আরব উপদ্বীপের কৌশলগত মানচিত্র বর্তমানে তিনটি পরস্পর সম্পর্কিত ঘটনার প্রভাবে নতুনভাবে বিন্যস্ত হচ্ছেÑসৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের ক্রমবর্ধমান বিরোধ, সৌদি আরবের বিরুদ্ধে হুথিদের নতুন সামরিক অভিযান এবং প্রচলিত নিরাপত্তাব্যবস্থার ওপর নির্ভরতা কমাতে রিয়াদের উদ্যোগ। এসব ঘটনা সৌদি আরবকে তার আধুনিক ইতিহাসের অন্যতম কঠিন ভূরাজনৈতিক সন্ধিক্ষণে দাঁড় করিয়েছে। সৌদি–আমিরাত বিরোধ এখন আর প্রভাবশালী দুই উপসাগরীয় রাষ্ট্রের নীরব প্রতিযোগিতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই।
ইয়েমেন তাদের মৌলিকভাবে ভিন্ন লক্ষ্য প্রকাশ করে দিয়েছে। সৌদি আরব আনুষ্ঠানিকভাবে ইয়েমেনের ভৌগোলিক অখণ্ডতা এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত কেন্দ্রীয় সরকারকে সমর্থন করে। বিপরীতে, আমিরাত দক্ষিণাঞ্চলীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের—বিশেষত সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিলের—সঙ্গে শক্তিশালী সম্পর্ক গড়ে তোলার পাশাপাশি বিভিন্ন বন্দর, দ্বীপ ও সামুদ্রিক পথের ওপর কৌশলগত প্রভাব বিস্তার করেছে।
২০২৫ সালের ডিসেম্বরে এই প্রতিযোগিতা প্রকাশ্য সংকটে রূপ নেয়। সৌদি আরব ইয়েমেন থেকে আমিরাতি বাহিনী প্রত্যাহারের দাবিকে সমর্থন করে এবং মুকাল্লায় আমিরাত-সমর্থিত শক্তির জন্য পাঠানো হয়েছে বলে অভিযোগ করা একটি অস্ত্রের চালানে হামলা চালায়। এর পর আবুধাবি ইয়েমেন থেকে অবশিষ্ট সামরিক সদস্যদের প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয়। ঘটনাটি ২০১৫ সালে যৌথভাবে ইয়েমেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া দুদেশের সম্পর্কে নজিরবিহীন ভাঙন নির্দেশ করে। পরবর্তী সময়ে সৌদি আরব হুথি নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকা এলাকায় রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা কর্তৃত্ব পুনর্গঠনে সহায়তা করে। রিয়াদের উদ্দেশ্য শুধু আমিরাতের প্রভাব হ্রাস করা নয়; বরং হুথিবিরোধী ইয়েমেনি ব্যবস্থার প্রধান বহিঃশক্তি হিসেবে নিজের অবস্থান পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা। কিন্তু প্রতিদ্বন্দ্বী একটি দেশের প্রভাব হ্রাস করা যতটা সহজ, একটি ঐক্যবদ্ধ ইয়েমেনি রাষ্ট্র গঠন ততটাই কঠিন। দেশটি এখনো হুথি, সরকারি বাহিনী, উপজাতীয় গোষ্ঠী, দক্ষিণাঞ্চলীয় বিচ্ছিন্নতাবাদী ও বিভিন্ন স্থানীয় মিলিশিয়ার মধ্যে বিভক্ত। তাই হুথিবিরোধী শিবিরে সৌদি প্রাধান্য প্রতিষ্ঠিত হলেই ইয়েমেনে জাতীয় ঐক্য ফিরে আসবে না।
একই সময়ে সৌদি আরব এখনো আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে যোগ দেয়নি। এই চুক্তিগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে ইসরাইল ও কয়েকটি আরব দেশের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের কাঠামো; ঘোষিত ইসরাইলি বা আমিরাতি নেতৃত্বাধীন কোনো সামরিক জোট নয়। তারপরও ফিলিস্তিন প্রশ্নের গ্রহণযোগ্য সমাধান ছাড়া এতে যোগ দিলে সৌদি আরবের আঞ্চলিক বৈধতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং দেশটি ওয়াশিংটন, তেল আবিব ও আবুধাবির পরিকল্পিত একটি কৌশলগত ব্যবস্থার মধ্যে আবদ্ধ হয়ে পড়তে পারে—এমন আশঙ্কা রিয়াদের থাকাই স্বাভাবিক। সৌদি দ্বিধাকে শুধু ইসরাইলবিরোধিতা বা পাশ্চাত্যের সঙ্গে সহযোগিতা প্রত্যাখ্যান হিসেবে দেখা ঠিক হবে না। মূল প্রশ্ন আরো গভীর : সৌদি আরব কি নিজের কৌশলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতা বজায় রেখে, ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পথে অর্থবহ অগ্রগতি নিশ্চিত করে এবং অন্য কোনো দেশের আঞ্চলিক পরিকল্পনার অধীন না হয়ে ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে পারবে? রিয়াদ দৃশ্যত যেকোনো রাজনৈতিক মূল্যে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণ মেনে নিতে প্রস্তুত নয়।
এই প্রেক্ষাপটে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্পাদিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি কৌশলগত অংশীদারত্ব বহুমুখীকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রচেষ্টা। চুক্তিটি একটি সদস্যের ওপর আক্রমণকে সবার ওপর আক্রমণ হিসেবে বিবেচনা করে বলে জানা গেছে। তুরস্ক সৌদি আরবের কারিগরি ও সামরিক চাহিদা পূরণে সহযোগিতার ইঙ্গিত দিয়েছে এবং পাকিস্তানও চুক্তির প্রতি তার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। তবে একে এখনই ‘আব্রাহামিক জোট’ ও শিয়া বলয়ের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ সুন্নি সামরিক জোট হিসেবে আখ্যায়িত করা হবে অপরিণামদর্শী। তুরস্ক ও পাকিস্তান উভয়ই ইরান, যুক্তরাষ্ট্র, চীন এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে নিজস্ব সম্পর্ক বজায় রাখে। শুধু রিয়াদের অনুরোধে কোনো দেশই স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনির্দিষ্টকালের ইয়েমেন যুদ্ধে প্রবেশ করবে না। মক্কা চুক্তির প্রকৃত শক্তি ঘোষণার মাধ্যমে নয়; বরং যৌথ কমান্ড, গোয়েন্দা সহযোগিতা, সমন্বিত বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা, রসদ প্রস্তুতি এবং সম্মিলিত পদক্ষেপ গ্রহণের সুস্পষ্ট শর্তের মাধ্যমে প্রমাণিত হবে।
হুথিদের নতুন অভিযান এই চুক্তির প্রথম বড় পরীক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারা সৌদি শহর, জ্বালানি অবকাঠামো ও জাহাজ চলাচলে হামলার পাশাপাশি ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অগ্রসর হয়েছে। ১৯ সেপ্টেম্বর রিয়াদ লক্ষ্য করে নিক্ষিপ্ত একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়। ইয়ানবু, তায়েফ, বাইশ ও ফারাসানেও হামলার খবর পাওয়া গেছে। সৌদি আরবের পক্ষে সরাসরি হামলায় অংশ নিতে ওয়াশিংটনের অস্বীকৃতি মার্কিন নিরাপত্তা নিশ্চয়তার বিশ্বাসযোগ্যতা ও সীমাবদ্ধতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে। যুক্তরাষ্ট্র গোয়েন্দা তথ্য ও লক্ষ্য শনাক্তকরণে সহায়তা অব্যাহত রাখলেও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সরাসরি সামরিক হামলায় অংশ নেওয়ার সৌদি অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছেন। সরাসরি হামলার অনুমোদন না দিলেও মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা রিয়াদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছেন। এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য অনুধাবন করা প্রয়োজন। ওয়াশিংটনের অনাগ্রহ রিয়াদের ওপর রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করতে পারে, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র হুথিদের নিয়ন্ত্রণ করছে কিংবা সৌদি আরবকে আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে যোগ দিতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে তাদের হামলা পরিচালনা করছে—এমন কোনো প্রকাশ্য ও যাচাই করার প্রমাণ নেই। হুথিরা ইরানের কাছ থেকে উল্লেখযোগ্য সমর্থন পেলেও তাদের নিজস্ব আদর্শিক, রাজনৈতিক ও ভূখণ্ডগত লক্ষ্য রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের অনাগ্রহের পেছনে নতুন দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার ভয়, বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাত এড়ানো অথবা কূটনৈতিক স্বাধীনতা বজায় রাখার চেষ্টা থাকতে পারে। এর ফলে সৌদি আরবের ওপর পরোক্ষ চাপ বাড়লেও সেই পরোক্ষ ফলকে পরিকল্পিত যোগসাজশের প্রমাণ বলা যাবে না।
যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের মিসর সফরকে এই কৌশলগত সহযোগী অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে দেখতে হবে। সৌদি আরবের জন্য আরব বিশ্বের সর্বাধিক জনবহুল দেশের রাজনৈতিক সমর্থন, মিসরের সামরিক অভিজ্ঞতা এবং লোহিত সাগরের নিরাপত্তায় সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ। মিসর রাজনৈতিক সমর্থন জানালেও সরাসরি সামরিক অংশগ্রহণের প্রশ্নে সতর্ক রয়েছে। কায়রোর তাৎক্ষণিক সামরিক প্রতিশ্রুতি দেওয়ার সম্ভাবনা কম।
মিসরের দ্বিধার বাস্তব কারণ রয়েছে। ষাটের দশকে ইয়েমেন যুদ্ধে হস্তক্ষেপের বিপুল মূল্য দেশটি এখনো স্মরণ করে। তার অর্থনীতি সৌদি আরবের পাশাপাশি আমিরাতের বড় বিনিয়োগের ওপর নির্ভরশীল। আবার লোহিত সাগরের অস্থিতিশীলতা সুয়েজ খালের রাজস্ব সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত করে। তাই নতুন একটি জটিল ইয়েমেন যুদ্ধে না জড়িয়ে সৌদি আরব ও আমিরাত—উভয়ের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখাই কায়রোর লক্ষ্য। প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির অবস্থানকে শুধু ইসরাইলি নিয়ন্ত্রণ কিংবা তার ক্ষমতায় আসার পরিস্থিতি দিয়ে ব্যাখ্যা করলে মিসরের বর্তমান কৌশলগত হিসাব পুরোপুরি বোঝা যাবে না।
তুরস্ক ও পাকিস্তান তাদের অঙ্গীকারকে কতটা বাস্তব সহযোগিতায় রূপান্তর করবে, সেটিই এখন প্রধান প্রশ্ন। এই সহযোগিতা স্থল অভিযান দিয়ে শুরু হওয়ার প্রয়োজন নেই। সমন্বিত আকাশ প্রতিরক্ষা, গোয়েন্দা তথ্যবিনিময়, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ, ড্রোন প্রতিরোধব্যবস্থা, নৌ টহল, প্রশিক্ষণ ও রসদ সহযোগিতা অধিক বাস্তবসম্মত এবং তুলনামূলক কম ঝুঁকিপূর্ণ।
