বর্তমানে আওয়ামী লীগের কালচারাল উয়িং, মুজিববাদী আইনজীবী ও মিডিয়া ব্যক্তিত্বরা নানা মাধ্যমে সক্রিয় হয়েছে। নানা বয়ান সৃষ্টি করে একধরণের বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ রাশেদ খান।
সোমবার ফেসবুক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ইদানিং আওয়ামী লীগের কালচারাল উয়িং, মুজিববাদী আইনজীবী ও মিডিয়া ব্যক্তিত্বরা নানা মাধ্যমে সক্রিয় হয়েছে। নানা বয়ান সৃষ্টি করে একধরণের বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। যেমন; জেড আইন খান পান্না। তাকে দিয়ে আইনজীবী ও আওয়ামী লীগের সাথে সংযুক্ত মুক্তিযোদ্ধাদের সক্রিয় করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে তারা একটি সংগঠনও গঠন করেছে। সোহেল তাজ আবার সেই সংগঠনের প্রমোচনও করেছে। এভাবে মুবিজবাদী চেতনা নতুনভাবে জনগণকে গেলানোর চেষ্টা চলছে। হ্যা, শেখ মুজিবের ৭১ পূর্ববর্তী সময়ের সংগ্রাম নিয়ে প্রশ্ন নাই বা তুললাম। কিন্তু বাকশাল কায়েমের পর ৭১ পূর্ববর্তী সংগ্রাম আর প্রাসঙ্গিক থাকেনা।

জাসদের অগণিত নেতাকর্মীকে হত্যা, গণমাধ্যম বন্ধ করে দেওয়া, তার প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক নেতৃত্বকে মাইনাস করা ইত্যাদি কাজের জন্য তিনি তিরস্কৃত। ১৯৮১ সালে দেশে ফিরে শেখ হাসিনাও বেশ সংগ্রাম করেছে। পরবর্তীতে সেও ফ্যাসিস্ট হয়েছে। ঠিক তার বাবার পথ অনুসরণ করেছে। অদূর ভবিষ্যতে সজীব ওয়াজেদ জয় বা পুতুল কিংবা শেখ রেহেনা সুযোগ পেলে একই পথে হাটবেনা, তার নিশ্চয়তা কি? আওয়ামী লীগ তো শেখ মুজিবের কোন পারিবারিক দল ছিলো না।
কিন্তু শেখ মুজিব ও পরবর্তীতে শেখ হাসিনা বাকি সব নেতৃত্বকে মাইনাস করে দলটাকে পারিবারিক প্রতিষ্ঠান বানিয়ে কলুষিত করে ফেলেছে। সুতরাং মুজববাদী আওয়ামীলীগের আর বাংলাদেশে নামে বেনামে রাজনীতি করার সুযোগ নেই। আর এজন্যই আমি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে বলবো জেড আইন খান পান্নাদের থামান। যেসব আওয়ামী মিডিয়া ব্যক্তিত্ব আওয়ামী লীগের অপরাধকে স্বাভাবিকীকরণ করে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মর্মার্থ ও অর্জনকে ছোট করার চেষ্টা করছে, এদের আস্ফালন বাড়ার আগেই লাগাম টেনে ধরুন। নতুবা বাংলাদেশের জন্য অপেক্ষা করছে মহা বিপদ।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

