ইউরোপের প্রতিদ্বন্দ্বীতামূলক ফুটবল বিবেচনায় বোতাফোগোকে আনকোরা না বলে উপায় নেই। ব্রাজিলিয়ান ক্লাবটিকে চেনেন এমন মানুষ খুব কমই খুঁজে পাওয়া যাবে। কেউ চিনুক আর নাই চিনুক, এবার দারুণ এক অঘটনের জন্ম দিয়েছে বোতাফোগো। ক্লাব বিশ্বকাপে ‘বি’ গ্রুপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ী দল প্যারিস সেন্ট জার্মেইনকে (পিএসজি) ১-০ গোলে হারিয়েছে তারা।
গত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে ফ্রান্স ফুটবলে পিএসজির একাধিপত্য চলছে। প্রতি মৌসুমেই লিগ ওয়ানসহ ঘরোয়া লিগের অন্যান্য শিরোপা জেতাকে যেন অলিখিত নিয়মে পরিণত করেছে তারা। ক্লাবটির একমাত্র অপ্রাপ্তি ছিল কেবল চ্যাম্পিয়নস লিগ। সবশেষ মৌসুমে সেই অধরা ট্রফিটাও শোকেসে তোলেছে জায়ান্টরা।
পিএসজির ডাগআউটে আছেন লুইস এনরিকের মতো ইতিহাসের সেরা কোচদের একজন। নামেভাবে দলটিতে খুব বেশি পরিচিত ফুটবলারদের ভীড় না থাকলেও ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে দুর্দান্ত সময়ই পার করছিল প্যারিসিয়ানরা। ভিতিনহা, দিজেরে দুয়ে, কাভারেস্কাইয়া, আশরাফ হাকিমি, গনসালো রামোস, জাইরে এমেরি, মায়ুলুদের নিয়ে গড়া দলটি ইউরোপের বাঘাবাঘা সব দলকে ভয় পাইয়ে দিতে সক্ষম। তারাই কিনা এবার ধরাশায়ী হলো বোতোফোগোর কাছে।
ক্যালিফোর্নিয়ার রোজ বোলে শক্তির বিচারে যোজন যোজন পিছিয়ে থাকা বোতাফোগোর বিপক্ষে দাপুটে ফুটবল খেলেছে পিএসজি। বল দখল এবং আক্রমণে এগিয়ে এগিয়ে ছিল তারা। যদিও কাজের কাজ সেই গোলটাই করতে পারেনি। পিএসজির হতাশার বিপরীতে ৩৬ মিনিটে বোতাফোগোর হয়ে জয়সূচক গোলটি করেন ইগর জেসুস।
এর আগে প্রথম ম্যাচে সিয়াটল সাউন্ডার্সকে ২-১ গোলে হারায় বোতাফোগো। ছয় পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে আছে তারা। তিন পয়েন্ট পাওয়া পিএসজির অবস্থান দুইয়ে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

