সাত কর্মদিবসের মধ্যে রায়

অবৈধ সম্পদ অর্জনের দায়ে বাবা-ছেলের কারাদণ্ড

অবৈধ সম্পদ অর্জনের দায়ে বাবা-ছেলের কারাদণ্ড
ছবি: আমার দেশ

অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন এবং পরস্পর যোগসাজশে অবৈধ সম্পদ বৈধ করার চেষ্টার অভিযোগে চট্টগ্রামে বাবা-ছেলেকে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সাত কর্মদিবসের মধ্যে রায় ঘোষণা করে আদালত ছেলেকে চার বছর এবং বাবাকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেন।

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মিজানুর রহমানের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার মো. আবদুল্লাহ ও তার বাবা আবুল বশর।

বিজ্ঞাপন

দুদকের পিপি মোকাররম হোসাইন জানান, অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে মো. আবদুল্লাহকে চার বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে ৮৪ লাখ ৪৫ হাজার ৮৫৮ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আর অবৈধ সম্পদ অর্জনে সহায়তার দায়ে তার বাবা আবুল বশরকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানামূলে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ২৭ এপ্রিল মো. আবদুল্লাহর নামে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করে দুদক। নোটিশ অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে, তাকে সম্পদ বিবরণী দাখিল করতে বলা হয়। কিন্তু তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেননি। পরবর্তীতে সময় বৃদ্ধির আবেদনও করেননি।

দুদকের অনুসন্ধানে আব্দুল্লাহ’র নামে মোট ১ কোটি ১০ লাখ ২৩ হাজার ৬৫ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। এর বিপরীতে তার বৈধ আয়ের উৎস পাওয়া যায় ১০ লাখ টাকা। ফলে ১ কোটি ২৩ হাজার ৬৫ টাকার সম্পদ তার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ বলে অনুসন্ধানে উঠে আসে।

অন্যদিকে, তার বাবা আসামি আবুল বশর টেকনাফ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল মূলে ২০ লাখ টাকা দিয়ে জমি ক্রয় করেন। পরবর্তীতে তিন মাসের মধ্যেই ওই জমি তার বড় ছেলে আসামি মো. আবদুল্লাহকে হেবা দলিল করে দেন। অবৈধ সম্পদ বৈধ করার এই অপচেষ্টায় সহায়তা করায় আদালত আবুল বশরকে ৩ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

এমএইচ

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন