বাংলাদেশের এক বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী প্রয়াত জিল্লুর আর খানের একটি গ্রন্থের উপশিরোনাম ‘ক্রাইসিস টু ক্রাইসিস’। বাংলাদেশের মানুষের দুর্ভাগ্যের বিষয় অর্ধশতাব্দী অতিক্রান্ত হলেও সংকট থেকে সংকটে অতিক্রান্ত হচ্ছে দেশ। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর মানুষজন চিন্তা করেছিল যেহেতু স্বৈরাচার পলায়ন করেছে, আমাদের সংকটও পলায়ন করবে।
প্রাথমিকভাবে দৃশ্যমান পরিস্থিতি ভালোই মনে হচ্ছিল। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী দেশবরেণ্য ব্যক্তিত্ব নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইউনূস অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে অভিষিক্ত হন। প্রধান উপদেষ্টার সদিচ্ছা অনুযায়ী ছাত্রনেতাদেরও উপদেষ্টা মনোনীত করা হয়।
বাংলাদেশের ইতিহাসে অভ্যুত্থানটি যেমন অচিন্তনীয় ছিল, তেমনি উপদেষ্টা পরিষদে ছাত্রনেতাদের উপস্থিতি ছিল অভাবনীয়। রক্ষণশীল মানুষ এটি সহজে গ্রহণ করেনি। বামরা হয়তো আরেকটু বাড়িয়ে ‘প্রতিক্রিয়াশীল’ বলতে চাইবেন। তবে অভ্যুত্থান-পরবর্তী নিরঙ্কুশ জনসমর্থনে অগ্রগতির পথে ধাবিত হচ্ছিল সরকার। যারা সরকারে অংশগ্রহণ করলেন, তাদের অনভিজ্ঞতা থাকতে পারে; কিন্তু আন্তরিকতার কোনো অভাব ছিল না।
যেহেতু বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে বাহিনী প্রতিবিপ্লব পর্যুদস্ত হয়, বিচারিক অভ্যুত্থান প্রতিহত হয় এবং আমলাতান্ত্রিক ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হয়, সেহেতু ছাত্রদের চাওয়া-পাওয়া ও নেতৃত্ব কর্তৃত্ব অবাধ এবং অবারিত হয়। অভ্যুত্থানের আমেজ, ছাত্রশক্তির প্রদর্শনী এবং পরাজিত প্রশাসনের হীনম্মন্যতা সঠিক ও যথার্থ সিদ্ধান্ত গ্রহণে ব্যর্থ হয়। সংস্কারের প্রাধান্য ও প্রবাল্য গতানুগতিক তথা কায়েমি স্বার্থবাদীদের অস্থির এবং ভীত করে তোলে।
নির্বাচনের এজেন্ডাটি সুপ্ত থাকলেও ক্রমেই প্রকাশ্য হয়ে ওঠে। প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস সংস্কারে কতটা সময় নেবেনÑতা নিয়ে তার নিজের মন্তব্যই অনিশ্চয়তার আভাস দেয়। রাজনীতি মানেই যেহেতু ক্ষমতার আকাঙ্ক্ষা, সেহেতু রাজনীতিবিদরা অন্তর্বর্তী সরকারের দৈর্ঘ্য-প্রস্থ নিয়ে উৎকণ্ঠিত হয়ে ওঠেন। আবার রাজনীতির ময়দানে প্রতিদ্বন্দ্বিতার শক্তি-সামর্থ্য যারা রাখেন, তারা অন্তর্বর্তী সরকারের দীর্ঘায়িতকরণের মধ্যে নিজেদের রাজনৈতিক সুবিধা অন্বেষণ করেন।
বিধ্বস্ত আওয়ামী লীগের সমর্থন পেতে নমনীয়তা তথা নিষিদ্ধ না করার আইনগত অবস্থান নিয়ে এগোতে থাকে একদল। অন্যদিকে ক্ষমার মহত্ত্ব নিয়ে এগিয়ে যায় আশান্বিত বিরোধী দল। মাঝখানে উত্থিত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে রাজনৈতিক দল গঠন চলমান সমীকরণকে পাল্টে দেয়। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহল নবগঠিত ‘ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টিÑএনসিপি’ সম্পর্কে দুই ধরনের মতামত প্রদান করে। আশাবাদীরা ২৪ অভ্যুত্থানের আলোকে দেশের সর্বত্র তাদের জয় জয়কার দেখেন। অন্যদিকে বিরোধীরা রাজনৈতিক নাবালকত্বের নেতিবাচক দৃষ্টি দেন। একজন রাজনীতিবিদ বললেন, ‘সরকার নামানো আর সরকার চালানো এক কথা নয়।’
