ফিটনেস কোচ লুইস মার্তিন পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই নোটের ছবি প্রকাশ করেন। মজার ছলে তিনি লেখেন, ‘দুঃখের বিষয়, আমাদের পরিকল্পনা কিন্তু অন্য রকম ছিল।’ অর্থাৎ, টাইব্রেকারের অপেক্ষায় না থেকে নির্ধারিত ৯০ মিনিটের মধ্যেই ম্যাচ শেষ করে দেওয়ার লক্ষ্যই ছিল তাদের।

পিকফোর্ডের এমন প্রস্তুতি অবশ্য নতুন কিছু নয়। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে প্রতিপক্ষের সম্ভাব্য পেনাল্টি শুটারদের নিয়ে আগে থেকেই নোট তৈরি করার অভ্যাস তার বহুদিনের। ক্লাব ও আন্তর্জাতিক ফুটবলে এর আগেও তার পানির বোতলে এমন কৌশলগত নির্দেশনা দেখা গেছে, যা পেনাল্টি ঠেকাতে তাকে সহায়তা করেছে।

তবে আটলান্টায় সেই প্রস্তুতি কাজে লাগানোর সুযোগই পাননি ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক। কারণ ম্যাচ অতিরিক্ত সময় বা টাইব্রেকারে যায়নি। ৫৫ মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে এগিয়ে ছিল ইংল্যান্ড। কিন্তু শেষ দিকে এনজো ফার্নান্দেজের সমতাসূচক গোল এবং যোগ করা সময়ে লাউতারো মার্তিনেজের জয়সূচক হেডে ২-১ ব্যবধানে জিতে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠে যায় আর্জেন্টিনা।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন