লিটন দাসের ফিফটির পর জয় খুব সহজই মনে হচ্ছিল। কিন্তু পরপর দুই ওভারে লিটন ও সাইফ হাসান ফিরে গেলে কঠিন হয়ে পড়ে বাংলাদেশের জয়। তাতে ম্যাচ গড়ায় শেষ ওভারে। রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে ৪ উইকেটে জিতে ৩ ম্যাচ সিরিজে ১-১ সমতায় ফিরেছে বাংলাদেশ। তাতে ২ ডিসেম্বরের তৃতীয় ওয়ানডে রূপ নিলো ফাইনালে।
রান তাড়ায় নেমে জয়ের ভীতটা গড়ে দেন ইমন (৪৩)। এরপর লিটন (৫৭) ও সাইফের (২২) জুটি। লিটন ও সাইফ বিদায় নেওয়ার পর তাওহিদ হৃদয় ও নুরুল হাসানের বিদায়ে একটু চাপেই পড়ে যায় বাংলাদেশ। সেখান থেকে উদ্ধার করেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। ১৯তম ওভারে শেষ ৩ বলে চার–ছক্কায় নিয়েছেন ১০ রান।
শেষ ওভারে ৩ রান দরকার হয় বাংলাদেশের। জশ লিটলের করা ওভারের চতুর্থ বলে চার মেরে দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যান মেহেদী হাসান। সাইফউদ্দিন ৭ বলে ১৭ ও মেহেদী ৩ বলে ৬ রান করে অপরাজিত থাকেন।
এর আগে ব্যাটিং করতে নেমে আয়ারল্যান্ড ম্যাচের শুরুটা করেছিল দুর্দান্ত পাওয়ার প্লের ৬ ওভারেই তুলে ফেলেছিল ১ উইকেটে ৭৫। সেখান থেকে দুইশ রান খুব কঠিন কিছু ছিল না। কিন্তু পরে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে সফরকারীদের ততদূর যেতে দিল না বাংলাদেশ।
ইনিংসের শেষ বলে রান আউট হয়ে থেমেছেন লর্কান টাকার। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩২ বলে ৪১ রান করেছেন টাকার। দুই ওপেনারের উড়ান্ত সূচনার পর তিনিই টানেন দলকে।
২৫ রানে ৩ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের সেরা বোলার শেখ মেহেদি। একটি করে উইকেট নেন তানজিদ হাসান ও মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন
সংক্ষিপ্ত স্কোর
আয়ারল্যান্ড: ২০ ওভারে ১৭০/৬ (টাকার ৪১, টেক্টর ৩৮, স্টার্লিং ২৯, ডকরেল ১৮; মেহেদী ৩/২৫, তানজিম ১/১৭, সাইফউদ্দিন ১/৪০)।
বাংলাদেশ: ১৯.৪ ওভারে ১৭৪/৬ (লিটন ৫৭, পারভেজ ৪৩, সাইফ ২২, সাইফউদ্দিন ১৭*; ডেলানি ২/২৮, অ্যাডাইর ২/৩৬)।
ফল: বাংলাদেশ ৪ উইকেটে জয়ী।
সিরিজ: ৩–ম্যাচ সিরিজে ১–১ সমতা।
ম্যান অব দ্য ম্যাচ: লিটন দাস

