আমার দেশ জনপ্রিয় বাংলা নিউজ পেপার

অদৃশ্য সেই তরবারি

মনজুর আহমদ

অদৃশ্য সেই তরবারি

বন্ধুটি বলেছিলেন, লেখা পেলে তো খুশিই হব, কিন্তু ছাপতে ভয় লাগে। কোন লেখায় আপত্তি উঠবে, আর আমাদের মাথার ওপর ঝুলন্ত অদৃশ্য তরবারিটা কখন ঘাড়ে এসে পড়বে, তা আমরা জানি না।

‘আমার দেশ’ বন্ধ হওয়ার পর ঢাকার কোনো পত্রিকায় আমি আর লিখতে পারিনি। কত বছর হলো? সেই ২০১৩ থেকে এই পুরো ১২ বছর। ‘আমার দেশ’ আমাকে নিউইয়র্কে তাদের প্রতিনিধি নিয়োগ করেছিল। আমি সেখানে নিয়মিত খবর পাঠানো ছাড়াও কলাম লিখতাম, আর লিখতাম নিউইয়র্কের জনজীবনের ওপর ধারাবাহিক ফিচার ‘নিউইয়র্কের নানা কথা’। পত্রিকা বন্ধ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্বাভাবিকভাবেই আমার এসব লেখাও বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

বিজ্ঞাপন

এরপর অন্য পত্রিকায় লিখতে চেয়েছিলাম। প্রবাসজীবন যত দীর্ঘ হচ্ছিল ততই আমি হারিয়ে ফেলছিলাম ঢাকার সঙ্গে আমার যোগাযোগের সূত্র। সাংবাদিকতায় নতুন নতুন মুখের আগমন ঘটছিল, যাদের সঙ্গে আমার পরিচয়ের সুযোগ ছিল না। খবর পাচ্ছিলাম বিভিন্ন পত্রিকায় আমার কিছু সাবেক সহকর্মীর উচ্চপদে অবস্থানের। এমনই একজন, একদা আমার এক জুনিয়র সহকর্মী, একটি দৈনিক পত্রিকায় দায়িত্ব পালন করছিলেন সম্পাদকের পরেই, তার সঙ্গে যোগাযোগ করলাম। বন্ধুটি আমার লেখা পেয়ে তার খুশি হওয়ার কথা জানিয়ে শুনিয়েছিলেন, তাদের মাথার ওপর ঝুলন্ত এক অদৃশ্য তরবারির কথা।

সংবাদপত্র জগতের মাথার ওপর ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল নিবর্তনমূলক নানা কালাকানুন। যেকোনো বিচ্যুতি কিংবা ব্যত্যয় ঘটে গেলেই নেমে এসেছে এসব কালাকানুনের খড়্‌গ। এগুলোর ভয়েই সবার কলম হয়ে গিয়েছিল সংযত। সবাই সতর্ক হয়ে গিয়েছিলেন তাদের লেখা, তাদের বক্তব্য প্রকাশ নিয়ে। শাসক মহলের বিরোধিতা তো দূরের কথা, তাদের সামান্য সমালোচনা করা থেকেও সবাইকে বিরত থাকতে বাধ্য করা হয়েছে। পত্রিকাগুলোও দেখেশুনে ভালোমতো যাচাই করে লেখা ছেপেছে। যখনই যেমন প্রয়োজন হয়েছে, তখনই সরকার প্রচারমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে তাদের সুবিধামতো তেমন একটি আইন পাস করিয়ে নিয়েছে। আইন পাস করাতেও কোনো অসুবিধা ছিল না। নিজেদের দলীয় সদস্যদের নিয়ে গঠিত সংসদে সবাই সমস্বরে যেকোনো বিল পাস করিয়ে দিয়েছেন। অনেকেই পুরো বিল কখনো পড়েও দেখেননি সেখানে কী লেখা আছে। দেখার প্রয়োজনও নিশ্চয় তারা কখনো বোধ করেননি। কারণ বিলে যাই থাক, গলায় গলা মিলিয়ে তাদের তা পাস করতেই হবে। সংসদ সদস্য, অথচ তারা বেশি ব্যস্ত থাকতেন সংসদের বাইরে, দৌড়াদৌড়ি করতেন সুবিধা হাতিয়ে নিতে, নিজেদের আখের গোছাতে। তাদের সমর্থনেই পাস হয়ে গেছে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, টেলিযোগাযোগ আইন, সাইবার নিরাপত্তা আইন এবং একের পর এক কঠোর থেকে কঠোরতর সব কালাকানুন।

