প্রায় দুই মাস হতে চলল অস্ত্রোপচার হয়েছে নেইমার জুনিয়রের হাঁটুতে। অবশেষে মাঠে খেললেন ব্রাজিলিয়ান এই মেগাস্টার। এতে বিশ্বকাপে তার খেলার সম্ভাবনাও জোরালো হলো।
ভেলো ক্লুবের বিপক্ষে সান্তোসের ৬-০ গোলে জয়ের ম্যাচে বদলি হিসেবে খেললেও গোলের দেখা পাননি নেইমার। দারুণ এ জয়ে কাম্পেয়োনাতো পাউলিস্তার কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে গেছে সান্তোস।
ম্যাচে গোল করার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েও মিস করেছেন নেইমার। তারপরও দলের প্রাণভোমরার মাঠের পারফরম্যান্সে খুশি সান্তোস কোচ জোয়ান পাবলো, ‘আমার মনে হয় সবার নেইমারকে প্রয়োজন। সান্তোস, জাতীয় দলে সে ভালো করলে আনচেলত্তি খুশি হবে। একটির সঙ্গে আসলে আরেকটি জড়িত।’
বর্ণিল ফুটবল ক্যারিয়ারের সায়াহ্নে পৌঁছে গেলেও পাবলোর কাছে এখনো সেরা ৩৩ বছরের এই সুপারস্টার, ‘সে বিশ্বমানের খেলোয়াড়। তার মধ্যে এখনো সেই আকাঙ্ক্ষা আছে। প্রতি ম্যাচে কিংবা অনুশীলনে নিজেদের মধ্যে লড়াইয়েও আমি তা দেখতে পাই সে ওইসব লড়াইয়েও সেখানে থাকতে চায় এবং জিততে চায়। এসব তাকে অনুপ্রাণিত করে।’
কয়েক বছর ধরেই ইনজুরি নেইমারের পিছু ছাড়ছে না। চোটের ধাক্কায় ফর্ম হারিয়ে ইউরোপীয় ও সৌদি ফুটবল পর্ব শেষে জন্মভূমি ব্রাজিলে ফিরেছেন। নাম লিখেছেন বাল্যকালের ক্লাব সান্তোসে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

