ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মাদ খলিলুর রহমান বলেছেন, সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও প্রশাসনের প্রতি এ আহ্বান জানান।পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন শিল্প-কারখানা, নির্মাণখাত, পরিবহন ও সেবা খাতে কর্মরত লক্ষ লক্ষ শ্রমিক, মেহনতি ও নিম্ন আয়ের মানুষ পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে নিজ নিজ গ্রামে ফিরবেন।
কিন্তু প্রতি বছরই ঈদযাত্রাকে কেন্দ্র করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, যানবাহনের সংকট, টিকিট জটিলতা এবং দীর্ঘ ভোগান্তির কারণে এসব শ্রমজীবী মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। তাই এই ঈদে শ্রমিক-মেহনতি মানুষের যাত্রা সহজ করতে হবে।
তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তি এই শ্রমিক-মেহনতি মানুষের ঈদযাত্রা নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও স্বস্তিদায়ক করা রাষ্ট্র, পরিবহন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং শিল্প-কারখানা মালিকদের নৈতিক দায়িত্ব।
শুক্রবার পুরানা পল্টন কার্যালয়ে ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন বাংলাদেশের মাসিক বৈঠকে তিনি সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও প্রশাসনের প্রতি এ আহ্বান জানান।
এসময় কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল কে. এম. বিল্লাল হোসাইন বলেন, ঈদকে কেন্দ্র করে পরিবহন ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করা, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও নৈরাজ্য বন্ধে কার্যকর নজরদারি নিশ্চিত করা এবং শ্রমজীবী মানুষের যাতায়াতকে নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
তিনি আরো বলেন, দেশের বাস, লঞ্চ ও ট্রেনসহ সকল পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের উচিত ঈদযাত্রাকে কেন্দ্র করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও যাত্রী হয়রানি থেকে বিরত থেকে মানবিকতা ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেওয়া।
বৈঠকে অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতারা বলেন, সকল শিল্প-কারখানা ও প্রতিষ্ঠানের ঈদের ছুটি এমনভাবে নির্ধারণ করা প্রয়োজন, যাতে শ্রমিকরা পর্যাপ্ত সময় নিয়ে নিরাপদে বাড়ি যেতে পারেন এবং একই দিনে বিপুল সংখ্যক শ্রমিকের যাত্রার চাপ সৃষ্টি না হয়।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