এসব অদৃশ্য তরবারি মাথার ওপরে রেখেই পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে হয়েছে বাংলাদেশের সাংবাদিকদের। যারা এর ব্যত্যয় ঘটিয়েছেন, তাদের ওপর নেমে এসেছে এসব কালাকানুনের খড়্‌গ। তাদের শিকার হতে হয়েছে নির্মম নিপীড়নের। ‘আমার দেশ’ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান এর একটি বড় উদাহরণ। এমন উদাহরণ বিগত স্বৈর শাসনে আরো অনেক তৈরি হয়েছে।

একের পর এক কালাকানুন চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রচারমাধ্যমের কণ্ঠ রোধ করা হয়েছে, মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে ভূলুণ্ঠিত করা হয়েছে; অথচ এসবের বিরুদ্ধে কোনো আন্দোলন গড়ে তোলা যায়নি, যেমন আন্দোলনের দৃষ্টান্ত রয়েছে অতীতে পাকিস্তানি আমলে। সেসব আন্দোলন হয়েছে দলমত নির্বিশেষে সব সাংবাদিকের ঐক্যের ভিত্তিতে। সংবাদপত্রের কণ্ঠরোধে জারি করা কালাকানুনের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের আন্দোলনে একটি দিনের ঘটনা তো ইতিহাস হয়ে রয়েছে। সামরিক স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের জারি করা প্রেস অ্যান্ড পাবলিকেশন্স অর্ডিন্যান্সের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন আইয়ুব খানের মুসলিম লীগের সমর্থক দৈনিক আজাদ-এর মওলানা আকরম খাঁ। নবতিপর বৃদ্ধ মওলানা আকরম খাঁ অবিভক্ত বাংলায় মুসলিম সাংবাদিকতার পথিকৃৎ হিসেবে সম্মানিত ও শ্রদ্ধেয়। আইয়ুব খানের শাসনের সমর্থক হয়েও তিনি নেমে এসেছিলেন রাস্তায় আইয়ুবের বিরুদ্ধে আন্দোলনে। খোলা জিপে দাঁড় করিয়ে তার নেতৃত্বে বের হয়েছিল সেদিনের বিক্ষোভ মিছিল। মিছিল শুরুর আগে তিনি সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দিয়েছিলেন। বক্তৃতা শেষে রবীন্দ্রনাথকে উদ্ধৃত করে তিনি বলেছিলেন, ‘ওদের বাঁধন যতই শক্ত হবে ততই বাঁধন টুটবে, মোদের ততই বাঁধন টুটবে।’

সরকারের একজন সমর্থক এবং সরকারি দলের একজন নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি হয়েও মওলানা আকরম খাঁ সংবাদপত্রের কণ্ঠরোধের প্রতিবাদে নিজ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেমে এসেছিলেন। কিন্তু হাসিনার স্বৈরাচারী শাসনে আমরা কী দেখলাম? এক দল সাংবাদিক দাঁড়িয়ে গেলেন হাসিনার সব অপকর্মের সমর্থনে। হাসিনাও তাদের জন্য লুটপাট আর সুযোগ-সুবিধার সব দরজা খুলে দিয়েছিলেন। তাদের পোষ মানিয়ে তার একান্ত ভক্ত করে নিয়েছিলেন। তারা প্রচারমাধ্যম দমনে হাসিনার সব কালাকানুনকে শুধু সমর্থনই জানিয়েই ক্ষান্ত হননি, তারা হাসিনার সহযোগী হয়ে গেলেন বিরোধীদের দমন-পীড়নে। মাহমুদুর রহমানের ওপর নির্যাতনে তারা হাসিনার পাশে রইলেন, আমার দেশ বন্ধ করে দেওয়ার পক্ষে সাফাই গাইলেন। সাংবাদিকতার পেশায় এমন স্তাবক শ্রেণির উদ্ভবের দৃষ্টান্ত দ্বিতীয়টি আর খুঁজে পাওয়া যাবে বলে আমার মনে হয় না।

তাদেরই চক্রান্তে ব্যর্থ হয়ে গেল সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনির হত্যার বিচারের দাবিতে গড়ে ওঠা আন্দোলন। সাংবাদিকদের এই আন্দোলনের পেছনে ছুরিকাঘাত করে তারা হাসিনার কাছ থেকে আদায় করে নিলেন নানা সুযোগ-সুবিধা। এক বড় নেতা তো হাসিনার উপদেষ্টা পদেও অভিষিক্ত হয়েছিলেন।