দিন যতই এগোতে থাকে, অন্তর্বর্তী সরকারকে জিম্মি করে সব দাবি আদায়ের আন্দোলন-সংগ্রাম ঘনীভূত হতে থাকে। বিগত কয়েক মাসের দৃশ্য যদি অবলোকন করে থাকেন কেউ, তাহলে দেখবেন প্রেস ক্লাব, শাহবাগ অথবা বায়তুল মোকাররমে প্রতিদিন শত শত মিটিং-মিছিল, দাবি-দাওয়া নিয়ে নানা কর্মসূচি পালন করছে। সন্দেহ নেই যে ১৭ বছরের ভীতির রাজত্ব থেকে নাগরিক সাধারণ মুক্ত হয়েছেন। সে ক্ষেত্রে মত ও পথের স্বাধীনতার প্লাবন না হয় মেনে নেওয়া যায়, কিন্তু ১৭ বছরের জমানো দাবি-দাওয়া আদায়ে এ সরকার যে দায়িত্বপ্রাপ্ত নয়, তা বোঝার ক্ষমতা কি এদের নেই? যারা এসব করছেন, তাদের একদল জ্ঞানপাপী। বুঝেশুনে তারা ব্যক্তি ও গোষ্ঠী স্বার্থের সুবিধা আদায়ের অন্যায় সংগ্রামে ব্যস্ত। অন্য দল না বুঝেই এসব করছে। কেউই সুবর্ণ সুযোগ হারাতে নারাজ। সরকারটি স্বল্প সময়ের। অন্তর্বর্তীকালীন। একটি বিধ্বস্ত বাংলাদেশের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন তারা। সাধারণ জনগণের এই অসাধারণ আচরণে সরকার বিব্রত।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে এখন তিনটি শক্তি ক্রিয়াশীল। প্রথমত, অন্তর্বর্তী সরকার। দ্বিতীয়ত, রাজনৈতিক দলগুলো। তৃতীয়ত, সেনাবাহিনী। অন্তর্বর্তী সরকার নিজেদের কার্যক্রমের মাধ্যমে পুরো জাতিকে আশ্বস্ত করতে পারছে না। ক্রমাগত আইনশৃঙ্খলার অবনতি, অর্থনৈতিক বেহালদশা ও অরাজক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তাদের দৃঢ় অবস্থান না থাকায় বিব্রতকর অবস্থায় আছেন তারা। এই বিব্রতকর পরিস্থিতির দায় কিছুটা তাদের। অনেকটা রাজনৈতিক দলগুলোর, যাদের আমরা দ্বিতীয় এবং প্রধানতম অংশীদার মনে করি।
রাজনৈতিক দলগুলোর সাম্প্রতিক বাগ-বিতর্ক, দ্বন্দ্ব-বিদ্বেষ এবং ঝগড়াঝাঁটি দেশের পরিবেশকে দূষিত করে তুলছে। আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হবে কী হবে না, এ নিয়ে প্রথমবারের মতো মুখোমুখি হয় প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপি এবং শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বাধীন এনসিপি। অবশেষে অন্তর্বর্তী সরকার একটি আইনগত গোঁজামিল দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিয়েছে। এনসিপি নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন চায় । অথচ কমিশন গঠন সময়ের দাবি ছিল। নির্বাচন চাইলে কমিশন গঠন ছাড়া বিকল্প ছিল না।
পতিত সরকারের প্রণীত আইনের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়েছে। এ ছাড়া বিকল্প ছিল কি? নতুন সরকারের দায়িত্বে না আসা পর্যন্ত পুরোনো সংবিধান অনুকরণ, অনুসরণ করেই তো অন্তর্বর্তী সরকার চলছে। এনসিপির আরেকটি দাবি জাতীয় সরকারের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। বিষয়টি বিধিসম্মত। স্থানীয় নির্বাচন আগে হলে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো তাদের সমর্থনের ভিত্তি দৃঢ় করতে পারবে। নির্বাচন কমিশনেরও একটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয়ে যাবে। কিন্তু জাতীয় নির্বাচন যদি আগামী ৬-৯ মাসে হয়, তাহলে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময় কোথায়? আর অভ্যুত্থান-পরবর্তী রাজনৈতিক বাস্তবতাও স্থানীয় নির্বাচন আগে করার উপযোগী নয়।
কয়েক দিনে বিএনপি ও এনসিপি রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা বাড়িয়েছে। বিএনপি ও এনসিপির পৃথক পৃথক কর্মসূচিতে আকস্মিকভাবেই রাজধানী বেশ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। বিএনপি নেতাকর্মীরা ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র করার দাবি জানাচ্ছেন। এর বিপরীতে এনসিপি কর্মসূচি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দাবিতে। ইশরাকের লোকরা দুই উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবি করছেন। অন্যদিকে এনসিপি তিন উপদেষ্টার দিকে অঙ্গুলি নির্দেশ করছে। এর মধ্যেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল তাদের একজনের হত্যা নিয়ে নিত্য আন্দোলন করছে।
শাহবাগ দখলে রাখছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলরের বাসভবনও তাদের আন্দোলনের একটি লক্ষ্যবস্তু। ইতোমধ্যে তারা ভাইস চ্যান্সেলরকে বিব্রত করেছে। নিঃসন্দেহে হত্যার বিচার ন্যায়সংগত। কিন্তু বিষয়টি বিস্তৃত কারণে জনদুর্ভোগ বেড়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহল মনে করে, এসব কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এনসিপি নির্বাচন পেছাতে চায়। অন্যদিকে বিএনপি সরকারকে অব্যাহত চাপের মুখে রাখতে চায়। এনসিপি মনে করছে, বিএনপি মৌলিক সংস্কার পাশ কাটিয়ে তড়িঘড়ি করে ক্ষমতায় যেতে চায়। দুই পক্ষের এই বৈরী আচরণ নাগরিক সাধারণকে হতাশ করে তুলছে। বিদ্বজনরা মনে করছেন, পরিস্থিতি যেদিকে যাচ্ছে, তাতে বিতর্ক-বিদ্বেষ সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি করবে। এসব ঘটনাবলি অতীতে বিশেষত বিগত ১৫ বছরের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ কর্মসূচির কথা মনে করিয়ে দেয়। সংগতভাবেই প্রশ্ন উত্থাপিত হতে পারে এনসিপি কি রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অবতীর্ণ হতে চাচ্ছে?
রাজনৈতিক অঙ্গনে যখন এ রকম বাকবিতণ্ডা এবং সাংঘর্ষিক অবস্থা চলছে, তখন মুখ খুলেছেন সেনাবাহিনীপ্রধান। বাংলাদেশের রাজনীতিতে সেনাবাহিনীকে অনাকাঙ্ক্ষিত অনুঘটক মনে করা হয়। সবসময়ই রাজনৈতিক পক্ষ ও বিপক্ষ একে অন্যকে সেনাবাহিনীকে রাজনীতিতে ডেকে আনার জন্য দোষারোপ করে আসছে। আওয়ামী লীগ সরকার একদিকে যেমন সেনাবাহিনীকে তুষ্ট করে ক্ষমতায় থাকতে চেয়েছে, অন্যদিকে সেনাবাহিনীকে সবসময়ই ভয় ও শঙ্কার চোখে দেখেছে। গতানুগতিকভাবে শেখ সাহেব সেনাবাহিনীর বিরোধী ছিলেন। তিনি যেহেতু পাকিস্তান সেনাবাহিনীর নিগ্রহের সম্মুখীন হয়েছিলেন, সে জন্য তিনি সেনাবাহিনী লালনকে শ্বেতহস্তীর সঙ্গে তুলনা করেছেন। জিয়াউর রহমানের নেতৃত্ব ও কর্তৃত্বের কারণে সেনাবাহিনীকে সবসময়ই বিএনপির অনুবর্তী নিদেনপক্ষে ভাবাদর্শী বলে চিন্তা করা হতো।
