অ্যাশেজের সবশেষ চারটি সিরিজই উঠেছে অস্ট্রেলিয়ার হাতে। ২০১৫ সাল থেকে অ্যাশেজ ট্রফিকে যেন নিজেদের সম্পত্তি বানিয়ে ফেলেছে অজিরা। ইংল্যান্ডকে বিখ্যাত সেই ‘ছাইদানি’ জেতার সুযোগই দিচ্ছে না তারা। এবারও সিরিজ ধরে রাখতে চায় অজিরা।
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে এবারের অ্যাশেজে তো ইংল্যান্ডের জয়ের সম্ভাবনাই দেখছেন না গ্লেন ম্যাকগ্রা। অস্ট্রেলিয়ার এ পেস বোলিং কিংবদন্তির মতে, অতিথি ইংলিশদের ধবলধোলাই করবে তার দেশের ক্রিকেটাররা।
২০১০ সালের পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে কোনো টেস্টেই জয়ের দেখা পাননি ইংল্যান্ড। তাই অস্ট্রেলিয়ার মাঠে ইংল্যান্ডের সিরিজ জেতা দূর-অস্ত, কোনো ম্যাচই জিততে পারবে কি না, সেটা নিয়েই সন্দেহ রয়েছে ম্যাকগ্রার। বিবিসি রেডিও ফাইভ লাইভ আড্ডায় অ্যাশেজ নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করতে গিয়ে এ ক্রিকেট গ্রেট বলেন, ‘আমার ভবিষ্যদ্বাণী করার ঘটনা খুবই বিরল, তাই না? আর আমি অস্ট্রেলিয়ার ৫-০ জয় ছাড়া ভিন্ন কিছু ভাবতে পারছি না।’
অজিদের বোলিং বিভাগ নিয়ে সন্তুষ্ট হলেও ব্যাটিং লাইনআপ নিয়ে খানিকটা শঙ্কা রয়েছে ম্যাকগ্রার। তার দুশ্চিন্তা টপ-অর্ডারকে ঘিরে। কেননা উসমান খাজা, ক্যামেরুন গ্রিন ও মার্নাস লাবুশেন এখন ফর্মে নেই। তবে ম্যাকগ্রা বলছেন, সিরিজে আসল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে ইংল্যান্ডের ব্যাটসম্যান ও অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের মাঝে।
ম্যাকগ্রার চোখে হ্যারি ব্রুক আর জো রুট ইংলিশদের মূল খেলোয়াড়, ‘এই সিরিজ রুটের জন্য বড় কিছু হতে পারে। সে কখনো অস্ট্রেলিয়ায় ভালো করতে পারেনি, এমনকি সেঞ্চুরিও নেই। তাই সে নামতে উদগ্রীব হয়ে থাকবে। সে ভালো ফর্মে আছে। ব্রুককে আমি দেখতে পছন্দ করি। সে নিজের মতো খেলে, চ্যালেঞ্জ নেয়। অস্ট্রেলিয়াকে তাকে শুরুতেই চেপে ধরতে হবে।’
তবে ইংল্যান্ডের আক্রমণাত্মক খেলার স্টাইল বাজবলে মুগ্ধ ম্যাকগ্রা, ‘আমি খেলোয়াড়দের ভয় ছাড়াই খেলতে দেখতে পছন্দ করি। এটাই বাজ (ম্যাককালাম) এই ইংল্যান্ড দলে আনতে চাইছে, ভয়হীন খেলা। আমি চাই ওরা আরো কিছুটা দায়িত্বশীলতা আর মানসিক দিক থেকে একটু বেশি সচেতন হোক।’
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