এই প্রথম কিন্তু নয়, সাংবাদিকদের এই মহলটি সেই শেখ মুজিবের শাসনামল থেকেই সরকারি আনুকূল্য লাভে লালায়িত হয়ে উঠেছিল। ’৭৩-এর নির্বাচনে অকল্পনীয় কারচুপি করে সমগ্র গণতান্ত্রিক বিশ্বকে হতবাক করে দিয়ে শেখ মুজিব যখন শুধু তার দলের সদস্যদের দিয়ে সংসদ ভরে তুললেন এবং পরবর্তী সময়ে এই ‘ব্রুট মেজরিটির’ জোরে সংবিধানকে তছনছ করে দিয়ে চতুর্থ সংশোধনী পাস করালেন, তখনই সাংবাদিকদের এই মহলকে দেখা গিয়েছিল স্বরূপে আত্মপ্রকাশ করতে। গণতন্ত্রের কবর রচনা করে একদলীয় শাসন কায়েমের মাধ্যমে শেখ সাহেব যখন একনায়ক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করলেন, তখন এই সাংবাদিকরা তার সমর্থনে রাস্তায় নেমে এসেছিলেন। তারা শুধু ঢাকার নয়, সারা বাংলাদেশের সাংবাদিকদের বাধ্য করেছিলেন বাকশালে নাম লেখাতে। বাকশাল তো একটি রাজনৈতিক দল, সেখানে সাংবাদিকদের কেন নাম লেখাতে হবে, এর কোনো জবাব ছিল না। বিভিন্ন স্থানের সাংবাদিকরা দল বেঁধে ঢাকায় এসে বাকশালে নাম লিখিয়ে গেছেন। প্রেস ক্লাব থেকে তাদের বাসে করে বাকশাল অফিসে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। একদিন তো শেখ মুজিবকে অভিবাদন জানানোর জন্য বাকশালিদের মিছিল করে দলে দলে যেতে হয়েছে বাকশাল অফিসে। বাকশাল অফিসের দোতলার বারান্দায় দাঁড়িয়ে শেখ সাহেব একের পর এক মিছিলের অভিবাদন গ্রহণ করেছেন। সেই মিছিলকারীদের মধ্যে সাংবাদিকরাও ছিলেন। মিছিলের পুরোভাগে ঢাকার পত্রিকার কয়েকজন সম্পাদকও ছিলেন। তারা আজ কেউ বেঁচে নেই। সংগত কারণেই তাদের নাম উল্লেখ থেকে বিরত রইলাম। সেদিন বৃষ্টি ছিল। সেই বৃষ্টির মধ্যেই মিছিল শেষ করে একজন সম্পাদক প্রেস ক্লাবে ফিরে তার বিরক্তি ও অসহায়ত্ব প্রকাশ করেছিলেন।

সরকার-সমর্থক এই সাংবাদিকরা বিএফইউজের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন। তাদের দাবি ছিল অন্যান্য সংগঠনের মতো সাংবাদিক ইউনিয়নগুলোকেও বিলুপ্ত করে দিয়ে বাকশালের অন্তর্ভুক্ত হতে হবে এবং বাকশাল সাংবাদিক ইউনিয়ন গঠন করতে হবে। বাংলাদেশ ফেডারেল ইউনিয়ন অব জার্নালিস্টস বা বিএফইউজের সভাপতি তখন ছিলেন নির্মল সেন আর সাধারণ সম্পাদক গিয়াস কামাল চৌধুরী। ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন যথাক্রমে কামাল লোহানী ও রিয়াজউদ্দিন আহমদ। প্রেস ক্লাবের আগের লাল দোতলা ভবনের নিচতলায় বারান্দাঘেঁষা পাশাপাশি তিনটি ঘরের মাঝের ছোট ঘরটি ছিল সাংবাদিক ইউনিয়নের অফিস। নির্মল সেন প্রতিদিন নিয়ম করে ইউনিয়ন অফিসে উপস্থিত থাকতেন। তার উপস্থিতিতে ইউনিয়ন অফিসের সামনে বারান্দায় প্রতিদিন সদ্য পেশায় নাম লেখানো কিছু সাংবাদিক জড়ো হয়ে স্লোগান দিতেন—‘বাকশাল সাংবাদিক ইউনয়ন করতে হবে, করতে হবে।’ সেই সাংবাদিকদের কারো কারো চেহারা আমার চোখে ধরা আছে। দুজন ছিলেন আমার খুব পরিচিত। এদের কেউ পরে আর সাংবাদিকতায় ছিলেন না। আমার পরিচিত দুজনের একজন প্রেস ক্লাবের সভাপতি এনায়েতুল্লাহ খানের সাহায্য নিয়ে টেলিভিশনের প্রডিউসারের চাকরিতে ঢুকেছিলেন, অন্যজন সাব-রেজিস্ট্রারের চাকরিতে ঢাকার বাইরে পোস্টিং পেয়ে চলে গিয়েছিলেন।

