মানববন্ধনে ড. হেলাল উদ্দিন

বাংলাদেশের মানুষ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও গণতন্ত্রে বিশ্বাসী

স্টাফ রিপোর্টার

বাংলাদেশের মানুষ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও গণতন্ত্রে বিশ্বাসী

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও গণতন্ত্রে বিশ্বাসী। এদেশে মুসলিম ধর্মের মানুষ সংখ্যাগরিষ্ঠ হলেও হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টানসহ বিভিন্ন ধর্মের মানুষ রয়েছে। ধর্মবর্ণ, জাতি-গোষ্ঠী নির্বিশেষে বাংলাদেশের মানুষ একই সমাজে মিলেমিশে বসবাস করে। এখানে কোনো ধর্মের মানুষকে রাষ্ট্রীয়ভাবে কিংবা সামাজিকভাবে সংখ্যালঘু হিসেবে বিবেচনা করা হয় না।

মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘পশ্চিমবঙ্গে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদে’ বাংলাদেশ খ্রিষ্টান এসোসিয়েশনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন।

বিজ্ঞাপন

ড. হেলাল উদ্দিন , বাংলাদেশে একই স্থানে মসজিদে নামাজ হয়, মন্দিরে ভিন্নধর্মাবলম্বীরা নিজ-নিজ ধর্ম পালন করে। কেউ কারো ধর্ম পালনে বাধা সৃষ্টি করে না। বাংলাদেশে কোনো পূজা মণ্ডপে হামলা-ভাংচুর হয় না। কিন্তু আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতে প্রতিনিয়ত মুসলমানদের ওপর জুলুম-নির্যাতন করা হচ্ছে, মসজিদ ভেঙে মন্দির তৈরি করা হচ্ছে, মুসলমানদের রাষ্ট্রীয় ও সামাজিকভাবে হয়রানি করছে এবং জুলুম-নির্যাতন চালাচ্ছে। তারা মুসলমান সহ অন্যান্য ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ওপর জুলুম-নির্যাতন চালাচ্ছে। মুসলমানদের অবৈধভাবে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করছে।

তিনি আরো বলেন, পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের পর থেকে মুসলমানদের ওপর নির্যাতনের স্টিম-রোলার চালানো হচ্ছে। মসজিদে নামাজ পড়ার কারণে মানুষকে মসজিদ থেকে টেনে-হিঁচড়ে বের করে নির্যাতন করতে করতে হত্যা করা হচ্ছে! খ্রিস্টান চার্চে হামলা চালানো হচ্ছে। তিনি এসব ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে মুসলমানসহ অন্যান্য ধর্মের মানুষের ওপর জুলুম নির্যাতন বন্ধ করতে ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ খ্রিষ্টান এসোসিয়েশনের সভাপতি এলবার্ট পি কষ্টা'র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকতুল্লাহ বুলু এমপি। বিশেষ অতিথি ছিলেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সরওয়ার তুষার।

বাংলাদেশ খ্রীষ্টান এসোসিয়েশন তেজগাঁও শাখার সভাপতি স্বপন হাওলাদারের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে আরো বক্তব্য রাখেন জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য আসাদুর রহমান খান, ফা. এলবার্ট টমাস রোজারিও, রেভা.ডেভিড ঘোষ, পবিত্র প্রামাণিক, জাকশন গমেজ প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন স্যার নবাব সলিমুল্লাহ একাডেমীর প্রেসিডেন্ট আব্দুল জব্বার, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মঞ্জুরুল ইসলাম প্রমুখ।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন