বিতর্ক আর নারী ফুটবলারদের বিদ্রোহকে পেছনেই রাখছেন কোচ পিটার বাটলার। নতুন দল নিয়ে নতুনভাবে শুরু করতে চান এই ইংলিশ কোচ। নতুন মিশন সামনে রেখে দলকে নিয়ে যাচ্ছেন সংযুক্ত আরব আমিরাত সফরে। দলের নতুন ফুটবলারদের ভেতর অপার সম্ভাবনা দেখে পিটার বুনে চলেছেন নয়া স্বপ্ন।
নতুন ফুটবলারদের প্রশংসায় ভাসিয়ে বাটলার বলেন, ‘আমার মনে এটা নতুন জাতীয় দল, নতুন তারকা, নতুন ভিশন, এগিয়ে যাওয়ার জন্য নতুন সুযোগ। আমি তাদেরই বেছে নিয়েছি, যাদের নিয়মিত পাওয়া গেছে, যাদের মধ্যে সম্ভাবনা, সততা এবং আরও অনেক কিছু আছে। এরাই বাংলাদেশের নারী ফুটবলের ভবিষ্যৎ।’
নতুন অধিনায়ক আফঈদা খন্দকারের স্তুতিও গেয়েছেন বাটলার, ‘এটা পুরোপুরি নতুন একটি দল। আমরা নতুন একজন অধিনায়ক (আফঈদা) পেয়েছি। আমি মনে করি সে দীর্ঘ সময়ের জন্য অধিনায়ক হওয়ার যোগ্যতা রাখে এবং বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার সব ধরনের গুণ তার আছে।’
বিদ্রোহী ১৮ ফুটবলারের কী দলে ফেরার সুযোগ রয়েছে? উত্তরে বাটলার জানান, ‘তাদের জন্য দরজা খোলাই রয়েছে। আমি ইংলিশ ফুটবলের প্রতিটি স্তরে খেলেছি। আপাতত পেছনে আর ফিরতে চাই না। তারা ফিরবে কি ফিরবে না, সেটা তাদের ব্যাপার। তাদের জন্য দরজা সব সময়ই খোলা থাকবে।’
সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলতে আগামীকাল সোমবার দেশ ছাড়বে বাংলাদেশের মেয়েরা। তার আগে আজ রোববার সংবাদ সম্মেলনে কোচ জানান, ইতিবাচক মানসিকতা নিয়েই এগিয়ে যেতে চান এখন, ‘বিশ্বের কোথাও যাদের মূল্য নেই, আমি তাদের বাছাই করি না। তাই আমি নতুন একটা গ্রুপ তুলে এনেছি। আমার সামনে দুটি পথই খোলা ছিল। হয় বিষণ্ণ হয়ে এক কোণে বসে কান্না করা, অথবা যা আছে, ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে সেটা (চ্যালেঞ্জ) গ্রহণ করা। আমি ইতিবাচকতাটাই গ্রহণ করেছি। বিকল্প নিয়ে ভাবি না। শোরগোল শুনি না। গুজব-গুঞ্জনে কান দিই না। আমি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ঢু মারি না… ইতিবাচক দিকে তাকাই।’ দেশের মেয়েরা প্রীতি ম্যাচ দুটি খেলবে ২৬ ফেব্রুয়ারি ও ২ মার্চ।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

