ফিফা আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে আজ রাতে ইউরোপের দেশ সান মারিনোর মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ। আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে উত্তাপ-উত্তেজনায় ঠাসা এই ম্যাচে বাংলাদেশ ২-১ গোলে হারাল সান মারিনোকে। এই প্রথম ইউরোপের কোনো দলের বিপক্ষে তাদের মাঠে খেলে জিতল বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের এই জয়ের নায়ক জোড়া গোলদাতা তপু বর্মণ। খেলার ১৯ ও ৮৬ মিনিটে দুটি গোল করেন এই ডিফেন্ডার। এতে জয় দিয়েই নতুন অধ্যায় শুরু হলো কোচ থমাস ডুলির। প্রধান কোচের দায়িত্ব নিয়ে প্রথম অ্যাসাইমেন্টেই বাংলাদেশকে জয় এনে দিলেন জার্মান বংশোদ্ভুত যুক্তরাষ্টের সাবেক এই ফুটবলার।
সান মারিনোর বিপক্ষে ম্যাচের কিক অফের পর নিজেদের গুছিয়ে নিতে কিছুটা সময় নেয় বাংলাদেশ। তবে গোল পেতে দেরি হয়নি তাদের। ১৯ মিনিটেই বাংলাদেশকে আনন্দের উপলক্ষ এনে দেন তপু। হামজা চৌধুরীর ফ্রি কিক থেকে শেখ মোরসালিন ডানপ্রান্ত দিয়ে ক্রস দেন। হেডে বল জালে পাঠান তপু। সঙ্গে সঙ্গে গ্যালারিতে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে। তবে বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি এই আনন্দ। ৩১ মিনিটেই ম্যাচে ফিরে সান মারিনো। রক্ষণভাগের ভুল আর মিতুল মারমার অদক্ষতায় গোল হজম করে বাংলাদেশ।
ফলে স্কোর লাইন ১-১ করে বিরতিতে যায় সান মারিনো। তবে পরের অর্ধে খেলতে নেমে শুরুতেই এগিয়ে যেতে পারত ডুলির দল। ক্রস পেলেও গোলমুখ থেকে গোল করতে পারেননি সোহেল রানা। গোল মিস করেছেন ফাহিম। দ্বিতীয়ার্ধে শমিত সোম, সোহেল রানা জুনিয়র ও জায়ানকে মাঠে নামান বাংলাদেশ কোচ। ফলে আক্রমণের গতি বাড়ে।
অবশ্য সান মারিনোও এ সময় বাংলাদেশের রক্ষণভাগ ও গোলরক্ষকের ভালো পরীক্ষা নিয়েছে। এ কঠিন সময় ডিফেন্ডার বিশ্বনাথ ঘোষ ও ফাহামিদুলকে মাঠে নামান কোচ ডুলি। শেষ দিকে গোল করেন বাংলাদেশকে স্মরণীয় এক জয় এনে দেন তপু। এদিন ডুলির প্রথম একাদশেই ডাক পেলেন অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

