নির্বাচনের দিনক্ষণ ঠিক হয়নি। দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হচ্ছে না। দলগতভাবে আনুষ্ঠানিক মনোনয়নেরও সুযোগ নেই। তবু স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে সরকারদলীয় সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে মাঠপর্যায়ে তীব্র লড়াই শুরু হয়েছে। বিএনপির দলীয় সমর্থন বা সিগন্যাল পাওয়ার যুদ্ধ চলছে নেতাদের মধ্যে। দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের তুষ্ট করার বিভিন্ন চেষ্টাও চলছে।
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান গতকাল মঙ্গলবার প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান, আগামী মাস অর্থাৎ আগস্ট মাসের দ্বিতীয়ার্ধে তফসিল ঘোষণা করে অক্টোবরে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন অনুষ্ঠানে সরকার প্রস্তুতি নিচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রস্তুতিও একই রকম। এদিকে, অক্টোবরকে সামনে রেখে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা চলছে বলে জানিয়েছে ইসি।
দেশে বর্তমানে চার হাজার ৫৮১টি ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে। এসব ইউনিয়নের অধিকাংশেই চেয়ারম্যান, মেম্বার ও সংরক্ষিত সদস্য পদে বিএনপির একাধিক নেতা প্রার্থী হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। অনেক জায়গায় একই পদে চার-পাঁচজন পর্যন্ত বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মাঠে রয়েছেন। একই চিত্র দেখা যাচ্ছে সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ঘিরেও।
দলীয় প্রতীক না থাকলেও দলীয় সমর্থন পাওয়ার জন্য সম্ভাব্য প্রার্থীরা নিজ নিজ এলাকায় প্রচার চালাচ্ছেন। কেউ স্থানীয় সংসদ সদস্যের ঘনিষ্ঠ, কেউ আবার বিভিন্ন রাজনৈতিক বলয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত। ফলে তৃণমূলে গ্রুপিং, কোন্দল ও দ্বন্দ্ব আরো তীব্র হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিএনপির নীতিনির্ধারকদের মতে, অভ্যন্তরীণ বিভক্তি এড়িয়ে একক প্রার্থী নিশ্চিত করাই এখন দলটির সবচেয়ে বড় সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জ।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে আরো সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে দলীয় প্রতীক তুলে নেওয়া হয়েছে। এর উদ্দেশ্য ছিল স্থানীয় পর্যায়ে ব্যক্তি গ্রহণযোগ্যতার ভিত্তিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ সৃষ্টি করা। তবে বাস্তবে রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের পছন্দের প্রার্থীদের প্রকাশ্যে বা পরোক্ষভাবে সমর্থন দিচ্ছে, যা নির্দলীয় নির্বাচন আয়োজন নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এতে দলীয় প্রভাবের বাইরে থাকা যোগ্য ও জনপ্রিয় ব্যক্তিরা নির্বাচন থেকে দূরে সরে যেতে পারেন। ফলে সাধারণ
মানুষের অংশগ্রহণ কমে গিয়ে স্থানীয় নির্বাচন ক্রমেই
দলীয় প্রভাবের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়বে।
ইতোমধ্যে জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) কয়েকটি দল প্রকাশ্য স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নিজেদের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে।
বিএনপির তৃণমূলে সমর্থন লাভের যুদ্ধবিএনপির নির্ভরযোগ্য সূত্র বলছে, দেশের প্রায় সব সিটি করপোরেশন, পৌরসভা এবং উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে ইতোমধ্যে প্রতিযোগিতা দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে। তবে এখন পর্যন্ত বিএনপি আনুষ্ঠানিকভাবে কোথাও দলীয় সমর্থন দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি।
সূত্র জানায়, দেশের ৩৩০টি পৌরসভার প্রতিটিতে অন্তত তিন থেকে আটজন পর্যন্ত বিএনপি নেতা সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে প্রচার চালাচ্ছেন। একই অবস্থা ৪৯৫ উপজেলা পরিষদ এবং চার হাজার ৫৮১ ইউনিয়ন পরিষদেও।
ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্য পদে আগ্রহী নেতারা গ্রামগঞ্জ, পাড়া-মহল্লা ও হাটবাজারে নিয়মিত গণসংযোগ করছেন। অনেকেই ফুটবল বিশ্বকাপকে সামনে রেখে তরুণ ভোটারদের আকৃষ্ট করতে শোডাউন, বড়পর্দায় খেলা দেখানো এবং বিভিন্ন সামাজিক আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছেন।
দলীয় সমর্থন না পেলেও বেশিরভাগ এলাকায় সম্ভাব্য প্রার্থীরা নির্বাচনে থাকার ঘোষণা দিচ্ছেন। ফলে বিদ্রোহী প্রার্থীর সংখ্যা বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
