ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনী রোগ, সিওপিডি, অ্যাজমা, ক্যান্সারের মতন জটিল রোগ আছে তাদের বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে হবে। লক্ষণ অনুযায়ী চিকিৎসা দিলে এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে তরল ও পুষ্টিকর খাবার খেলে রোগটি ভালো হয়ে যায়। একাধিক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি ছাড়া এই রোগ সনাক্তকণের জন্য পরীক্ষা করার প্রয়োজন নেই। আতঙ্কিত নয়, সতর্ক হোন। বিশেষ সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেছেন।
বিএসএমএমইউতে বিশ্বব্যাপী নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টিকারী ভাইরাস এইচএমপিভি নিয়ে বিশেষ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। “ইমার্জিং ট্রেন্ডস হিউম্যান মেটানিউমোভাইরাস: এ নিউ থ্রেট টু বাংলাদেশ? (Emerging Trends of Human Metapneumovirus-Hmpv: A New Threat to Bangladesh?)” শীর্ষক বিশেষ সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম।
“মানব মেটানিউমোভাইরাস (এইচএমপিভি)-এর উদীয়মান প্রবণতা: বাংলাদেশের জন্য একটি নতুন হুমকি?” শীর্ষক সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন সম্মানিত উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার। প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ এর সভাপতিত্বে ও সহকারী অধ্যাপক ডা. খালেদ মাহবুব মোর্শেদ মামুন এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ও বক্তা ছিলেন ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. সোহেল মাহমুদ আরাফাত ও ভাইরোলজি বিভাগের অধ্যাপক ও সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের পরিচালক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন অধ্যাপক ডা. সাইফ উল্লাহ মুন্সী।
ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগ আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম বলেন, এইচএমপিভি একটি পুরাতন ভাইরাস। এই ভাইরাসের বিষয়ে আতঙ্কিত না হয়ে সর্তক থাকতে হবে। হাত ধোয়া ও মাস্কের ব্যবহারসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। হিউম্যান মেটানিউমোভাইরাস সনাক্তকরণের পরীক্ষা ও এই ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসার জন্য বিএসএমএমইউর সব রকমের প্রস্তুতি রয়েছে।
উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার বলেন, এইচএমপিভি নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কারণ না থাকলেও সর্তকতা থাকার প্রয়োজন রয়েছে। বিশেষ করে যেসকল রোগীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম তাদেরকে বিশেষভাবে সর্তক থাকতে হবে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

