ফাইনাল হলো ফাইনালের মতো। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে নারী ইউরোর শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ উঠল জমে। তাতে টাইব্রেকারে স্পেনকে ৩-১ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ইউরোর শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট পেল ইংল্যান্ডের কন্যারা। আর ২০২৩ নারী বিশ্বকাপের ফাইনালে হারের মধুর প্রতিশোধও নিল ইংলিশরা।
রোববার রাতে সুইজারল্যান্ডের সেন্ট জ্যাকব স্টেডিয়ামে নির্ধারিত সময় শেষে ম্যাচ থেকে যায় ১-১ গোলে অমীমাংসিত। ফলে খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। সেখানে কোনো গোল না হওয়ায় ম্যাচের ভাগ্য গড়ায় টাইব্রেকার। পেনাল্টি শ্যুটআউটের রোমাঞ্চ শেষে হাসি হাসে ইংল্যান্ড।
লায়নেসেসের শুরুটা ছিল দুর্দান্ত। ম্যাচের চার মিনিটের মাথায় দারুণ সুযোগ পায় ইংলিশ কন্যারা। রুশো পেছন থেকে দৌড়ে এগিয়ে গিয়ে ডান দিক থেকে দুর্দান্ত শট নেন। যার ফলে গোলরক্ষক কোল ডাইভ দিয়ে বল সেভ করেন দারুণ এক প্রচেষ্টায়। বলটি গিয়ে পড়ে জেমসের সামনে। কিন্তু সে তার পায়ের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। এবং বলটি জালে জড়াতে পারেননি।
ম্যাচের নবম মিনিটে কারমোনা বা উইং থেকে বক্সের ভেতরে একটি দুর্দান্ত ক্রস দেন। বলের গতিপথ লক্ষ্য করে গঞ্জালেজ কাছাকাছি পোস্টের দিকে দৌড়ে এগিয়ে যান। নয় নম্বর জার্সিধারী খেলোয়াড় শটও নেন। কিন্তু হ্যাম্পটন গোললাইন থেকে বেরিয়ে এসে বল আটকে দেন।
লড়াইয়ের ১৩ মিনিটে চাপে চাপে পড়ে যায় ইংল্যান্ড। বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের দারুণ এক প্রচেষ্টা থেকে বক্সে শট নেন পুটেলাস। তার শট ব্লক করে দেন উইলিয়ামসন। ১৬ মিনিটে স্পেনের ডিফেন্ডার ব্যাটল বক্সের মধ্যে গঞ্জালেজের জন্য একটি দুর্দান্ত এড়িয়েল পাস দেন। কিন্তু ইংল্যান্ডের অধিনায়ক উইলিয়ামসন হেড করে বলটি বিপদমুক্ত করেন।
লড়াইয়ের বয়স ২৫ মিনিট হতেই ভাঙে ম্যাচের ডেডলক। বাসেলে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা দুর্দান্ত এক আক্রমণ রচনা করে বসে। ডান দিক থেকে ব্যাটলের ক্রস থেকে গোলপোস্টের ওপরের কোণে হেড করে ফরোয়ার্ড ক্যালডেন্টি বল জালে জড়ান। এগিয়ে যায় স্পেন। প্রথমার্ধ শেষ হয় এভাবেই। সমতায় ফিরতে বেশ খানিকটা সময় লাগে ইংল্যান্ডের। বিরতির পর কেলির ক্রস ধরে ফরোয়ার্ড রুসো বক্সে ঢুকে বল জালে জড়ান। ৫৭ মিনিটে স্কোর চলে আসে ১-১ লেভেলে।
৬৯ মিনিটে কেলি বাম দিক থেকে বক্সে ঢুকে শট নেন। কিন্তু স্পেনের গোলরক্ষক ডাইভ দিয়ে কর্নারের বিনিময়ে রুখে দেন বলটি। তার দুই মিনিট আগে স্পেন ডান দিক থেকে আক্রমণ শুরু করে, কিন্তু ডেল কাস্তিলো সুযোগ নষ্ট করেন, কাছাকাছি পোস্টে খুব কাছ থেকে শট চালান। ব্রোঞ্জ সেখানে সমস্যার মুখোমুখি হয়েছিলেন, স্পেনের আক্রমণকারীকে আটকে রাখতে লড়াই করেও সুবিধা করতে পারেননি।।
একনজরে ফল
ইংল্যান্ড ৩ (১-১) ১ স্পেন
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