লক্ষ্মীপুরের সদর পশ্চিমের ২ নম্বর দক্ষিণ হামছাদি ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে বিএনপির চার নেতা প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। তারা হলেনÑজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক একেএম ফরিদ উদ্দিন, ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি মিনাজুল করিম লিটন, ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি বাহাউদ্দিন খলিল এবং সদর পশ্চিম বিএনপির সাবেক সদস্য আফজালুল করিম লিটন।
দলীয় সমর্থন না পেলে নির্বাচন করবেন কি নাÑএমন প্রশ্নে সবাই নিজেকে দলের দুঃসময়ের পরীক্ষিত কর্মী দাবি করেন এবং দলীয় সমর্থন পাওয়ার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
পাশের ৩ নম্বর দালাল বাজার ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে তিন বিএনপি নেতা প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। তারা হলেনÑজেলা বিএনপির সদস্য কামরুজ্জামান সোহেল, সদর পশ্চিম বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন বিটু এবং ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিজাম চৌধুরী। তিনজনই দলীয় সমর্থন আদায়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন।
জামালপুরের মেলান্দহের ২ নম্বর কুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেনÑইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ফজলুর রহমান ঠাণ্ডা, সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান সুরুজ, উপজেলা শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান মেহের, বিএনপি নেতা তৌহিদুর রহমান রঞ্জু এবং ছাত্রনেতা বিক্রম হাফিজ নয়ন। সবাই দলীয় সমর্থন পাওয়ার বিষয়ে আশাবাদী।
অন্যদিকে কক্সবাজারের মহেশখালীর কালারমারছড়া ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে বিএনপির চারজন মনোনয়নপ্রত্যাশী রয়েছেন। তারা হলেনÑজেলা বিএনপির সাবেক প্রচার সম্পাদক রুহুল কাদের বাবুল, যুবদল নেতা মোহাম্মদ হোবায়ের, ইউনিয়ন সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন এবং জাতীয়তাবাদী ক্রীড়া দলের সদস্য তৌহিদুল আলম সবুজ। এর মধ্যে যুবদল নেতা হোবায়ের দলের সমর্থন না পেলেও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দিয়েছেন।
এসব ইউনিয়নের ওয়ার্ড পর্যায়েও একই চিত্র। অনেক এলাকায় মেম্বার পদে ১০ জন পর্যন্ত প্রার্থী সক্রিয়ভাবে প্রচার চালাচ্ছেন।
একক প্রার্থী নিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান আমার দেশকে বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন একটি উৎসব। এখানে স্থানীয় বিভিন্ন বিষয় জড়িত। কোথাও একক প্রার্থী থাকবে, আবার কোথাও দলীয় সমর্থনের বাইরে অনেকে নির্বাচন করতে চাইবে, এটাই স্বাভাবিক। তবে নির্বাচন ঘনিয়ে এলে সব ঠিক হয়ে যাবে।
বিদ্রোহী প্রার্থী নিয়ে উদ্বেগ
বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা বলছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীকে না হওয়ায় অনেক নেতা দলের সমর্থনের বাইরে থেকেও প্রার্থী হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। এতে একই পদে বিএনপির একাধিক নেতার প্রতিদ্বন্দ্বিতার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সবচেয়ে বড় উদ্বেগ হবে বিদ্রোহী প্রার্থী। দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে কেউ নির্বাচনে অংশ নিলে ভোট বিভক্ত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হবে। এতে দল সমর্থিত প্রার্থীর বিজয়ের সম্ভাবনা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
অন্যদিকে, বিএনপির রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোও স্থানীয় নির্বাচন সামনে রেখে মাঠ গুছিয়ে নিচ্ছে। জামায়াত ও এনসিপি অধিকাংশ এলাকায় একক প্রার্থী দেওয়ার কৌশল নিয়েছে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি তারা আগেভাগেই নির্বাচনি প্রস্তুতি শুরু করেছে।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের স্থানীয় পর্যায়ের পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির কিছু প্রভাবশালী নেতাও স্বতন্ত্র পরিচয়ে নির্বাচনি মাঠে সক্রিয় হতে পারেন বলে বিএনপির নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন।
দলীয় সমর্থন নির্বাচনি আইনের লঙ্ঘন
সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার আমার দেশকে বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপির একক প্রার্থী নির্ধারণ বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। একই সঙ্গে অরাজনৈতিক নির্বাচনে দলীয় সমর্থন দেওয়া আইনের অন্তর্নিহিত লঙ্ঘন।
তিনি বলেন, এ নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে হলে সব রাজনৈতিক দলকে একক প্রার্থী দেওয়ার নামে দলীয় সমর্থন দেওয়ার সংস্কৃতি থেকে সরে আসতে হবে। কারণ, নির্বাচনকে নির্দলীয় চরিত্র দেওয়ার জন্যই দলীয় প্রতীক তুলে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু দলগুলো যদি দলীয় সমর্থন দেয়, তাহলে তা নির্বাচনি আইনের অন্তর্নিহিত লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হবে।
তিনি আরো বলেন, নির্বাচনের আগে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সন্তোষজনক উন্নতি হয়নি। আবার কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগও নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আগ্রহ দেখাচ্ছে। ফলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক রেখে কতটা সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব হবে, তা এখনই বলা কঠিন।
তার মতে, বিএনপি সরকারে থাকায় অনেক জায়গায় দলীয় নেতাকর্মীরা প্রভাব খাটিয়ে নির্বাচনে জয়ের চেষ্টা করতে পারেন। ফলে সামনে সবচেয়ে বড় দুটি চ্যালেঞ্জ হলোÑবিতর্কমুক্ত নির্বাচন আয়োজন এবং একক প্রার্থী বাছাইয়ের মাধ্যমে জাতীয় নির্বাচনের মতো সাফল্য ধরে রাখা।
বিএনপির প্রার্থী বাছাইয়ের পরিকল্পনা
সূত্র জানায়, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপি কেন্দ্রীয়ভাবে শুধু সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থীদের সমর্থন দিতে পারে। সেক্ষেত্রে বর্তমানে দায়িত্ব পালন করা প্রশাসকদের মধ্য থেকে অনেককে মেয়র প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হতে পারে।
অতীতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সিটি করপোরেশন নির্বাচনের আগে মেয়র প্রার্থীদের সমর্থন দিতেন। এবারও ওই রীতি অনুসরণ করে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান চূড়ান্ত সমর্থন দিতে পারেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
বাকি স্থানীয় সরকার ইউনিটগুলোয় স্থানীয় পর্যায়ে দলের সমর্থন নির্ধারণ করা হবে। নেতাকর্মীদের দল সমর্থিত প্রার্থীর পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হতে পারে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো শরিক দলগুলোর প্রার্থীদেরও কিছু ক্ষেত্রে সমর্থন দেওয়া হতে পারে।
সূত্রগুলো জানায়, প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে জনপ্রিয়তা, গ্রহণযোগ্যতা এবং আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকাÑএ তিন বিষয়কে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে। তবে চূড়ান্তভাবে ভোটারদের আস্থা অর্জন করেই প্রার্থীদের বিজয়ী হতে হবে। অতীতের মতো প্রশাসনিক প্রভাব ব্যবহার করে কাউকে বিজয়ী করার নীতি অনুসরণ করা হবে না।
সব মিলিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপির তৃণমূলে দলীয় সমর্থনের লড়াই দলটির জন্য বড় সাংগঠনিক পরীক্ষায় পরিণত হয়েছে। বিদ্রোহী প্রার্থী নিয়ন্ত্রণ, অভ্যন্তরীণ কোন্দল মোকাবিলা এবং একক প্রার্থী নিশ্চিত করার সক্ষমতার ওপরই অনেকাংশে নির্ভর করবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপির সাফল্য বলে মনে করছেন নেতারা।
নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতি
স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব জানিয়েছেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শুরু করেছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য কমিশনের প্রয়োজনীয় সক্ষমতা রয়েছে।
গত সোমবার নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে সরকারের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে সমন্বয় প্রয়োজন। তাই সরকারের সঙ্গে লিখিত বা অলিখিত আলোচনা ছাড়া এখনই চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়া যৌক্তিক হবে না। তবে অক্টোবরকে সামনে রেখে কমিশনের প্রস্তুতি এগিয়ে যাচ্ছে। অক্টোবরে নির্বাচন হলে কমপক্ষে ৪৫ দিন আগে তফসিল ঘোষণা করা হবে এবং সেজন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি কমিশনের রয়েছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


