লক্ষ্য ১৯১। ৩০০ বলে এই রান করতে হবে। টি-টোয়েন্টির এই যুগে, আধুনিক ক্রিকেটের ব্যাকরণের হিসেবে খুবই সোজা। টেস্টের আদলে খেললেও জয় নিশ্চিত। অথচ আফগানিস্তানের বোলিংয়ের সামনে এই টার্গেটই পাহাড়সম বানিয়ে ৮১ রানের বড় হারে সিরিজ খোয়াল মেহেদি হাসান মিরাজের দল। হতশ্রী ব্যাটিংয়ের প্রদর্শনীতে এ নিয়ে টানা তৃতীয়বার আফগানদের কাছে টি-টোয়েন্টি সিরিজ হারল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরুতেই ডাক মারেন তানজিদ হাসান তামিম। এরপর সাইফ হাসান ভালো কিছুর ইঙ্গিত দিলেও ব্যাটিং ধ্বস ঠেকানো যায়নি। দুই প্রান্তেই ছিল উইকেট বিলিয়ে দেওয়ার হিড়িক। কেউ একপ্রান্ত আগলে রাখার কাজটি করতে পারেনি। ১৭ ওভারের মধ্যে আউট ৫ ব্যাটার। তখন বাংলাদেশের রান মাত্র ৭৯!
তখন লোয়ার মিডল অর্ডারে হাল ধরার চেষ্টায় ছিলেন জাকের আলী ও নুরুল হাসান সোহান। ৩৭ বলে ২০ রান যোগ করে ভাঙে এই জুটি। সোহান ফেরেন ১৫ রান করে। পরের বলেই আবার রশিদ খানের আঘাত। গোল্ডেন ডাকের শিকার হয়ে ফেরেন তানজিম সাকিব। ৮ বলের ব্যবধানে ফেরেন জাকের আলীও। তার ব্যাটে আসে ১৮ রান।।এর আগে ওপেনিংয়ে নেমে সাইফ হাসান ২২ ও তাওহিদ হৃদয়ের ব্যাটে আসে ২৪ রান।
বাংলাদেশকে একা হাতে ধসিয়ে দেন আফগান লেগ স্পিনার রশিদ খান। ক্যারিয়ারের ৬ষ্ঠ ফাইফার পাওয়ার দিনে ১৭ রানে নেন ৫ উইকেট। এছাড়া পেসার আজমতউল্লাহ ওমরজাই নেন তিন উইকেট।
বাংলাদেশের এই ব্যাটিং ব্যর্থতার আগে বোলাররা নিজেদের কাজটা ঠিকঠাকই করেছেন। আবুধাবির উইকেটের সুবিধা কাজে লাগিয়ে আফগানদের থামিয়ে দেয় ১৯০ রানে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ ৯৫ রান আসে ইব্রাহিম জাদরানের ব্যাটে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২২ রান করেন মোহাম্মদ নবী। বাংলাদেশের হয়ে মেহেদি হাসান মিরাজ ৪২ রানে নেন তিন উইকেট।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
আফগানিস্তান- ১৯০/৯, ৪৪.৫ ওভার (ইব্রাহিম ৯৫, নবী ২২, মিরাজ ৩/৪২)
বাংলাদেশ- ১০৯/১০, ২৮.৩ ওভার (হৃদয় ২৪, সাইফ ২২, রশিদ খান ৫/১৭)
ফল- আফগানিস্তান ৮১ রানে জয়ী।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

