হারের বৃত্ত থেকে যেন বেরই হতে পারছে না রংপুর রাইডার্স। সিলেটে টানা তৃতীয় হারের দেখা পেয়েছে দলটি। আগে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ১১৪ রানে অলআউট হয় রংপুর রাইডার্স। জবাবে, ১৫ বল হাতে রেখে লক্ষ্য তাড়া করে সিলেট টাইটান্স। এই হারে পয়েন্ট টেবিলের চার নম্বরে নেমে এসেছে রংপুর রাইডার্স। আর ৬ উইকেটের জয়ে পয়েন্ট টেবিলের দুইয়ে এসেছে সিলেট টাইটান্স।
আগের ম্যাচে ১৭৮ রান তোলা রংপুর এদিন অলআউট হয় ১১৪ রানে। সর্বোচ্চ ৩০ রান আসে খুশদিল শাহর ব্যাটে। এছাড়া অভিজ্ঞ মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ আউট হন ২৯ রানে। আরেক অভিজ্ঞ লিটন দাস ১২ বলে ২২ রান করে আউট হন। এই তিন ব্যাটার ছাড়া আর কোনো ব্যাটার ওই অর্থে থিতু হতে পারেননি উইকেটে। রংপুরের দুই ব্যাটার সুফিয়ান মুকিম ও মোস্তাফিজুর রহমান শিকার হন গোল্ডেন ডাকের।
সিলেট টাইটান্সের হয়ে দারুণ বোলিং করেন দুই বোলার নাসুম আহমেদ ও শহিদুল ইসলাম। এছাড়া মঈন আলীও ছিলেন বল হাতে অপ্রতিরোধ্য। ৪ ওভারে ১৬ ডট দেওয়া মঈন খরচ করেন মোটে ৮ রান। তাতে তার শিকার ছিল দুই উইকেট। নাসুম আহমেদ ১৯ রানে তিনটি ও শহিদুল ইসলাম ৩৬ রানে নেন তিন উইকেট। মূলত নাসুম ও মঈন আলীর কিপ্টে বোলিংয়ে থমকে যায় রংপুরের ইনিংস।
এই ১১৫ রানের জবাবে খেলতে নেমে ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমনের দারুণ ব্যাটিংয়ে সহজ হয়ে ওঠে সিলেট টাইটান্সের জয়ের পথ। ইমন ৪১ বলে করেন ৫২ রান। তার ইনিংসে ছিল তিনটি করে চার ও ছক্কা। এছাড়া তৌফিক তুষার ২২ বলে করেন ৩৩ রান। পাশাপাশি ভুল আউটের শিকার হন আরিফুল ইসলাম। ২৬ বলে ২১ রান করা আরিফুলকে আউট ঘোষণা করেন আম্পায়ার। তবে সে সময় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে বন্ধ ছিল ডিআরএস। ফলে ডিআরএস নিয়ে বাঁচার সুযোগ ছিল না তার সামনে। ফলে খানিকটা হতাশ হয়ে মাঠ ছাড়তে দেখা যায় তাকে। তার হতাশাজনক আউট অবশ্য প্রভাব ফেলেনি সিলেটের জয়ে। শেষ পর্যন্ত ১৫ বল ও ৬ উইকেট হাতে রেখে নিশ্চিত করে জয়। রংপুরের হয়ে নাহিদ রানা ১৮ রানে নেন দুই উইকেট।
রংপুরকে আটকে রাখার ম্যাচে ১৯ রানে তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হন নাসুম আহমেদ।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
রংপুর রাইডার্স : ১১৪/১০, ১৯.১ ওভার (খুশদিল ৩০, রিয়াদ ২৯, নাসুম ৩/১৯)
সিলেট টাইটান্স : ১১৯/৪, ১৭.৩ ওভার (ইমন ৫২*, তুষার ৩৩, রানা ২/১৮)
ফলাফল : সিলেট টাইটান্স ৬ উইকেটে জয়ী।
ম্যাচসেরা : নাসুম আহমেদ।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