তখন থেকেই সাংবাদিকদের মধ্যে বিভাজন। মত ও পথের বিভাজন পরবর্তীকালে তীব্র হতে হতে সাংবাদিক ইউনিয়ন দ্বিধাবিভক্ত হয়ে গেছে। বিভক্ত ইউনিয়নের সেই বাকশাল-সমর্থক একটি অংশ কালের পরিক্রমায় আওয়ামী লীগ সমর্থকে পরিণত হয়েছে এবং সাংবাদিক স্বার্থের বদলে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক স্বার্থই তাদের কাছে মুখ্য হয়ে উঠেছে। এরাই হাসিনার শাসনে নিজেদের পেশাগত মর্যাদাকে বিলীন করে দিয়ে হাসিনার অন্ধ ভক্তে পরিণত হয়েছিলেন। তারা কে কী সুবিধা হাসিনার কাছ থেকে পেয়েছেন, সেটি ভিন্ন বিষয়। আমি উল্লেখ করতে চাইছি, তারা হাসিনার সামনে দাঁড়িয়ে কে কী করেছেন সেই বিষয়টি।

হাসিনা মাঝে মাঝেই সংবাদ সম্মেলন করতেন, বিশেষ করে বিদেশ সফর থেকে ফিরে এসে। এমন কয়েকটি সংবাদ সম্মেলনের ভিডিও দেখার সুযোগ আমার হয়েছে। দেখে মনে হয়েছে, এগুলো কি সংবাদ সম্মেলন, নাকি হাসিনার তোষামোদির আসর? জীবনভর সাংবাদিকতায় অসংখ্য সংবাদ সম্মেলন আমি কভার করেছি। আমরা সব সময় সচেষ্ট থেকেছি বক্তার কাছ থেকে কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বের করার। তার জন্য প্রয়োজনে অনেক অপ্রিয় প্রশ্ন করতেও আমরা দ্বিধা করিনি। শেখ মুজিবুর রহমানের সেই দাপটের যুগেও একবার বিদেশ সফর থেকে ফেরার পর বিমানবন্দরে প্রশ্ন করে তাকে ক্ষুব্ধ করে দিয়েছি। এরশাদকে তার কবিতা নিয়ে প্রশ্ন করে তো জাহাঙ্গীর হোসেন স্মরণীয় হয়ে রয়েছেন।

কিন্তু এই সাংবাদিকরা হাসিনাকে এসব কী বলতেন? তারা তো নির্বিকারভাবে তার প্রশস্তি করে যেতেন। মূলত হাসিনার ওটা কোনো সংবাদ সম্মেলন হতো না, সুসজ্জিত কক্ষে পুষ্পশোভিত টেবিলে তিনি রাজেন্দ্রাণীর মতো বসতেন, আর এই সাংবাদিকরা তার চাটুকারিতা করতেন। পুরো সংবাদ সম্মেলনটি পরিণত হতো একটি স্তাবকতার আসরে। এ ব্যাপারে কোনো উদাহরণের প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না। সবাই এগুলো জানেন। প্রশ্ন করার নামে উঠে দাঁড়িয়ে কোনো সাংবাদিক বলতেন, বিশ্বে আমাদের গর্ব করার মতো একজন আছেন—তিনি শেখ হাসিনা। মিউনিখে তার সফরসঙ্গী একজন সাংবাদিক বলেছেন, সারা মিউনিখ শহর হাসিনার নামে উদ্বেলিত হয়ে উঠেছিল। তিনি সফরে আরো বেশি করে সাংবাদিক নেওয়ার এবং সাংবাদিকরা যাতে সফরকারী দেশের মানুষের কাছে হাসিনার ভাবমূর্তি তুলে ধরতে পারেন সেই লক্ষ্যে তাদের জন্য আরো বেশি করে সুযোগ সৃষ্টির প্রস্তাব দেন। সাংবাদিক ইউনিয়নের একজন নেতা উঠে সাংবাদিকদের কাউকে কাউকে সংসদের সদস্য করার জন্য হাসিনাকে অভিনন্দন জানালেন এবং আরো বেশি সংখ্যায় সাংবাদিককে সংসদে আসন দেওয়ার প্রস্তাব দিলেন। হাসিনার আনুকূল্য পাওয়া এসব চাটুকার সাংবাদিকরা সাংবাদিকতা পেশার মর্যাদাকে যেভাবে ভূলুণ্ঠিত করেছেন তার একটি পর্যালোচনা এবং এসব সাংবাদিকের মূল্যায়ন হওয়া প্রয়োজন।

আজকে দেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সাংবাদিকতা পেশার উত্তরণ এবং এই পেশাকে স্বমর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করাই হোক আমাদের লক্ষ্য। একই সঙ্গে আহ্বান থাকবে সাংবাদিকদের মাথার ওপরের সেই অদৃশ্য তরবারিটি দ্রুত অপসারণের।

নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

বিষয়: