টানা দুই দিনের ভ্যাপসা গরমের পর লঘুচাপের প্রভাবে দেশের আবহাওয়ায় কিছুটা পরিবর্তন এসেছে। আকাশে মেঘের আনাগোনা এবং বাতাসে আর্দ্রতা বাড়ায় বুধবার রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় আগের তুলনায় গরমের অনুভূতি কিছুটা কম ছিল। চট্টগ্রাম বিভাগের বেশিরভাগ এলাকায় বৃষ্টিও হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার দেশের সর্বোচ্চ ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে নীলফামারীর সৈয়দপুরে। রাজধানী ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগের দিন মঙ্গলবার সিলেটে দেশের সর্বোচ্চ ৩৬ দশমিক ৪ এবং ঢাকায় ৩৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। সোমবার সিলেটে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৭ দশমিক ৬ এবং ঢাকায় ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। এর মধ্যে রাঙ্গামাটিতে ১৩১, বান্দরবানে ৭৭, সীতাকুণ্ডে ৭৪, চট্টগ্রাম শহরে ৩৭ এবং কক্সবাজারে ৪০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
এদিকে লঘুচাপের প্রভাব দুর্বল হয়ে যাওয়ায় চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে সংকেত নামিয়ে ফেলতে বলা হয়েছে। নৌবন্দরগুলোর জন্যও কোনো সতর্কবার্তা নেই।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে। চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, ময়মনসিংহ ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
আবহাওয়াবিদ আফরোজা সুলতানা বলেন, লঘুচাপের প্রভাব কেটে গেলেও চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগ ছাড়া দেশের অন্যান্য এলাকায় বৃষ্টিপাত তুলনামূলক কম থাকতে পারে। অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে মৌসুমি বায়ু বিদায় নিতে পারে। এরপর ধীরে ধীরে দেশে হালকা শীতের অনুভূতি শুরু হতে পারে। এর আগ পর্যন্ত সারা দেশে কমবেশি গরমের অনুভুতি অব্যাহত থাকতে পারে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


