নতুন এক ইতিহাসে স্বাক্ষী হয়ে থাকছে জাতীয় স্টেডিয়াম। প্রথমবারের মতো এই স্টেডিয়ামে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের নানা বয়সী তরুণ বংশোদ্ভুত ফুটবলারদের খোঁজে এনে বৃহৎ আকারে ট্যালেন্ট হান্ট প্রোগ্রাম আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। এই প্রোগ্রামের নাম দেওয়া হয়েছে ‘বাফুফে নেক্সট গ্লোবাল স্টার’। বাফুফের এই আয়োজনে সাড়া দিয়ে এ পর্যন্ত ঢাকায় এসেছেন মোট ৪৮ জন প্রবাসী বয়সভিত্তিক ফুটবলার। যদিও আগে বাফুফের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করে বলা হয়েছিল, ১৪ দেশের ৫২ জন প্রবাসী ফুটবলার ট্রায়ালে অংশ নিচ্ছেন। পরবর্তী চার প্রবাসী ফুটবলার এসে ট্রায়াল দিয়ে যাবেন বলে বাফুফের পক্ষ থেকে জানা গেছে।

তিন দিন ব্যাপী বাফুফের প্রবাসী ফুটবলারদের ট্রায়াল ঘিরে জাতীয় স্টেডিয়ামে এখন উৎসবমুখর পরিবেশ। শনিবার (২৮ জুন) ট্রায়ালের প্রথম দিনে সকালের সেশনে অংশ নেন ২৫ জন অনূর্ধ্ব-১৯ বয়সী দলের ফুটবলাররা। বিকেলের সেশনে অংশ নেন অনূর্ধ্ব-২৩ বছর বয়সী ফুটবলার। তবে তাদের এই সেশনগুলো হচ্ছে ‘ক্লোজ ডুর’। প্রথম দিনের ট্রায়াল প্রসঙ্গে আমার দেশকে বাফুফে সদস্য মঞ্জুরুল করিম বলেন, ‘সকালের সেশনে দুই-তিনজন অসাধারণ খেলোয়াড়কে আমার খুবই ভালো লেগেছে। বিশেষ করে জার্সি নাম্বার নাইন, উনত্রিশ। উনত্রিশ নাম্বার হলো সুইডেনের খেলোয়াড়। অনূর্ধ্ব-১৬ দলে খেলে। ৬০ নাম্বার খেলোয়াড়ও দারুণ। চার-পাঁচজন খেলোয়াড়কে আমি আপ টু দ্য মার্কে রেখেছি। বাকিটা তো কোচের ব্যাপার। তাদের খেলা দেখে মনে হয়েছে যে, আমরা অন্তত আট-দশজন ভালো খেলোয়াড় পাবো।’ কী দেখে আপনার কাছে চার-পাঁচজনকে ভালো লেগেছে? মঞ্জুরুল করিম বলেন, ‘দেখেন, খেলোয়াড়দের তো নেক দেখলেই বোঝা যায় যে, কেমন খেলোয়াড়। আমার কাছে মনে হয় না যে, একদম আনাড়ি খেলোয়াড় আসছে। আমি মনে করি, এখান থেকে ঢাকার ক্লাবগুলো খেলোয়াড় নিয়ে ঢাকার লিগে, প্রিমিয়ার লিগে, বিসিএলে এবং প্রথম বিভাগে খেলাতে পারে। এটা আমার পর্যবেক্ষণ। কিছু ভালো খেলোয়াড় আছে। আমার মনে হয়, আমরা ভালো জায়গায় যেতে পারবো।’

বাফুফের প্রবাসী ফুটবলারদের ট্রায়ালে পারফরম্যান্স ইভ্যালুয়েশন প্যানেলে আছেন ছাইদ হাসান কানন, একেএম সাইফুল বারী টিটু, জুলফিকার মাহমুদ মিন্টু, মাহবুব হোসেন রক্সি, গোলাম রব্বানী ছোটন ও আলফাজ আহমেদ। পর্যবেক্ষণ হিসেবে আছেন জাতীয় ফুটবল দলের প্রধান কোচ হাভিয়ের কাবরেরা।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

