প্রথম দুই ম্যাচে ব্যাটিংয়ে হতশ্রী অবস্থা ছিল পাকিস্তানের। তবে তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি সব হিসেবনিকেশ পুষিয়ে দিলো সালমান আলী আগার দল। বাংলাদেশি বোলারদের তুলোধুনো করে ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৭৮ রান তুলে নিয়েছে তারা। জিততে হলে বাংলাদেশকে করতে হবে ১৭৯ রান। পাকিস্তানের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬৩ রান করেছেন সাহিবজাদা ফারহান।
টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমে শুরু থেকেই ঝড় তুলে লিটনের সিদ্ধান্তকে ভুল প্রমাণিত করেন পাকিস্তানের দুই ওপেনার ফারহান ও সাইম আইয়ুব। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারেই ৫৭ রান তুলে নেয় পাকিস্তান। ছয় ম্যাচ পর আন্তর্জাতিক টি–টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের বিপক্ষে উদ্বোধনী জুটিতে ৫০ ছাড়িয়ে যায় তারা। টর্নেডোর মতো ব্যাটিং করে ফিফটি তুলে নেন ফারহান। ফখর জামানের জায়গায় সুযোগ পেয়ে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফিফটি তুলে নেন এই ওপেনার।
ফারহানের ফিফটির কিছুক্ষণ বাদেই উইকেট হারায় পাকিস্তান। অষ্টম ওভারে সাইম আইয়ুবকে ফিরিয়ে দলকে প্রথম উইকেট এনে দেন নাসুম আহমেদ। ভাঙে ৮২ রানের জুটি। ১৫ বলে ২১ রান করা সাইম ডিপ স্কোয়ার লেগে ক্যাচ দিয়েছেন শামীম হোসেনকে। এরপর ক্রিজে আসেন মোহাম্মদ হারিস। এরপর ফারহানকেও ফেরান নাসুম। স্লগ সুইপ করতে গিয়ে শেখ মাহেদির হাতে ক্যাচ দিয়েছেন ৪১ বলে ৬৩ রান করা ফারহান।
১৩তম ওভারে ১৫ রান খরচ করেন মাহেদি। এরপরই হারিসকে ফেরায় বাংলাদেশ। তাসকিনের বলে ডিপ থার্ডম্যানে নাসুমের হাতে ক্যাচ দিয়ে শেষ হয় তার ১৪ বলে মাত্র ৫ রানের ইনিংস। এরপর দুর্দান্ত বোলিং ফিল্ডিং করতে থাকে বাংলাদেশ। তাতে আরও এক উইকেট হারায় পাকিস্তান। শরিফুলের বলে মাহেদিকে ক্যাচ দিয়ে ৩ ছক্কায় ১৭ বলে ৩৩ রান করে ফেরেন হাসান নাওয়াজ।
এরপর সাইফউদ্দিনের শিকার ধরেন হুসেইন তালাতকে। লিটন দাসকে ক্যাচ দেওয়ার আগে ৪ বলে ১ রান করেছেন তালাত। ১৩২ রানে ৫ উইকেট হারায় পাকিস্তান। এরপর ঝড়ো জুটি গড়েন আগা ও নাওয়াজ। ১৬ বলে ২৭ রান করা নাওয়াজকে শেষ ওভারের প্রথম বলে ফেরান তাসকিন। এরপর ফাহিম আশরাফকেও (৪) ফেরান তিনি।
বাংলাদেশের পক্ষে ৪ ওভারে ৩৮ রান খরচায় ৩ উইকেট নেন তাসকিন। ২২ রান খরচায় ২ উইকেট দখল করেন নাসুম। ১টি করে উইকেট নেন শরিফুল ইসলাম ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

