পোশাকশ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিতের দাবি সাদিক কায়েমের

পোশাকশ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিতের দাবি সাদিক কায়েমের

বাংলাদেশে পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ১২ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণের সমালোচনা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েম। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ভিয়েতনাম প্রায় দ্বিগুণ ন্যূনতম মজুরি দিয়েও পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে। তাহলে আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের সঙ্গে দর-কষাকষিতে সরকারের ব্যর্থতার দায় কেন শ্রমিকদের নিতে হবে?

বিজ্ঞাপন

সাদিক কায়েম বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতির দেশে মাত্র ১২ হাজার ৫০০ টাকা মজুরিতে একজন শ্রমিক কীভাবে নিজের ও পরিবারের ব্যয় নির্বাহ করবেন, তা একটি বড় প্রশ্ন। শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা শুধু তাদের অধিকার নয়, বরং দেশের পোশাকশিল্পের ভবিষ্যতের জন্যও জরুরি।

তিনি অভিযোগ করেন, শ্রমিকদের মজুরি নিয়ে সৃষ্ট পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার শুরু থেকেই ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। আলোচনার মাধ্যমে আগেভাগে সমস্যার সমাধান না করে আন্দোলন শুরু হওয়ার পর শ্রমিকদের ওপর পুলিশি হামলা, মারধর ও নির্বিচারে গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটেছে। সরকারের এই ব্যর্থতার কারণেই পতিত আওয়ামী লীগ আন্দোলনে সুযোগ নেওয়ার পরিবেশ পেয়েছে।

জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষার কথা তুলে ধরে ডাকসু ভিপি বলেন, জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ছিল বৈষম্যহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে ছাত্র, শ্রমিক, কৃষক ও মধ্যবিত্তসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য ইনসাফ নিশ্চিত হবে।

তিনি বলেন, কোনো ধরনের টালবাহানা না করে মালিকপক্ষ ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় বসে দ্রুত সম্মানজনক মজুরি নির্ধারণ করতে হবে। নিজেদের ব্যর্থতা আড়াল করতে উসকানির অজুহাত দেখিয়ে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার উপেক্ষা করা যাবে না।

বক্তব্যের শেষাংশে সাদিক কায়েম বলেন, শ্রমিক বাঁচলেই বাঁচবে দেশ।

এআরবি

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন