ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম বলেছেন, জুলাই সনদে যেহেতু সব রাজনৈতিক দল স্বাক্ষর করেছে, সেহেতু বিএনপিকে তা বাস্তবায়নে উদ্যোগ নিতে হবে। এছাড়া বিকল্প পথ নেই। এছাড়া জুলাই আন্দোলনে ইসলামী আন্দোলনের অবদান স্বীকৃতি দিতে হবে।
তিনি বৃহস্পতিবার বিকালে রাজধানীর পুরানা পল্টন কার্যালয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের জরুরি সভায় সভাপতির বক্তব্য এসব কথা বলেন।
আহমদ আবদুল কাইয়ূম বলেন, সংবিধানের গতানুগতিক সংশোধন নয়, বরং জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ও গণভোটের মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণ একটি মৌলিক সংবিধান সংস্কারের পক্ষে হ্যাঁ ভোট দিয়ে স্পষ্ট ম্যান্ডেট দিয়েছে। কিš সেই ঐতিহাসিক জনরায় উপেক্ষা করে সরকার ভিন্ন পথে অগ্রসর হতে চাইলে তা হবে অদূরদর্শী সিদ্ধান্ত, যার আখের সুখকর হবে না।
তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দলীয় ব্যানার নিয়ে দলের শীর্ষনেতা মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করীমের নেতৃত্বে রাজপথে বিশাল মিছিল নিয়ে শাহবাগে আন্দোলনরত ছাত্রদের সঙ্গে একাত্তা ঘোষণা করলে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে প্রাণ ফিরে পায়। ১৪৪ ভঙ্গ করে পুনরায় বিশাল জনতার স্রোতসহ হাজির হন শাহবাগে। এভাবেই জুলাই আন্দোলনের গতি সৃষ্টিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নিয়ামক শক্তি হিসেবে কাজ করে।
তিনি আরো বলেন, ১৮ জুলাই দলের আমির ও চরমোনাই পীর বায়তুল মোকাররমে সমাবেশ করে হুঙ্কার দিয়ে বলেছিলেন, ‘এই নরপিচাশ তুই আমার সন্তানের গায়ে গুলি করলি কেন’? এই হুঙ্কারে ফ্যাসিবাদের তখতে তাউসে আগুন ধরে যায়। এভাবেই আন্দোলন শেষ পর্যন্ত বিজয়ে রুপ নেয়। কাজেই জুলাইকে অবজ্ঞা করে ক্ষমতায় টিকে থাকা যাবে না।
দলের সেক্রেটারি মো. আব্দুল আউয়াল মজুমদারের সঞ্চালনায় যৌথসভায় বক্তব্য রাখেন, সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আলতাফ হোসেন ও আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেন, মাওলানা কেএম শরীয়াতুল্লাহ, প্রভাষক শফিকুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম খোকন, মাওলানা নজরুল ইসলাম, অধ্যাপক ফজলুল হক মৃধা, শেখ আবু তাহের, আব্দুর রহমান, গোলামুর রহমান আজম, নাজিমুদ্দিন গাজী, হাফেজ সালাহউদ্দিন।
যৌথসভায় ২৪ জুলাই নগর শুরা অধিবেশন এবং ২৫ জুলাই নগর সম্মেলন সফলের আহ্বান জানানো হয়।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

