হারের বৃত্ত থেকে কোনভাবেই বের হতে পারছে না নোয়াখালি এক্সপ্রেস। এবারের আসরে নিজেদের প্রথম ছয় ম্যাচে হেরেছে দলটি। রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের কাছে তাদের হার ৪ উইকেটে। তাতে একরকম ফিকে হয়ে গেছে তাদের প্লে অফ খেলার আশা। অন্যদিকে সিলেট টাইটান্সের কাছে ২০ রানে হেরেছে ঢাকা ক্যাপিটালস। এতে তাদের জন্যও কঠিন হয়েছে প্লে অফে ওঠার পথ।
দিনের প্রথম ম্যাচে রাজশাহীর বিপক্ষে মাঠে নামে নোয়াখালি এক্সপ্রেস। ওপেনিংয়ে পরিবর্তন আনা দলটি এদিন প্রথমবারের মতো পায় দেড়শ রানের পুঁজি। তাতেও অবশ্য লড়াই করতে পারেনি। ৬ বল বাকি থাকতে জয় নিশ্চিত করে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। আগে ব্যাট করতে নেমে সৌম্য সরকারের ৫৯ ও মোহাম্মদ নবীর ৩৫ রানে ভর করে ৫ উইকেটে ১৫১ রানে থামে নোয়াখালির ইনিংস। জবাবে, ৬ বল বাকি থাকতে নতুন রিক্রুট মোহাম্মদ ওয়াসিমের ৩৫ বলে ৬০ রানে ভর করে জয় পায় রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। এছাড়া ২১ রান আসে আরেক ওপেনার তানজিদ তামিমের ব্যাটে। নোয়াখালির হয়ে মেহেদি হাসান রানা ২৫ রানে নেন তিন উইকেট।
দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে মঈন আলী অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে সহজ জয় পায় সিলেট টাইটান্স। আগে ব্যাটিংয়ে নেমে সিলেটের শুরুটা ছিল না ভালো। ৮ বলে ২৮ রানের ক্যামিও খেলে দলকে শক্ত অবস্থান এনে দেন মঈন আলী। এছাড়া আরিফুল ইসলাম ৩৮ ও আজমতউল্লাহ ওমরজাই করেন ৩৩ রান। তাতে দলটির সংগ্রহ দাঁড়ায় ৬ উইকেটে ১৮০ রান। ঢাকার হয়ে জিয়াউর রহমান ৩৫ রানে নেন তিন উইকেট।
এই ১৮১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই দিশেহারা হয়ে পড়ে ঢাকা ক্যাপিটালস। এক রহমানউল্লাহ গুরবাজ ছাড়া কেউ দাঁড়াতে পারেনি সিলেটের বোলারদের বিপক্ষে। ৪৪ বলে ৫১ রান আসে তার ব্যাটে। ১১৫ স্ট্রাইক রেটে খেলা এই ব্যাটারের ইনিংসে ছিল ৩ চার ও ২ ছক্কা। এছাড়া শেষদিকে ১৬ বলে ২৫ রানের ক্যামিও খেলেন ঢাকা ক্যাপিটালসেএ সাব্বির হোসেন। সিলেটের হয়ে সালমান ইরশাদ ২৫ রানে নেন তিন উইকেট। এছাড়া ২০ রানে দুই উইকেট নেন মঈন আলী। ব্যাট-বলে পারফর্ম করে তিনি ছিলেন ম্যাচসেরা।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

