বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধ বেহাত হয়েছিল, ৯০ এর গণঅভ্যুত্থান বেহাত হয়েছিল, ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানও বেহাত হবার পথে। একটি পক্ষ ভারতে বসে বাংলাদেশে অশান্তি বাধাতে চায়। আরেক পক্ষ বাংলাদেশে বসে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে ধ্বংস করতে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন করতে চায়। ৭১ এর পরাজিত শক্তি এদেশের নির্বাচনকে বিলম্বিত করতে পিআর পদ্ধতি চায়। আমাদের শরীরে ১ ফোটা রক্ত থাকতে আমরা পি আর পদ্ধতিতে নির্বাচন করতে দিব না।
রোববার ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটির অডিটোরিয়ামে উত্তাল জুলাইয়ে ফ্যাসিবাদ আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে আহতসহ ছাত্র জনতার অবদান এবং আগামীর বাংলাদেশ শীর্ষক আলোচনা সভা আয়োজন করা হয়।
সভাপতিত্ব করেন ভাসানী জনশক্তি পার্টির চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম বাবলু। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল -বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের মানুষ মুক্তিযুদ্ধের সময় জেগে উঠেছে, ৯০ এর গণঅভ্যুত্থানের সময় জেগে উঠেছে এবং ২৪ শে জনগন একইভাবে জেগে উঠেছে। হাসিনা ক্ষমতায় থাকার জন্য যেভাবে রাষ্ট্রীয় কাঠামো ব্যবহার করেছিল তা নজিরবিহীন। ৫ আগষ্ট যদি হাসিনার পতন না হতো তাহলে আমরা রাজপথ ছাড়তাম না। আমরা রাজপথে হাসিনার পতন না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকতাম। আমরা গনঅভ্যুত্থানে জড়িত সকল মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞ।
ভাসানী জনশক্তি পার্টির মহাসচিব ড আবু ইউসুফ সেলিমের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন, জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, গনফোরামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশিদ ফিরোজ, জেএসডির সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন, নাগরিক ঐক্যের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল্লাহ্ কায়সার, গণসংহতি আন্দোলন এর সম্পাদক মন্ডলির সদস্য মনির উদ্দিন পাপ্পু, ভাসানী জনশক্তি পার্টির মুখপাত্র মো. আবদুল কাদের, প্রেসিডিয়াম মেম্বার পারভীন নাসের ভাসানী, আমিনুল ইসলাম সেলিম, এ্যাড মাহমুদ আলী, জান্নাতুল ফেরদৌস, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর হারুন অর রশিদ সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