বিদেশি সামরিক অভিযানের মাধ্যমে হুথিদের সম্পূর্ণভাবে ইয়েমেন থেকে বিতাড়নের চেষ্টা করলে গত দশকের ব্যর্থতার পুনরাবৃত্তি হতে পারে। হুথিদের গভীর স্থানীয় ভিত্তি, দুর্গম ভূখণ্ড, ব্যাপক যুদ্ধ-অভিজ্ঞতা এবং ক্রমবর্ধমান ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনভান্ডার রয়েছে। সৌদি আরবের উচিত নয় পাশ্চাত্যের সহায়তা ছাড়া যুদ্ধ পরিচালনাকেই শুধু সার্বভৌমত্বের প্রমাণ হিসেবে দেখা। প্রকৃত সার্বভৌমত্বের ভিত্তি হলো বহুমুখী অংশীদারত্ব, নিজস্ব প্রতিরক্ষা সক্ষমতা, অর্থনৈতিক সহনশীলতা এবং বহিঃচাপমুক্তভাবে আলোচনা করার স্বাধীনতা। এর সঙ্গে ইয়েমেনের জন্য একটি বিশ্বাসযোগ্য রাজনৈতিক পরিকল্পনাও দরকার। জাতীয় ঐক্যের সরকার প্রতিষ্ঠার অর্থ শুধু আমিরাত-সমর্থিত গোষ্ঠীকে সৌদি-সমর্থিত গোষ্ঠী দিয়ে প্রতিস্থাপন করা নয়। ইয়েমেনকে স্থায়ী বিভক্তি থেকে রক্ষা করতে প্রধান রাজনৈতিক, উপজাতীয় ও আঞ্চলিক শক্তিগুলোর মধ্যে কার্যকর সমঝোতা প্রয়োজন।
ইরান ও হুথিরা পরোক্ষভাবে ইসরাইলের স্বার্থ রক্ষা করছে কি না—এই প্রশ্নটির উত্তরও সতর্কতার সঙ্গে দিতে হবে। তাদের হামলায় সৌদি আরব দুর্বল হলে, বিকল্প আঞ্চলিক জোট বাধাগ্রস্ত হলে এবং রিয়াদের উন্নত পশ্চিমা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রয়োজন বাড়লে ইসরাইল কৌশলগত সুবিধা পেতে পারে। কিন্তু এতে পারস্পরিক সমন্বয় বা অভিন্ন উদ্দেশ্য প্রমাণিত হয় না। ভূরাজনীতিতে প্রতিপক্ষরা অনেক সময় অনিচ্ছাকৃতভাবে পরস্পরকে শক্তিশালী করে। সৌদি আরবকে চাপে ফেলার উদ্দেশ্যে পরিচালিত হুথি হামলা শেষ পর্যন্ত রিয়াদকে ওয়াশিংটন কিংবা ইসরাইলের সঙ্গে নিরাপত্তা সহযোগিতার আরো কাছে ঠেলে দিতে পারে।
সেটি হবে একটি অনিচ্ছাকৃত কৌশলগত পরিণতি, জোটের প্রমাণ নয়। মক্কা চুক্তি তখনই টিকে থাকবে, যখন এটি প্রতীকী ঘোষণা বা সাম্প্রদায়িক স্লোগানের পরিবর্তে কার্যকর নিরাপত্তা কাঠামোতে পরিণত হবে। তুরস্ক ও পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ইয়েমেন আক্রমণ করল কি না, তা দিয়ে এর সাফল্য বিচার করা উচিত নয়। বরং তিন দেশ যৌথভাবে হামলা প্রতিরোধ, জাহাজ চলাচল রক্ষা, কূটনৈতিক উদ্যোগ শক্তিশালী এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ইয়েমেনি সমাধান প্রতিষ্ঠা করতে পারল কি নাÑসেটিই হবে আসল পরীক্ষা। চুক্তিটি যদি ইরান ও হুথিদের বিরুদ্ধে আরেকটি সামরিক বলয়ে পরিণত হয়, তবে সৌদি আরব যে কৌশলগত অবরুদ্ধতা থেকে বেরিয়ে আসতে চায়, তা আরো গভীর হতে পারে।
সৌদি আরব নিঃসন্দেহে প্রচণ্ড চাপের মধ্যে রয়েছে, কিন্তু তার সামনে বিকল্পের অভাব নেই। দেশটি অংশীদারত্ব বহুমুখী করতে, আঞ্চলিক কূটনীতি শক্তিশালী করতে, নিজ ভূখণ্ড রক্ষা করতে এবং জাতীয় স্বার্থবিরোধী ব্যবস্থা প্রত্যাখ্যান করতে পারে। তবে তার নিরাপদ পথ বহির্নির্দেশের কাছে আত্মসমর্পণ কিংবা আরেকটি সীমাহীন যুদ্ধ শুরু করার মধ্যে নয়। চূড়ান্ত পরীক্ষা হবে—রিয়াদ সামরিক প্রস্তুতির সঙ্গে রাজনৈতিক প্রজ্ঞার সমন্বয় ঘটিয়ে নতুন অংশীদারত্বগুলোকে প্রতিরোধক্ষমতা, কৌশলগত স্বাধীনতা ও শান্তির কার্যকর উপকরণে রূপান্তর করতে পারে কি না।
hrmrokan@hotmail.com
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