কিন্তু বিগত বছরগুলোয় সে ‘মিথ’-এর অবসান হয়েছে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানে সেনাবাহিনীর ‘প্রফেশনালিজম’-এর ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়। রাজনৈতিক সরকারের আনুগত্য করাই তাদের কর্তব্য। কিন্তু তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোয় যখনই যেখানে সেনা হস্তক্ষেপ ঘটেছে, রাজনৈতিক নেতৃত্বের ব্যর্থতার কারণেই তা ঘটেছে। বাংলাদেশে সেনাবাহিনী রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ করতে পারে, এটা ছিল অভাবনীয় বিষয়। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকারের ব্যর্থতা তাদের বৈধতা দিয়েছে। এরশাদের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের নেপথ্যে রাজনৈতিক নেতৃত্বের ষড়যন্ত্র ছিল। স্বাভাবিকভাবে সংগতভাবেই সচেতন নাগরিক সাধারণ সামরিক বাহিনীর হস্তক্ষেপকে সবসময়ই গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের বিপরীত কিছু মনে করে। আবার সামরিক বাহিনী যে জাতির স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের শেষ কেন্দ্রবিন্দু, তা অস্বীকার করার উপায় নেই।
প্রফেসর ইউনূসের পদত্যাগের খবরে নতুন করে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়ে সারা দেশে। পরে যখন খবর আসে তিনি পদত্যাগ করবেন না, তখন অনেকটা স্বস্তি আসে। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপের সিদ্ধান্তে আশ্বস্ত হয় জনগণ। কিন্তু অবাক বিস্ময়ের ব্যাপার, অনুষ্ঠিত সংলাপের মধ্য দিয়ে সংকট উত্তরণের কোনো সুখবর জাতি পায়নি। রাজনৈতিক দলগুলোর বিশেষত বিএনপির অবস্থানে কোনো পরিবর্তন হয়নি। এনসিপি এর নতুন নতুন দাবি সংকট উত্তরণে আরো বাধার কারণ হবে। এতে বিরক্তি বেড়েছে। নির্বাচন, সংস্কার ও বিচারের সুনির্দিষ্ট সময়সূচি ঘোষণা করতে কি এমন পর্বতপ্রমাণ বাধা! শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আরো সংলাপের কথা শোনা গেছে। সবাই যদি এভাবে জিদ ধরেন আর তাতে যদি এ জাতির সংঘাত আরো বাড়ে, তাতে কার লাভ? সবাই স্বৈরাচারের আগমন চিরতরে প্রতিহত করতে বৃহত্তর ঐক্যের কথা বলছেন। অথচ বাস্তবে ঐক্য অর্জিত হচ্ছে না।
দেশের জনগণ অনাকাঙ্ক্ষিত পরিবেশ চায় না। অন্তর্বর্তী সরকারকে বিব্রত করা বা বিতর্কিত করা জাতির জন্য কোনো মঙ্গল বয়ে আনবে না। ভুল হোক শুদ্ধ হোক, জনগণের অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠিত এ সরকার ব্যর্থ হলে সেই ব্যর্থতার দায় হবে সুদূরপ্রসারী। সুতরাং এই মুহূর্তে জাতীয় ঐক্য একটি অনিবার্য বিষয়। ‘বিভাজনে শুধু অপশক্তির চক্রান্তই সফল হবে। ভুলে গেলে চলবে নাÑ‘স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে রক্ষা করা কঠিন’। জাতীয় ঐক্যের মূল ভিত্তি হচ্ছে পারস্পরিক আস্থা, বিশ্বাস ও ভালোবাসা। বাংলাদেশের রাজনীতির তৃ-পক্ষ : অন্তর্বর্তী সরকার, রাজনৈতিক নেতারা ও সেনাবাহিনীÑজাতীয় ঐক্যের স্বার্থে সংযম, সাহস ও ত্যাগের মনোভাব প্রদর্শন করবেনÑএটাই জনগণের দৃঢ় প্রত্যাশা।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

