ভারতের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে বিজয় দিবসে প্রতিরোধ কর্মসূচির ঘোষণা নাহিদের

ভারতের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে বিজয় দিবসে প্রতিরোধ কর্মসূচির ঘোষণা নাহিদের

জাতীয় নাগরিক পার্টি- এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ১৬ ডিসেম্বর শুধু উৎসবের দিন নয়, এটি প্রতিরোধেরও দিন। ভারতীয় আধিপত্যবাদ ও বাংলাদেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে বিজয় দিবসে প্রতিরোধ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেন তিনি।

সোমবার বিকেলে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বানে আয়োজিত সর্বদলীয় প্রতিরোধ সমাবেশে এ ঘোষণা দেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

নাহিদ ইসলাম বলেন, ভারত যদি মনে করে ৫ আগস্টের পরেও তারা আগের মতো দেশের রাজনীতির ওপর হস্তক্ষেপ করবে, নির্বাচনে কারচুপি করবে, তবে সে ভাবনাটা ভুল। আগামীকাল বিজয় দিবস। এই বিজয়ের প্রাক্কালে বাংলাদেশের ৫৪ বছরের ইতিহাস আমাদের পর্যালোচনা করতে হয়। ১৬ ডিসেম্বরে আমরা যেমন বিজয় পেয়েছি, একই সঙ্গে আমাদের প্রতিরোধের যাত্রাও শুরু হয়েছিল। সেই প্রতিরোধ ছিল ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে। সেই প্রতিরোধের যাত্রা আমাদের আজও অব্যাহত রাখতে হচ্ছে। আগামীকাল আমরা সারা দেশের রাস্তায় রাস্তায় প্রতিরোধের যাত্রা শুরু করব। ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আগামীকাল আমরা ঐক্যবদ্ধ হব।

তিনি বলেন, আজ আমরা এখানে একটি বার্তা দেওয়ার জন্য সমবেত হয়েছি। সেটা হলো, বাংলাদেশ ও জুলাই বিপ্লবীরা ঐক্যবদ্ধ। ওসমান হাদির শরীরে গুলি লাগার মাধ্যমে জুলাই বিপ্লব আক্রান্ত হয়েছে। বাংলাদেশ যতবার আক্রান্ত হয়, তরুণরা ততবার নেমে আসে।

তিনি আরও বলেন, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগের দাবি উঠেছে। আমরা মনে করি নৈতিকভাবে উনি আর এই দায়িত্বে থাকতে পারেন না। ৫ আগস্টের পর দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসেনি। জুলাই বিপ্লবীদের টার্গেট করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ভারত যদি মনে করে ৫ আগস্টের পরেও তারা আগের মতো দেশের রাজনীতির ওপর হস্তক্ষেপ করবে, নির্বাচনে কারচুপি করবে, তবে সে ভাবনাটা ভুল। আর ওসমান হাদির ওপর গুলির ঘটনা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার যে কথা বলেছেন, তারপর তার এই দায়িত্বে থাকার আর কোনো নৈতিক অধিকার নেই। তার অধীনে আর কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন হওয়া সম্ভব কি না, সে প্রশ্ন রেখে গেলাম। আমরা আশা করব অবিলম্বে তিনি তার এই বক্তব্য প্রত্যাহার করবেন। এই অথর্ব নির্বাচন কমিশনের অধীনে কোনো নির্বাচন হওয়া সম্ভব নয়।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন